‘সবকিছুর পরেও বাঙ্গালী-বাংলাদেশ এবং বিশ্ব ইতিহাসে শেখ মুজিবকে স্মরণ করা হবে। কারণ, শেখ মুবিজ ছাড়া বাংলাদেশের বাস্তব কোনো অস্তিত্ব নেই।’ – দি টাইমস অব লণ্ডন, ১৬ আগষ্ট ১৯৭৫ লন্ডনঃ
লন্ডনঃ আসছে দ্বাদশ নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পরাজয় হলে বাংলাদেশ দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার সম্মুখীন হবে বলে এমন আশংকার কথা তুলে ধরেছেন সাংবাদিক, রাজনৈতিক ও বিদেশী উন্নয়ন বিষয়ক পন্ডিত
আসন্ন সেপ্টেম্বরে দিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য জি ২০-র বৈঠকে বাংলাদেশের নির্বাচন আলোচিত হতে পারে। বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচনের সুষ্টতা নিয়ে ইতিমধ্যেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অনেক কথা বলেছে। তারা বাংলাদেশে একটি সুষ্ট গণতান্ত্রিক নির্বাচন দেখতে
সেকালে ছাত্রনেতাদের মানুষ সমীহের চোখে দেখতো, ভয়ের চোখে নয়। ছাত্রনেতারা বিবেক ইজারা রেখে রাজনীতি করতেন না তখন। নীতি ও আদর্শে আপসহীন ঐসব ছাত্রনেতারা ছিলেন ভরসার ঠিকানা।ছাত্রনেতা’র সংজ্ঞা পাল্টে গেছে একালে।
সময়টা ১৯ শতকে যখন টিভিতে ছিলো একটি চ্যালেন বাংলাদেশ টেলিভিশন(বিটিভি), গান শুনতে হতো ক্যাসেট প্লেয়ারে, ফোন করতে হতো ল্যান্ডলাইনে, টেলিভিশনও সকলের ঘরে ছিলো না, বড় বড় দালানকোঠা তখন তেমন
মূর্তি সৃজন ও পূজার মনোজাগতিক ভিত্তি -পুলক ঘটক সব ধরনের ছবি, মূর্তি বা প্রতীক মানব মননশীলতার একেকটি রূপের প্রতিচ্ছবি। কখনো তা বস্তুর, কখনো ভাবের, কখনো চিন্তার, চেতনার এবং কখনোবা প্রাণ
‘মেগনাকার্টা’ পরবর্তী বৃটিশ রাজনৈতিক ইতিহাস ৮০০বছর পথ পাড়ি দিয়ে আজকের অবস্থায় পৌঁচেছে। বিশ্ব রাজনীতির ইতিহাসে এ এক অবিস্মরণীয় স্মৃতি ফলক। মানব সভ্যতার সে তীর্থ যাত্রায় বৃটিশ রাজনীতি ও তার ভাবাদর্শ
মৌলভীবাজার জেলা শহরের পুরাতন কালীবাড়ি মন্দির প্রায় ১৪০ বছরের পুরোনো ঐতিহ্যবাহী একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। ইংরেজ রাজত্বের আমলে এর প্রতিষ্ঠা। এই মন্দিরের নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিল আজ থেকে বেশ কয়েক মাস
৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের মুক্তিযোদ্ধা বিগত ২১ জুলাই শওকত হোসেন আহমদ তার ফেইচ বুকে মুক্তিযোদ্ধা নিয়ে প্রকাশিত খবর বিষয়ে নিচের মন্তব্য করেন। একটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত এবং টি ভি চ্যানেলের সঞ্চালক আমার
তনিমা রশীদ বিগত দিনগুলিতে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে অনেক তরুণ তরুণী। খবরের কাগজ খুললে দেশের একটা না একটা অঞ্চলের সড়ক দুর্ঘটনা খবর পাওয়া যায়। শুধু তরুণ-তরুণীরা নয় দূর্ঘটনার স্বীকার হচ্ছে
পরিবার পরিজন নিয়ে প্রবাসে বসবাস আমাদের অনেকের কাছেই ছিলো স্বপ্নের মতো। আজ তা বাস্তব হলেও বিষয়টির এখানেই শেষ নয়। জন্মভূমিকে পিছনে ফেলে রেখে আমরা যারা পরদেশকে আপন করে নেয়ার অভিনয়
আমরা কোনো প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হইবার পূর্বেই চিন্তা করি প্রতিষ্ঠানটি কতটুক খ্যাতি অর্জন করেছে, এখানে যারা পড়েছে তারা কতদূর এগিয়ে গেছে। একটা প্রতিষ্ঠান কী একজন শিক্ষার্থীর ভবিৎষত তৈরী করতে পারে? ভালো