1. muktokotha@gmail.com : Harunur Rashid : Harunur Rashid
  2. isaque@hotmail.co.uk : Harun :
  3. harunurrashid@hotmail.com : Muktokotha :
পৃথিবীর প্রাচীনতম গাছের বয়স জানলে চমকে যাবেন! - মুক্তকথা
রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ১২:১৪ অপরাহ্ন

পৃথিবীর প্রাচীনতম গাছের বয়স জানলে চমকে যাবেন!

সংবাদদাতা
  • প্রকাশকাল : শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০১৭
  • ৭৩৭ পড়া হয়েছে
লেখকের সেই 'ওল্ড জিকো' বৃক্ষ।

অনেক খুঁজে ওই নামের সাথে মিল পাওয়া সুইডেনের পাহাড়ের সেই ‘ওল্ড জিকো’ গাছ।

লন্ডন: শুক্রবার, ১৩ই মাঘ ১৪২৩।। গাছ নিয়ে এমন চমকপ্রদ  খবর আগে কখনও শুনিনি। গাছটি রয়েছে সুইডেনের ডালার্না প্রভিন্সের ফুলুফজ্যালেট পর্বতে বলে খবরের লেখক দাবী করেছেন। হতে পারে। আমি জানিনা বা শুনিনি বলেই যে তা সঠিক নয় এমন ভাবা যেমন বোকামো তেমনি খবরটির লেখক যদি আরো বিস্তৃত কিছু তথ্য দিতেন তা’হলে পাঠক হিসেবে আমার জানার আগ্রহ প্রশমিত হতো। তিনি লিখেছেন বিজ্ঞান সম্মত কিছু কথার সংমিশ্রনে। লিখেছেন- গাছেরা না থাকলে পৃথিবীতে খাদ্য শৃঙ্খল কীভাবে তৈরি হত? কার্বন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন সাইকলই বা কীভাবে সম্পূর্ণ হত? তার মতে তার সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত এই গাছটিই পৃথিবীর সবচেয়ে ‘বৃদ্ধ গাছ’।

খুব সম্ভবতঃ স্কটিশ জুলজিস্ট উইলিয়াম তমাস কালমেন এর নামে তিনি আরো লিখেছেন- নয় নয় করে ৯৫৫৮ বছর পৃথিবীতে কাটিয়ে দিয়েছে এই গাছটি। সর্বশেষ হিমযুগ বা ‘আইস এজ’-এ জন্ম নিয়েছিল এই গাছ। জাতিতে ‘স্প্রুস’ এবং উচ্চতায় ১৬ ফুট এই গাছটির নাম ‘ওল্ড জিকো’। কেমন মানুষের মতো নাম তাই না? আসলে এই গাছের আবিষ্কর্তা, জিওলজিস্ট লেইফ কালমান তাঁর আদরের পোষ্যের নামে নাম রেখেছিলেন গাছের। গাছটি রয়েছে সুইডেনের ডালার্না প্রভিন্সের ফুলুফজ্যালেট পর্বতে বলে তিনি একটি গাছের ছবিও দিয়েছেন। আরো বলেছেন, পৃথিবীতে গাছেদেরও আগে জন্ম নেয় স্থলজ ছত্রাক প্রায় ১৩০০ মিলিয়ন বছর আগে। স্থলজ গাছেরা এসেছে আর একটু পরে অর্থাৎ ৭০০ মিলিয়ন বছর আগে। এই গাছটি যখন জন্মায় তখনও স্থলভাগের প্লেট বিভাজন শেষ হয়নি এবং সেই সময় ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জ ইওরোপের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গেই সংযুক্ত ছিল। একটি মত অনুযায়ী, এই গাছটিকে প্রাচীনতম বলা যায় না কারণ এই গাছটি হল ক্লোনাল ট্রি। একটি “ক্লোনাল ট্রি ভেজিটেটিভ রিপ্রোডাকশনে”র মাধ্যমে নিজের পুনর্জন্ম ঘটায়। অর্থাৎ একই স্থানে গাছের বীজ থেকে যখন নতুন অঙ্কুরোদ্গম হয়, তখন গাছের পুরনো অংশটি ধীরে ধীরে নষ্ট হতে থাকে। বর্তমানে ‘ওল্ড জিকো’-র যে গুঁড়িটি দেখা যায় সেটি অতটাও প্রাচীন নয় কিন্তু মাটির গভীরে যে শিকড়ের বিন্যাস রয়েছে, তা হাজার হাজার বছরের পুরনো। বিজ্ঞানীদের মতে, এই ‘ক্লোনাল ভেজিটেটিভ রিপ্রোডাকশনে’র জন্যেই হাজার বছরের প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও জলবায়ুর পরিবর্তনের পরেও গাছটি জীবিত।

তার এ খবরটি পড়ে আমি অনেক খোজাখুঁজি করেছি তবে হুবহু তার কথার সাথে মিলাতে পারিনি কিছু। সুইডেনের একটি গাছের ছবি পেয়েছি অনুসন্ধিৎসু পাঠকের জন্য গাছের সেই ছবিটি এখানে তুলে দিলাম।

এ জাতীয় সংবাদ

তারকা বিনোদন ২ গীতাঞ্জলী মিশ্র

বাংলা দেশের পাখী

বাংগালী জীবন ও মূল ধারার সংস্কৃতি

আসছে কিছু দেখতে থাকুন

© All rights reserved © 2021 muktokotha
Customized BY KINE IT