1. muktokotha@gmail.com : Harunur Rashid : Harunur Rashid
  2. isaque@hotmail.co.uk : Harun :
  3. harunurrashid@hotmail.com : Muktokotha :
একজন সাংবাদিক সায়মন ড্রিংক ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ - মুক্তকথা
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের রাজনীতি ও অন্তর্বর্তীকালীন সংকটের রূপরেখা দুর্গোৎসব ছড়ালো ভালোবাসার আলো : উৎসবে বস্ত্র বিতরণ। পূজা মণ্ডপে মন্ত্রী আরিফুল, সড়কের ব্যাপক গাছ চুরি, বাগান শ্রমিকদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ; বিষ প্রয়োগে লক্ষ টাকার ক্ষতি। প্রখ্যাত ফুটবলখেলোড়ী , মাহি উদ্দিন সেলিমকে সংবর্ধনা শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী পালিত, শিশুর মৃত্যু, নদীতে বিষ দিয়ে মাছ নিধন, ‘হিউম্যান রাইজ-‘এর নিজস্ব অফিস নির্মাণ ও হৃদরোগে মৃত্যু। তড়িঘড়ি করে ১৩৪টি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিককে অনুমোদন। পালিত হলো বর্ণবাদ ও স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের ৯০ বছর। একটি নার্সারী পুঞ্জির ৮হাজার পানগাছ দুর্বৃত্তরা কেটে দিয়েছে। খেলাধুলা এখন পেশা, আদিবা ও অন্বেষা শ্রেষ্ট ২ ক্ষুদে গবেষক, বইপড়া উৎসব ও শ্রমিকনেতা মফিজআলী, পূঁজা উপলক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা সভা, গরুচুরি, অনিয়মের জন্য জরিমানা, জমিনিয়ে বিরোধের শেষে।

একজন সাংবাদিক সায়মন ড্রিংক ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ

বিশেষ প্রতিনিধি॥
  • প্রকাশকাল : বৃহস্পতিবার, ২২ জুলাই, ২০২১
  • ১৩৫৬ পড়া হয়েছে

৭৬ বছর বয়সে মারা গেলেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়কালীন ঢাকায় অবস্থানরত সাংবাদিক সায়মন ড্রিং। সাংবাদিক সায়মন ড্রিং ছিলেন প্রথম সাংবাদিক যিনি ১৯৭১ সালে দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তানের ভয়াবহতা ও নৃশংসতার বিবরণ বিশ্বের মানুষের কাছে তুলে ধরেছিলেন। পাকিস্তানী সামরিক জান্তার রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তিনি পাক হানাদার বাহিনীর অমানবিক জঘন্য ও নৃশংসতার বিবরণ জানিয়ে দিয়েছিলেন দুনিয়ার মানুষের কাছে।

গত শুক্রবার রুমানিয়ার একটি হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের সময় বাংলাদেশের এই অকৃত্তিম বন্ধু জীবনের শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে চলে গেছেন অচেনা অজানা জগতে। অবিসংবাদিত এই সাংবাদিক সায়মন ড্রিং কে বাংলাদেশও তার যথাযোগ্য মর্যাদা দিতে ভুল করেনি। বাংলাদেশ তাকে সন্মানসূচক নাগরীকত্ব দিয়ে সন্মানিত করেছিল।

সাংবাদিক সায়মন ড্রিং এর দ্বারা পাকহানাদার বাহিনীর নৃশংসতার খবর সংগ্রহের সে কাহিনী একদিকে যেমন দুঃসাহসিক অন্যদিকে জীবনবিনাশী লোমহর্ষকও বটে। পাকহানাদারদের নৃশংসতার খবর সংগ্রহের জন্য সায়মন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হোটেলের বাঙ্গালী কর্মচারীদের সাথে লুকিয়ে হোটেলেই থেকে যান। পরে হোটেল বয়ের সাহায্যে বেরিয়ে আসেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, রাজারবাগ পুলিশ ফাঁড়ি, চারুকলা এসব যায়গা ঘুরে সংবাদ সংগ্রহ করেন। পাক হানাদারেরা এসব এলাকা বধ্যভূমিতে পরিণত করেছিল।

বৃটিশ হাইকমিশনের সহযোগীতায় একদিন পর ঢাকা ছেড়ে যেতে সক্ষম হন। ব্যংকক গিয়ে সংবাদ তৈরী করে দৈনিক টেলিগ্রাফ পত্রিকায় সংবাদ পাঠান। তার সে সংবাদই ছিল বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সংবাদ যা ছাপা হয়েছিল ৩০মার্চ ১৯৭১ইং। তাই সাংবাদিক সায়মন ড্রিং বাঙ্গালিদের কাছে চিরকালের এক নায়ক হয়ে থাকবেন যুগ যুগ যুগান্তর ব্যাপী।

এ জাতীয় সংবাদ

তারকা বিনোদন ২ গীতাঞ্জলী মিশ্র

বাংলা দেশের পাখী

বাংগালী জীবন ও মূল ধারার সংস্কৃতি

আসছে কিছু দেখতে থাকুন

© All rights reserved © 2021 muktokotha
Customized BY KINE IT