1. muktokotha@gmail.com : Harunur Rashid : Harunur Rashid
  2. isaque@hotmail.co.uk : Harun :
  3. harunurrashid@hotmail.com : Muktokotha :
একজন শিক্ষকও পারেন রড দিয়ে ছাত্রকে রক্তাক্ত করতে? - মুক্তকথা
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন, যুবক নিহত, মণিপুরি সম্মেলন, সিজন-৩ ম্যারাথন ও মতবিনিময় সভা। শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ও তাঁর লালসালু সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট সমাবেশ সফলের আহ্বানে পথসভা মিথ্যা মামলা, জমি দখলের পাঁয়তারা, যুবদলের আহ্বায়ক বহিষ্কার, স্কুলছাত্রী অপহরণ ও উদ্ধার এবং অন্যায় স্থাপনা নির্মাণ বেগম মনোয়ারা ইলিয়াস আর নেই! ৪ জনের মৃত্যুদন্ড মবতন্ত্র ও মৌলবাদের উত্থান: উত্তরণের পথ ও বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের রাজনীতি ও অন্তর্বর্তীকালীন সংকটের রূপরেখা দুর্গোৎসব ছড়ালো ভালোবাসার আলো : উৎসবে বস্ত্র বিতরণ।

একজন শিক্ষকও পারেন রড দিয়ে ছাত্রকে রক্তাক্ত করতে?

সংবাদদাতা
  • প্রকাশকাল : শুক্রবার, ৩০ মার্চ, ২০১৮
  • ৯৮৫ পড়া হয়েছে

একজন অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ছাত্রকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করার মত ভয়ঙ্কর অভিযোগ উঠেছে। আর সেই পিটানো না-কি রড দিয়ে! আর যে কলেজটির অধ্যাপককে নিয়ে এ নিন্দার ঝড় বইছে সেই কলেজটির নামের মাঝখানে খুবই সুশীল মন-মানসিকতার শব্দ “আইডিয়াল” যুক্ত আছে! আহারে, ইংরেজী “আইডিয়াল”! বাঙ্গালী এই মাষ্টারের হাতে তোমার এমন দুর্দশা দেখে বাঙ্গালীরা কি করবে জানিনা তবে আমাদের মনে ফিরিঙ্গী বলে নিন্দে করলেও, ইংরেজদের দেশে এমন জংলী মানসিকতার ঘটনা ঘটলে ওই মহাবিদ্যালয়ের কৈফিয়তের সীমা থাকতো না। নিজ থেকেই শিক্ষকের কাজে ইস্তোফা দিতে হতো। কোর্ট-কাচারী আর মামলা মোকদ্দমতো হতোই। আমাদের জানা একটি ঘটনা, স্কুল-কলেজের নামে বেআইনী কাজের জন্য  লণ্ডনে এরকম বহু কলেজ চিরদিনের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়েছে এই সেদিন মাত্র। এমনই একজন বাংলাদেশে বর্তমানে কলেজ প্রতিষ্ঠা করে ব্যবসা করছেন।
ঢাকার ওই মহাবিদ্যালয়টির নাম ‘ধানমন্ডি আইডিয়াল কলেজ’। আর শিক্ষার কলঙ্ক ওই শিক্ষকের নাম মনিরুল ইসলাম সোহেল। তিনি ওই কলেজ হোস্টেলের দায়ীত্বে আছেন। আরো বিশেষভাবে উল্লেখ করার মত যে ওই শিক্ষক না-কি পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়ের শিক্ষক। তিনি ওই মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষের ভাতিজা বলে সংবাদপত্রে বলা হয়েছে। দুঃসহনীয়, গা-জ্বালাদেয়া এমন অবাক করা স্বচিত্রখবরটি প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন জাতীয় পত্রিকা দৈনিক ইত্তেফাক।
সংবাদপত্রটি ঘটনার আগাগোড়া বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে খবর ছাপিয়েছে। তারা আরো লিখেছে, ঘটনাটি ঘটেছে রাত ১২টার পরে। ১০/১২জন ছাত্র তাদের এক বন্ধুর জন্মদিন পালন করছিল। এতে একটু হৈ-হুল্লোড় হচ্ছিল। ঘটনার ভিডিও-ও করা হয়েছে আর ভিডিও করেছেন ওই শিক্ষকের আনোয়ার মোল্লা নামের এক সহযোগী। ওই ছাত্ররা এইচএসসি পরীক্ষার্থী। এই শিক্ষক তাদের উপর আগেও এমনতর নির্যাতনমূলক কাজ করেছেন। ঘটনার পর অধ্যক্ষ সংশ্লিষ্ট ছাত্রদের ডেকে নিয়ে কোনরূপ জোট-ঝামেলা না করার জন্য ধমকে দিয়েছেন।
ওই মহাবিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী তার ফেইচবুকে ‘আইডিয়াল কলেজ’কে জেলখানা বলে মন্তব্য করেছে, লিখেছে  ইত্তেফাক। অধ্যক্ষ জানিয়েছেন দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এসব ঘটনাকে নিয়ে আমাদের বাংলাদেশের নামী-দামী সংবাদপত্রগুলো তেমন জোড়ালো আলাপ-আলোচনায় যেতে দেখিনি। আমাদের নামী-দামী লেখককূল বা সাংবাদিকগনকেও এধরনের ঘটনাকে নিয়ে খুব একটা নাড়া-চাড়া করতে দেখিনি। শুধুমাত্র সংবাদ ছাপিয়ে দিয়ে দায় সারেন। তাও আবার সংবাদ ছাপতে গিয়ে কত লাইন ছাপা হলো তার খুব হিসেব করে ছাপান। কারণ ছাপানো লাইনের জন্য সাংবাদিককে পয়সা দিতে হয়। যারা এখনও টাকা-পয়সা তেমন না দিয়েও পাড় পেয়ে যাচ্ছেন তারাও এসব ঘটনাকে মামুলী মনে করেন।
খুব পুরানো না হলেও এই মহাবিদ্যালয়টির বয়স ৪৮ বছর। কলেজটি ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সেদিক থেকে এমন বিপজ্জ্বনক দূর্ণাম কুড়ানো ঘটনা কেউই আশা করেনা। প্রশ্ন হতে পারে, রাত ১২টায় কলেজ হোস্টেলে কেউ কোন অনুষ্ঠান করতে পারবে না। প্রতিবেশীসহ অন্য ছাত্রদের সমস্যা হতেই পারে। এটি কলেজের নিয়ম-কানুনের পরিপন্থি। কিন্তু কোনো শিক্ষক রড দিয়ে ছাত্র পেটাবেন এটিতো দুনিয়ার কোন কলেজের কোন নিয়মে পরে না। একাজটিতো পুরো শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হতে হয়। অধ্যক্ষের উচিৎ পুলিশ ডেকে এনে এ শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা। আমরা জানি অধ্যক্ষ তা করবেন না। তার ভাতিজা বলেই শুধু নয়, কলেজের দূর্ণাম হবে। তাই বলে ওই দূর্ণামের কাজ যিনি করলেন তিনি কোন শাস্তি পাবেন না!
এমনও হতে পারে, বলা হবে এরা সরকারপক্ষের লোক তাই গায়েরজোড়ে রাত ১২টায় অনুষ্ঠানের নামে হৈহুল্লোড় করছিল।  হ্যাঁ এটি হতেই পারে। আমাদের দেশের সমাজ ব্যবস্থায় এখনও এগুলো হয়। তাই বলে রড দিয়ে শিক্ষক হয়ে ছাত্রকে পেটাবেন? রক্ত ঝড়াবেন পবিত্র শিক্ষাঙ্গনে একজন শিক্ষক!? দুই সদস্যের কমিটি কবে বসবেন, কি সিদ্ধান্ত নেবেন আমরা জানিনা। কিন্তু দেশের অন্যান্য ক্ষেত্রের তদন্তকমিটিগুলোর খবর এখানে উল্লেখ করার প্রয়োজন আছে বলে মনে করিনা।
একটি প্রশ্ন উঠতেই পারে ওই শিক্ষক আসলেই রড দিয়ে আঘাত মূলতঃ করেছেন কি-না! যদি রড দিয়ে আঘাত নাই করে থাকেন তা’হলে রক্ত আসে কোত্থেকে? সংবাদপত্রে রক্তাক্ত ছবি ছাপা হয়েছে!
আমরা বিশ্বাস করতে চাই, “ধানমন্ডি আইডিয়েল কলেজ” বলে নয় একটি পবিত্র শিক্ষাঙ্গন বলে বিষয়টি খুবই গুরুত্বের সাথে দেখা হবে এবং সভ্য সমাজের যোগ্য ব্যবস্থা নেয়া হবে।

হারুনূর রশীদ, লণ্ডন, শুক্রবার, ৩০শে মার্চ ২০১৮সাল

এ জাতীয় সংবাদ

তারকা বিনোদন ২ গীতাঞ্জলী মিশ্র

বাংলা দেশের পাখী

বাংগালী জীবন ও মূল ধারার সংস্কৃতি

আসছে কিছু দেখতে থাকুন

© All rights reserved © 2021 muktokotha
Customized BY KINE IT