1. muktokotha@gmail.com : Harunur Rashid : Harunur Rashid
  2. isaque@hotmail.co.uk : Harun :
  3. harunurrashid@hotmail.com : Muktokotha :
কাস্টমসের এক ঝাড়ুদারের অবৈধ সম্পদ বানানোর কাহিনী - মুক্তকথা
বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৮:১৪ অপরাহ্ন

কাস্টমসের এক ঝাড়ুদারের অবৈধ সম্পদ বানানোর কাহিনী

২৪৭অনলাইন থেকে সংগৃহীত
  • প্রকাশকাল : বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬
  • ৪ পড়া হয়েছে

 


কাস্টমসের ঝাড়ুদার সৈয়দ আলীর

৪০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ

কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট অ্যাপিলেড ট্রাইব্যুনালে চাকরিজীবন শুরু হয়েছিল ২০০ টাকা রোজের ঝাড়ুদার হিসাবে। কয়েক বছর হলো তিনি এখন সেখানকার নৈশপ্রহরী। কিন্তু এলাকায় তার পরিচিতি কাস্টমসের একজন বড় অফিসার হিসাবে। লাখ লাখ টাকা দান-খয়রাতও করেন নিয়মিত। কিছুদিন আগে ছেলের সুন্নতে খতনার অনুষ্ঠানও করেছেন রাজসিক কায়দায়। ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ মিলিয়ে তার সম্পদের পরিমাণ কমপক্ষে ১০ কোটি টাকা। “নিউজ ২৪৭” নামের একটি অনলাইন ছবিসহ কাস্টমসের এই কোটিপতি নৈশপ্রহরীর কাহিনি প্রকাশ করেছে।

সৈয়দ আলী ওরফে সবুজ রাজধানীর মতিঝিলের দিলকুশায় জীবন বীমা টাওয়ারের চতুর্থ তলার কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট অ্যাপিলেড ট্রাইব্যুনালে মাস্টার রোলে ঝাড়ুদার হিসাবে চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন। কয়েক বছর হলো চাকরিতে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী হিসাবে স্থায়ী হন নৈশপ্রহরী পদে। কিন্তু নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে প্রবেশ করলেই তিনি হয়ে যান একজন বড়মাপের কাস্টমস কর্মকর্তা। গত কয়েক বছরে বিশাল অর্থবৈভব আর সম্পত্তির মালিক বনে যাওয়া সৈয়দ আলীকে নিয়ে এলাকার মানুষও সহজে মুখ খুলতে চান না।

সরেজমিনে সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি এলাকায় গিয়ে জানা যায়, মাস্টার ভিলা নামে একটি বাড়িতে মাত্র ৮শ টাকায় মাসিক ভাড়ায় এক কামরায় জীবন শুরু করা সৈয়দ আলীর এখন সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি এলাকার কালু হাজী রোডে দুটি দোতলা বাড়ি, ৪ কাঠার ওপরে ৫তলা বাড়ি, ৬ কাঠার ওপর এক পাশে একতলা পাকা দালান ও অপর পাশে ২০ রুমের আধা-পাকা টিনশেড বাড়ির মালিক। কালু হাজী রোড থেকে কিছুটা ভেতরের দিকে মিজমিজি দক্ষিণপাড়ার এ ব্লকের ৩৩৫/১ হোল্ডিংয়ের ৩ কাঠার ওপর সদ্য নির্মিত তৃতীয় তলা বাড়িটিও নৈশপ্রহরী সৈয়দ আলীর। এলাকাবাসী জানালেন, সৈয়দ আলীর ঢাকার রায়েরবাগে রয়েছে কোটি টাকা মূল্যের একটি ফ্ল্যাট, রূপগঞ্জের বাণিজ্যিক এলাকা হিসাবে পরিচিত গাউসিয়ায় রয়েছে প্রায় ৩ কোটি টাকা মূল্যের সাড়ে ৫ কাঠার প্লট।

এসব সম্পদের খোঁজ পাওয়ার পর সৈয়দ আলীর ৫ তলার বাড়িতে গেলে সাংবাদিক পরিচয় পেতেই তার স্ত্রী ভেতরে প্রবেশে বাধা দিয়ে সেই ফ্ল্যাটে তালা ঝুলিয়ে দেন। চলতে থাকে ম্যানেজ করার মিশন। সৈয়দ আলীর স্ত্রী বলেন, তারা এতকিছু করেছেন ৭০-৮০ লাখ টাকা ঋণ করে। এ সময় ঋণের কাগজপত্র কোথায় জানতে চাইলে তিনি বলেন কোনো কাগজপত্র নেই। তবে বাড়িগুলো তাদের, এমন কথা অকপটে স্বীকার করেন সৈয়দ আলীর স্ত্রী। তিনিও সংবাদ প্রকাশ না করতে সমঝোতা করার বিষয়ে একাধিকবার অনুরোধ করেন। এ সময় এলাকাবাসী মুখ খুললে তাদের প্রতিও অশোভন আচরণ করেন সৈয়দ আলীর স্ত্রী।

সৈয়দ আলী ফোনে জানান, এ সম্পদগুলো তার নয়। তার ভাই, শ্যালক বিদেশে থাকেন। সব সম্পদ তাদের। এসবের প্রমাণ আছে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে সৈয়দ আলী কোনো সদুত্তর দিতে না পারলেও নানাভাবে সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য অনৈতিক প্রস্তাবের ইঙ্গিত দিতে থাকেন। এ সময় তিনি শুধু বলেন, ‘স্যার আমি আইস্যা আমনের লগে দেহা করমুআনে। আমনের আর কষ্ট করতে হইবে না স্যার, আমি দেহা করমু স্যার, যেহানে কইবেন হেয়ানেই দেহা করমু।’ [News 247 থেকে সংগৃহীত/ ১৪ মার্চ শনিবার ২০২৬ইং]

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় সংবাদ

তারকা বিনোদন ২ গীতাঞ্জলী মিশ্র

বাংলা দেশের পাখী

বাংগালী জীবন ও মূল ধারার সংস্কৃতি

আসছে কিছু দেখতে থাকুন

© All rights reserved © 2021 muktokotha
Customized BY KINE IT