পূর্ব লন্ডনে সাবেক ফুটবলারদের উদ্যোগে
মাহি উদ্দিন সেলিমকে গণসংবর্ধনা
– আনসার আহমেদ উল্লাহ
গত ১৩ অক্টোবর পূর্ব লন্ডনের একটি স্থানীয় রেস্তোরাঁয় সিলেট জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সদস্য, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সাবেক ফুটবলার জনাব মাহি উদ্দিন সেলিমকেগণসংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।
সিলেট বিভাগের সাবেক ফুটবলারদের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে লন্ডনের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুলসংখ্যকসাবেক ফুটবলার, ক্রীড়া সংগঠক, সাংবাদিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেনজনাব মুরাদ চৌধুরী। পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। তিলাওয়াত করেন আতাউররহমান চৌধুরী। সাবেক ফুটবলার জুবায়ের আহমদ হামজার প্রাণবন্ত উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।স্বাগত বক্তব্য দেন সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক ট্রেজারার সিরাজ উদ্দিন মাস্টার।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, ব্যারিস্টার জয়নাল আবেদিন, ফেরদৌস আহমদ, মাহতাব উদ্দিন, জাকির খান, মিছবাহআহমদ, শায়েক মজুমদার, ইউ কে বাংলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক রেজা আহমদ চৌধুরী সুয়েব, ফখরুলআহমদ, শামীম আহমদ, জালাল আহমদ, সাব্বির চৌধুরী, পংকি তালুকদার, ফুলাদ, আবু বকর সিদ্দিক, মুমিনুলইসলাম লিমন, আবুল কাশেম, ড. হাফিজ, ছেরাগ আলি,মাওলানা ওয়াহিদ সিরাজীসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গও ক্রীড়া সংগঠক।
![]() |
বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে মাহি উদ্দিন সেলিমের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা স্মৃতি, ফুটবল অঙ্গনের অভিজ্ঞতা এবং সিলেটেরক্রীড়াঙ্গনের নানা বিষয় তুলে ধরেন। দীর্ঘদিনের খেলাধুলার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়েপড়েন। তাঁদের আলোচনায় ফুটে ওঠে ফুটবলকে ঘিরে পারস্পরিক ভালোবাসা, বন্ধুত্ব, সৌহার্দ্য এবং প্রবাসেথেকেও শিকড়ের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক বজায় রাখার আন্তরিক প্রয়াস।
অনুষ্ঠানস্থলে সাবেক ফুটবলারদের উপস্থিতিতে এক আবেগঘন ও আন্তরিক পরিবেশের সৃষ্টি হয়। দীর্ঘদিন পরঅনেকের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ, পুরোনো দিনের স্মৃতিচারণ এবং পারস্পরিক কুশল বিনিময়ে পুরো আয়োজনটি হয়েওঠে এক আনন্দমুখর পুনর্মিলনী। প্রবাসের ব্যস্ত জীবনের মধ্যেও এ ধরনের আয়োজন সাবেক খেলোয়াড়দের মধ্যেবন্ধন আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে প্রয়াত ফুটবলারদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়। দোয়া পরিচালনাকরেন আতাউর রহমান চৌধুরী। পরে নৈশভোজে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। স্মৃতি, আবেগও পারস্পরিক সৌহার্দ্যের আবহ নিয়ে অতিথিরা নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরে যান।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে আয়োজনকে সফল ও প্রাণবন্ত করে তোলার জন্য সকলঅতিথির প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। তাঁদের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ প্রবাসে বাংলাদেশের ফুটবলেরঐতিহ্য, সাবেক খেলোয়াড়দের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং নতুন প্রজন্মের কাছে ক্রীড়াঙ্গনের স্মৃতি ও অবদান তুলেধরতে সহায়ক হবে।