1. muktokotha@gmail.com : Harunur Rashid : Harunur Rashid
  2. isaque@hotmail.co.uk : Harun :
  3. harunurrashid@hotmail.com : Muktokotha :
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের জন্য ‘তিস্তা’ এসিড টেস্ট। ভারতে বাংলাদেশের সাবেক হাই কমিশনার তারিক করিম - মুক্তকথা
বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের জন্য ‘তিস্তা’ এসিড টেস্ট। ভারতে বাংলাদেশের সাবেক হাই কমিশনার তারিক করিম

সংবাদদাতা
  • প্রকাশকাল : বৃহস্পতিবার, ৬ এপ্রিল, ২০১৭
  • ২১২ পড়া হয়েছে

লন্ডন: ভারতে বাংলাদেশের সাবেক হাই কমিশনার তারিক করিম বলেছেন, ঝুলে থাকা তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি এখনো বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের জন্য এসিড টেস্ট। যাকে বলা চলে, দুই দেশের সম্পর্কের জন্য সুনির্দিষ্ট ইঙ্গিতবাহী এক পরীক্ষা। বুধবার ভারতের ইংরেজি দৈনিক দ্য হিন্দুকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ শুক্রবার চারদিনের সফরে ভারত যাচ্ছেন। এ সফরে দুই দেশ যোগাযোগ, জ্বালানি ও বাণিজ্যসহ নানা খাতে বেশ কয়েকটি চুক্তির ঘোষণা দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে তারিক করিম মনে করছেন মনোযোগ এখনও তিস্তা চুক্তির দিকেই। ঐতিহাসিক এই পানি বণ্টন চুক্তির সমাধান এখনও হয়নি। এর মূল কারণ পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার ও ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের মতপার্থক্য। সাক্ষাৎকারে তিনি তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি ছাড়াও সংযোগ, ২০১৪ সালের নির্বাচন, যুদ্ধাপরাধের বিচারসহ নানা বিষয়ে কথা বলেন।
তিস্তা চুক্তি কেন প্রস্তাব থেকে এড়িয়ে গেছে? এমন এক প্রশ্নের জবাবে তারিক করিম বলেন, অতীতে, সর্বোচ্চ পর্যায়ে প্রাতিষ্ঠানিক একটা অবকাঠামো ছিল যেখানে প্রধানমন্ত্রীর (হাসিনার) উপদেষ্টা (গওহর রিজভী) মাসে একবার এসএসএ’র (শিবশঙ্কর মেনন) সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন। তারা কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করতেন। এই ব্যবস্থা চালিয়ে গেলে ভালো হতো। আমলাতন্ত্রকে তাদের ওপর ছেড়ে দিলে তার ওপর মনোযোগ বেশি দিন থাকে না। মনোযোগ সরিয়ে নেয়ার উপাদান ঢুকে পড়ে। একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার দ্বিতীয় মেয়াদের দ্বিতীয় অর্ধভাগে রয়েছেন। আর এটা বিশ্বের যে কোনো অঞ্চলের যে কোনো সরকারে যে কোনো নেতার জন্য সমস্যাযুক্ত। আপনি যদি বাংলাদেশ প্রসঙ্গে যান, আমি যদিও শতাধিক চুক্তির কথা বলছি যার ৯০টির অধিক সম্পন্ন হয়েছে, পাইপলাইনে রয়েছে আরো ৫০টির বেশি, তারা শুধু এটাই জিজ্ঞাসা করবে, তিস্তা কেন হয়নি?
তিস্তাকে সম্পর্কের অন্যতম একটি এসিড টেস্ট বলেছিলেন। এটা কেন এমন অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা আমাদের অতীত থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত। আমরা তিস্তা অতিক্রম করতে পারলে, দুই দেশের মধ্যে অভিন্ন ৫৪টি নদীর অববাহিকা ব্যবস্থাপনার বৃহত্তর লক্ষ্যের দিকে অগ্রসর হতে পারি। শেখ হাসিনা নদী ‘ভাগ’ বা বণ্টনের কথা না বলে এগুলো ব্যবস্থাপনার কথা বলেন। আমাদের জাতীয়তা রক্ষা নিয়ে আমরা অতি উৎসাহী উদ্বেগ পোষণ করি। এটা কখনও কখনও আমাদের সঠিক কাজটি করতে বাধা দেয় যা জাতি সীমান্তের ঊর্ধ্বে। তিস্তা এখন এমন একটি আবেগের ইস্যু।
পরিস্থিতি বিবেচনায়, তিস্তা ছাড়া প্রধানমন্ত্রী হাসিনার ফিরে যাওয়াটা কতটা কঠিন হবে এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রাজনৈতিকভাবে এটা হবে অত্যন্ত কঠিন। তাকে আঘাত করতে বিরোধীপক্ষ এই একমাত্র তিস্তাকে ব্যবহার করে। তারা প্রশ্ন করে, প্রধানমন্ত্রী যদি ভারতের এত ভালো বন্ধুই হবেন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে এত ভালো সম্পর্কই যদি থাকে তাহলে কেন তিনি এ চুক্তি করতে পারছেন না? কাজেই ৭ বছর পর যখন তিনি যাচ্ছেন তখন ফেরত নেয়ার মতো কিছু নিশ্চয়ই আছে।
তাহলে তিস্তা নিয়ে নয়াদিল্লি ও ঢাকার মধ্যে কেন সমাধান হলো না? এমন এক প্রশ্নের জবাবে সাবেক হাই কমিশনার বলেন, এক্ষেত্রে ভারতের ‘সহযোগিতামূলক কেন্দ্রীয় সরকার ব্যবস্থা’ নীতি চলে আসে। সেটা হলো, পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের ঐকমত্য ছাড়া নির্বাহী আদেশ দিয়ে আপনি এটা করতে পারবেন না।
তার মতে, এই সফরকে সামাল দেয়ার একটা উপায় হলো, শেখ হাসিনা আর কি কি নিয়ে যেতে পারবেন সে দিকে নজর দেয়া। বাংলাদেশ দুটো জিনিস চায়; পানি নিরাপত্তা ও জ্বালানি নিরাপত্তা। এ সফরে যদি গঙ্গা বাঁধ হয়, তাহলে শেখ হাসিনা ঢাকা ফিরে বলতে পারবেন এটা তার পিতার (শেখ মুজিবুর রহমান) স্বপ্ন ছিল। তিনি ফারাক্কা বাঁধ পেয়েছিলেন কিন্তু সবসময়ই গঙ্গা বাঁধ নির্মাণ করতে চেয়েছিলেন। কাজেই তিনি (হাসিনা) যদি বলতে পারেন, এটা হয়ে গেছে আর আমরা নদী অববাহিকা ব্যবস্থাপনা চুক্তির দিকে এগোতে পারি তাহলে গল্পের গতিপথ পাল্টাবে আরো ফলপ্রসূ সংশ্লিষ্টতার দিকে। -ইত্তেফাক থেকে

এ জাতীয় সংবাদ

তারকা বিনোদন ২ গীতাঞ্জলী মিশ্র

বাংলা দেশের পাখী

বাংগালী জীবন ও মূল ধারার সংস্কৃতি

আসছে কিছু দেখতে থাকুন

© All rights reserved © 2021 muktokotha
Customized BY KINE IT