চিন্তা ও ধ্যান হারুনূর রশীদ চিন্তা ছাড়া কোন উদ্ভাবনাই হয় না। সে ইলিশ মাছের চরচরা রান্না থেকে শুরু করে চাঁদে যাবার অভিযান সবকিছুতেই চিন্তার প্রয়োজন রয়েছেই শুধু নয় চিন্তা অপরিহার্য্য।
আমরা কেমন জংলী ছিলাম! কত কত বছর আগের কথা! ১৭৯৬ সাল। ছেলের কাছে সকাতর অনুনয় করেও ২৪পরগণা জেলার মজিলপুর গ্রামের কোনও এক মা নিজের জীবন বাঁচাতে পারেননি। তার এক মর্মস্পর্শী
যোগসাধনা শুধু সন্ন্যাসীদের নয়, সংসারী মানুষেরও আধুনিক ভারতে এই ধারণা আনলেন এক বাঙালি। গৌতম চক্রবর্তী ২৬ জুন, ২০১৬, ০৩:২৩:৫২ এ বার ঘরে ফিরে যাও শ্যামাচরণ। আমারও কাজ শেষ, ডেরাডান্ডা গোটাতে
নিজেদের রক্ত দিয়ে এক বাংলাদেশি যুবককে বাঁচাতে এগিয়ে এলেন চার মুম্বইবাসী। এঁরা হলেন স্বপ্না সবন্ত, কৃষ্ণনন্দ কোরি, মেহুল ভেলেকর এবং প্রবীণ শিন্ডে। মহম্মদ কামারুজ্জামান। বছর পঁচিশের এক তরতাজা যুবক। পরিবারের
মৌলভীবাজারের সুসন্তান প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের বিশিষ্ট সংগঠক সি এস কবির হারুনূর রশীদ সকলের অগোচরে চলে গেলেন প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের আরেক সৈনিক। ইদের আগের দিন গত ৫ জুলাই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মুক্তকথা: বুধবার, ১০ই আগষ্ট ২০১৬।। আজ থেকে বারো বছর আগে চুরি যাওয়া নোবেল পদক আজও উদ্ধার করতে পারেনি ভারত। রবীন্দ্রভবনের সংগ্রহশালা থেকে ২০০৪ সালের ২৫শে মার্চ চুরি গিয়েছিল রবীন্দ্র নাথের
হারুনূর রশীদ: শ্রদ্ধেয় মোয়াজ্জেম ভাই তার ফেইচবুকে “রক গার্ডেন” নিয়ে মজাদার কিছু কথা বলেছেন দেখে মনে খেয়াল চাপলো কিছু লিখে নেয়ার আর তাই এই প্রয়াস। দুনিয়ার সবকিছুইতো মানুষের রচনা। মানুষ
অাদিবাসী , একদা মোদের, উপজাতি বলি ডাকিতেন বাংলাদেশের প্রভুজন, শুনিয়া ভাবিনু ইহার অর্থই বা কী? ভাবিতে ভাবিতে দিন যায়-রাত যায়, দিনকে দিন প্রভুদের প্রভুত গেল বাড়ি। , অতঃপর ঙাত হইয়া