1. muktokotha@gmail.com : Harunur Rashid : Harunur Rashid
  2. isaque@hotmail.co.uk : Harun :
  3. harunurrashid@hotmail.com : Muktokotha :
জাতি সংঘ অধিবেশনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বক্তব্যে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের মারাত্মক বিরূপ প্রতিক্রিয়া - মুক্তকথা
সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২:৩১ পূর্বাহ্ন

জাতি সংঘ অধিবেশনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বক্তব্যে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের মারাত্মক বিরূপ প্রতিক্রিয়া

সংবাদদাতা
  • প্রকাশকাল : মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
  • ১৩৫৯ পড়া হয়েছে

লন্ডন: জাতিসংঘের অধিবেশনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য নিয়ে বিভিন্ন দেশের মুখপাত্র ও নেতৃবৃন্দ যে বিরূপ সমালোচনা করেছেন তার এক সত্য কঠোর বিবরণ লিপিবদ্ধ করেছে “নিউইয়র্ক টাইমস”। বস্তুনিষ্ঠ সেই বিবরণ দিতে গিয়ে টাইমস খুবই সতর্কতার সাথে লিখেছে তাদের বয়ান। টাইমস শুরু করেছে এভাবে, ‘তিনি একজন “দৈত্যাকৃতির সোনার গলিয়াত” আর একজন “বেপরোয়া নয়া যুগী” কথাটি বলেছেন ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে আফ্রিকার মোগাবে। খুব কম সংখ্যকও নয় মাত্র একজন লোকই জাতিসংঘে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বক্তব্যকে “খুবই সাহসী” এবং “সন্তুষ্ট করা” বক্তব্য বলে দেখেছেন।’ আর তিনি ছিলেন নেতা নেতনিয়াহু।
জাতি সংঘের সাধারণ পরিষদে দেয়া প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বক্তব্য নিয়ে সারা সপ্তাহ ধরে চলেছে বিশ্বব্যাপী পক্ষে বিপক্ষে নানামুখী প্রতিক্রিয়া। ভিন্ন নমুনায় বলতে গেলে বলতে হয় আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
ট্রাম্পের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে উত্তর কোরিয়ার প্রতিক্রিয়া যুদ্ধ যুদ্ধ ভাবের অবস্থা সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে কোরিয়ান নেতা কিম জং উন ও ট্রাম্পের বক্তব্য পাল্টা বক্তব্য শালীনতার সকল সীমা লঙ্ঘন করে চলেছে। 
উত্তর কোরিয়ার টেলিভিশনে সে দেশের নেতা কিম জং উন ট্রাম্পকে “ভীমরতি ধরা বৃদ্ধ” বলে উল্লেখ করেছেন। অন্যান্যরা জাতিসংঘের অধিবেশনেই তাদের কঠোর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। ৯৩ বছর বয়স্ক জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট রবার্ট মোগাবে তার নিজ ভাষণে ট্রাম্পকে বাইবেলিয় “গলিয়াত” এর সাথে তুলনা করে বলেছেন ট্রাম্প হলেন “সোনার দানবিক গলিয়াত”। মোগাবে আরো বলেছেন, উত্তর কোরিয়াকে নিয়ে তার কথায় কেউ ভয় পায়নি তবে বিব্রতবোধ করেছে। মোগাবে জাতিসংঘের অধিবেশনে উপস্থিতদের এই বলে প্রশ্ন করেন যে, “আমরা কি আমাদের মাঝে বাইবেলিয় গলিয়াতের আবির্ভাব দেখতে পাচ্ছি যে, দুনিয়ার অন্যান্য দেশকে উৎখাত করে দেয়ার সাহস দেখায়!
কেনাডার জাস্টিন ট্রুডো অধিবেশনে তার বক্তব্যে, প্যারিস জলবায়ূ চুক্তি থেকে বের হয়ে আসার মিঃ ট্রাম্পের বক্তব্যকে উদ্দেশ্য করে বলেন, দুনিয়ার এমন কোন দেশ নেই যে জলবায়ূ পরিবর্তনের বিনাশী খপ্পর থেকে রেহাই পেতে পারে।
রুশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রী সারগেই ভি. লাভরভ অনেক কথাই বলেছেন তবে খুবই গুরুত্ব দিয়ে বলেছেন ইরাণ বিষয়ে। তিনি বলেছেন সারা বিশ্ব খুব মনোযোগ দিয়ে ইরাণের উপর এখনও আমেরিকার বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞার প্রতি খেয়াল রাখছে। আমেরিকার দীর্ঘদিনের বন্ধু জার্মানীর পররাষ্ট্র মন্ত্রী সিগমার গাব্রিয়েল, ট্রাম্পের অতিজাতীয়তাবাদী বক্তব্য, “আমাকে আমার দেশের বিষয় প্রথমেই দেখতে হবে” ধর্মী আবেগীয় কথার তীব্র ভাষায় তিরস্কার করেছেন। বলেছেন, এমনতরো জাতীয়তাবাদী ভাবাবেগ কেবলমাত্র ক্ষতিই ডেকে আনতে পারে। তিনি আরো বলেছেন, এ ধরনের মনোভাব, সারা দুনিয়াকে একটি যুদ্ধের ময়দান বানিয়ে দেখার মত হয়ে যায়। যেখানে আমরা একে অন্যের বিরুদ্ধে কেবল যুদ্ধ করেই চলেছি বলে প্রতিয়মান হয়। এমন ধর্মী মনোভাব আইনের শক্তি নয় বরং মদমত্ত্ব অহম শক্তিরই জয়গান করে। এটা ঠিক নয়।
ইসরায়েলের বেঞ্জামিন নেতনিয়াহু ট্রাম্পের বক্তব্যের খুবই প্রশংসা করেছেন। নেতনিয়াহু বলেন, ট্রাম্প ঠিকই বলেছেন যে ইরাণের সাথে পারমানবিক লেনদেন হলো একটি বিভ্রান্তিকর অবস্থা। 

ইরাণের হাসান রুহানী, অধিবেশনেও ট্রাম্পের বক্তব্যের বিরুধীতা করেছেন পরে সাংবাদিক সন্মেলন করে ইরাণের প্রতি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন অভিযোগ আনায় তার জন্য ইরাণের কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবী করেন। তথ্যসূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস

এ জাতীয় সংবাদ

তারকা বিনোদন ২ গীতাঞ্জলী মিশ্র

বাংলা দেশের পাখী

বাংগালী জীবন ও মূল ধারার সংস্কৃতি

আসছে কিছু দেখতে থাকুন

© All rights reserved © 2021 muktokotha
Customized BY KINE IT