1. muktokotha@gmail.com : Harunur Rashid : Harunur Rashid
  2. isaque@hotmail.co.uk : Harun :
  3. harunurrashid@hotmail.com : Muktokotha :
কাউয়াদিঘী হাওরের পানি কামানোর দাবিতে হাওর রক্ষা সংগ্রাম কমিটির স্মারকলিপি প্রদান - মুক্তকথা
সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ১২:১৮ পূর্বাহ্ন

কাউয়াদিঘী হাওরের পানি কামানোর দাবিতে হাওর রক্ষা সংগ্রাম কমিটির স্মারকলিপি প্রদান

হাওর আঞ্চলিক প্রতিনিধি
  • প্রকাশকাল : বৃহস্পতিবার, ২১ জুলাই, ২০২২
  • ৯১৩ পড়া হয়েছে

 

মনু প্রকল্পের কাসিমপুর পাম্প সব সময় না থাকায় মৌলভীবাজারের কাউয়াদীঘি হাওরে পানি বেড়ে চলেছে। ফলে মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগর উপজেলার ৬ ইউনিয়নের অন্তত ৫০টি গ্রামের মানুষ জলাবদ্ধতায় আক্রান্ত হয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। ২৪ ঘন্টা পাম্প সচল রেখে কাওয়াদিঘী হাওরের পানি কমানো এবং রাজনগর মোকামবাজার রোডে মেদেনিমহল ভুরভুরি ছড়ায় নবনির্মিত সেতুটির অবকাঠামো পূর্বের সেতু থেকে নিচে হওয়াতে হাওর পাড়ের লোকজন নৌকাযোগে চলাচল করতে না পারায় সেতুটি ভেঙে নতুন করে নির্মাণের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে বৃহস্পতিবারে স্মারকলিপি দিয়েছেন হাওর রক্ষা সংগ্রাম কমিটি।

জানা যায়, শুস্ক মৌসুমে মনু প্রকল্পের কাউয়াদীঘি হাওরের বোরো ফসলে প্রয়োজনে পানি সেচ দিতে ও বর্ষা মৌসুমে হাওরের বর্ধিত পানি বের করে দেওয়ার জন্য ১৯৮২ সালে কুয়েত এবং বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে রাজনগরের কাসিমপুরে পাম্প হাউজ স্থাপন করা হয়। এরপর থেকে কাউয়াদীঘি হাওরে বোরো ও আমন ফসল বান কিংবা খরায় নষ্ট হচ্ছে না। বৃষ্টিপাতের ফলে সম্প্রতি কাউয়াদীঘি হাওরে প্রতিদিন পানি বাড়ছে। এতে সদর উপজেলার একাটুনা, আখাইলকুঁড়া ও রাজনগর উপজেলার ফতেপুর, উত্তরভাগ, পাঁচগাঁও এবং মুন্সিবাজার ইউনিয়নের হাওরপাড়ের অর্ধশতাধিক গ্রামের মানুষ জলাবদ্ধতায় আক্রান্ত হয়েছেন।

কাশিমপুর পাম্প হাউস। ছবি: রাজন

দিন দিন পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় ভুক্তভোগী মানুষের চলাচলের রাস্তাসহ ঘরবাড়ি, ফসলী জমি জলমগ্ন হচ্ছে। কিন্তু মনু প্রকল্পের কাসিমপুর পাম্প ২৪ ঘন্টা সচল না থাকায় হাওরের পানি বৃদ্ধি থামছে না। নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে পাম্প হাউজের ৮টি পাম্প সচল রেখে পানি সেচ দিয়ে কুশিয়ারা নদীতে ফেলার দাবিতে হাওর রক্ষা সংগ্রাম কমিটি জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন। স্মারকলিপি প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন হাওর রক্ষা কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট মঈনূর রহমান মগনু, সাধারণ সম্পাদক জুনেদ আহমদ চৌধুরী, সাংবাদিক জাবেদ ভূঁইয়া, সদর উপজেলা কমিটির সভাপতি আলমগীর হোসেন ও সম্পাদক রাজন আহমদ, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট জেলা কমিটির সভাপতি বিশ্বজিৎ প্রমুখ।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) এম এ হান্নান খান বলেন, চাহিদা মতে বিদ্যুৎ যোগান না পাওয়ায় দিনে একটি পাম্প ও রাতে সব ক’টি পাম্প সচল রেখে পানি নিস্কাষণ কনা হচ্ছে। বিদ্যুৎ সমস্যা না না থাকলে দিন-রাত সব সময় পাম্প সচল রাখা সম্ভব হত।

জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান বলেন, জরুরী মিটিংয়ে থাকায় এখনও স্মারকলিপি আমার হাতে পৌছেনি। হাওর রক্ষা কমিটির নেতৃবৃন্দ ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে আলোচনা করে সব সময় পাম্প সচল করে হাওরের পানি নিস্কাষণের ব্যবস্থা করা হবে।

এ জাতীয় সংবাদ

তারকা বিনোদন ২ গীতাঞ্জলী মিশ্র

বাংলা দেশের পাখী

বাংগালী জীবন ও মূল ধারার সংস্কৃতি

আসছে কিছু দেখতে থাকুন

© All rights reserved © 2021 muktokotha
Customized BY KINE IT