মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের শ্রীনাথপুর সার্বজনীন দেবালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি, অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা দেবাশীষ বৈশ্য (৬৭) শনিবার সকাল ১১ ঘটিকায় মৌলভীবাজারের একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে পরলোকগমন করেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ১ ছেলে, ১ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। শনিবার সন্ধ্যায় শ্রীনাথপুর গ্রামে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। তাঁর মৃত্যুতে কমলগঞ্জ উপজেলা ও আলীনগর ইউনিয়ন পূজা উদযাপন পরিষদ, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, শ্রীনাথপুর সার্বজনীন দেবালয় পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করে শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়।
ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল:
কমলগঞ্জের লাউয়াছড়ায় আটকা পড়ে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস
৫ ঘন্টা ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ ছিল
![]() |
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের মাগুরছড়া এলাকায় চট্টগ্রামগামী আন্তঃনগর পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল হওয়ায় ৫ ঘন্টা আটকা ছিল ট্রেনটি। ইঞ্জিন বিকলের কারণে সিলেটের সঙ্গে চট্টগ্রাম ও ঢাকাসহ সারাদেশের রেল যোগাযোগ ৫ ঘণ্টা বন্ধ ছিল। চরম দুর্ভোগে পড়েন হাজারো ট্রেন যাত্রীরা। সিলেটের বিভিন্ন স্টেশনে আটকা পড়ে চারটি আন্ত:নগর এক্সপ্রেস ট্রেন। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১ টায় থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ট্রেন আটকা পড়েছিল। আখাউড়া থেকে রিলিফ ট্রেন এসে ৫ ঘন্টা পর ইঞ্জিন উদ্ধার করার পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
রেলওয়ে সুত্রে জানা যায়, শনিবার সকাল ১০টা ২০ মিনিটে সিলেট থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী আন্ত:নগর পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল হওয়ায় দুপুর ১টায় কমলগঞ্জ উপজেলার লাউয়াছড়া বনের মাগুরছড়া অতিক্রমকালে আটকা পড়ে। পাহাড়ি আঁকাবাঁকা পথ অতিক্রমকালে ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল হওয়ায় সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ট্রেন সেখানে অবস্থান করে। পরে আখাউড়া থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন এসে আটকে পড়া ট্রেনটিকে ভানুগাছ স্টেশনে নিয়ে আসে। এসময়ে দুপুর ২টা থেকে শমশেরনগর রেলওয়ে স্টেশনে ঢাকাগামী জয়ন্তিকা ট্রেন, কুলাউড়া স্টেশনে ঢাকাগামী পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেন, শ্রীমঙ্গলে সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেন ও সাতগাঁও স্টেশনে সিলেটগামী জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস ট্রেন আটকা ছিল। দীর্ঘ প্রায় ৫ ঘন্টা সিলেটের সাথে চট্টগ্রাম ও ঢাকার রেলযোগাযোগ বন্ধ হয়ে পড়ে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েন ট্রেনযাত্রীরা।
ভানুগাছ রেলওয়ে স্টেশন মাষ্টার এস এম গৌর প্রসাদ ও শমশেরনগর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার রজত কুমার রায় জানান, আখাউড়া জংশন থেকে রিলিফ ইঞ্জিন ট্রেন এসে আটকে পড়া পাহাড়িকা ট্রেনকে সন্ধ্যা ৬টায় ভানুগাছ নিয়ে আসে। তারপর বিভিন্ন স্টেশনে আটকে পড়া ট্রেন সমুহ সন্ধ্যা ৬টায় চলাচল শুরু করে।