1. muktokotha@gmail.com : Harunur Rashid : Harunur Rashid
  2. isaque@hotmail.co.uk : Harun :
  3. harunurrashid@hotmail.com : Muktokotha :
জার্মানীর প্রাক্তন পত্রিকা সম্পাদক উল্ফকত্তে, জীবন দিয়ে সিআইএ’র ষঢ়যন্ত্র উদোম করে দিয়ে গেছেন - মুক্তকথা
সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ০৮:৫৫ অপরাহ্ন

জার্মানীর প্রাক্তন পত্রিকা সম্পাদক উল্ফকত্তে, জীবন দিয়ে সিআইএ’র ষঢ়যন্ত্র উদোম করে দিয়ে গেছেন

সংবাদদাতা
  • প্রকাশকাল : বুধবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৭
  • ৬৫৪ পড়া হয়েছে

লন্ডন:  প্রয়াত সাংবাদিক উল্ফকত্তে গেস্টরবেন। জার্মানীর সর্ববৃহৎ সংবাদপত্রের সম্পাদক ছিলেন। এ বছরের প্রথম দিকে অর্থাৎ বিগত জানুয়ারী মাসের ১৩তারিখে তিনি ইহধাম ছেড়ে অজানার পথে পা রাখেন। আলোড়ন সৃষ্টিকারী বই লিখেছেন। বইয়ের নাম Bought Journalists।  জীবনের এক পর্যায়ে গেস্টরবেন বুঝতে পারেন যে আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ জার্মানী, ফ্রান্স, বৃটেন, অষ্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড এর দামী দামী সাংবাদিকদের অর্থ ঘুষ দিত ভূঁয়া সংবাদ তৈরীর জন্য। আর এর মাধ্যমে সিআইএ রুশিয়ার সাথে একটি যুদ্ধ বাঁধানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল বলে তিনি স্পষ্টতঃই দেখতে পেয়েছিলেন।

প্রয়াত জার্মান সাংবাদিক উল্ফকত্তে গেস্টরবেন

পুরো নাম ছিল ডঃ উদো উল্ফকত্তে গেস্টর্বেন। উল্ফকত্তে গেস্টরবেন জার্মানীর খুব জনপ্রিয় সংবাদপত্র ‘ফ্রাঙ্কফুর্তের আলজেমেইন যেইতাং’ এর সম্পাদক ছিলেন।  তিনি তাঁর সাংবাদিক জীবনে বহু বই লিখেছেন।  বহু বিশ্লেষক তার মৃত্যু বিষয়ে নানামুখি কথা বলেছেন। তবে বেশিরভাগই এটি সিআইএ-এর কারসাজি বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। আর তাঁর পুস্তক Bought Journalistsও অনুরূপ আভাষ দেয়।  তাঁর সেই জনপ্রিয় বই “সাংবাদিকদের ক্রয়করা হয়েছে”Bought Journalistsবইয়ের বাংলানাম এরকমই দাঁড়ায়) সিআইএ-র সকল দালালির কাহিনী উদোম করে দিয়েছিল। ফলে তাকে চাকরী হারাতে হয়েছিল এবং মাত্র ৫৬ বছর বয়সে তাকে মরতে হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে, সাংবাদিক উল্ফকত্তে গেষ্টরবেন-এর কর্মময় জীবনের উপর জার্মান সংবাদ মাধ্যম ও সাংবাদিকদের লিখা-লিখি নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং সে সময় বলা হয়েছিল তিনি হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছেন। এ ঘটনা সিআইএ সম্পর্কিত  সেই ষঢ়যন্ত্রেরই ইংগিতবাহী।  
সাংবাদিক উল্ফকত্তে গেষ্টর্বেন ভালকরেই বুঝেছিলেন যে তার জীবন অত্যন্ত ঝুঁকির মাঝে আছে। তাই তিনি লিখতে গিয়ে বলেছিলেন, তিনি অন্যান্য সাংবাদিকদের চেয়ে মোটামুটি ভাল অবস্থানে আছেন কারণ তার জন্য কাঁদার কেউ নেই কিংবা ভবিষ্যতে ছেলে-মেয়েরা কোন হুমকির সন্মুখীন হবে এমন কোন ছেলে-মেয়েও তার নেই।
“রুশিয়ান ইনসাইডার” নামে একটি রুশীয় পত্রিকার সাথে আলাপকালে তিনি বলেছিলেন-“আমি যখন আমার পত্রিকা “ফ্রাঙ্কফুর্তের আলজেমেইন যেইতাং” কে বললাম যে আমি বই প্রকাশ করতে যাচ্ছি তখন পত্রিকার আইন বিশেষজ্ঞ আমাকে হুমকি দিয়ে চিঠি লিখে জানালেন যে কোন গোপন নাম বা বিষয় প্রকাশ হলে খুবই খারাপ সমস্যায় আমাকে পড়তে হবে। তিনি লিখেছিলেন- আমি ওসব হুমকিতে পাত্তা দেইনি। কারণ আপনারা জানেন আমার কোন সন্তানাদি নেই যে আমার পরে তাদের দেখা-শুনা করতে হবে।”
ইউরোপে যুদ্ধ বাঁধবে এমন একটি দূর্ভাবনা, ধনবান শ্রেণীর পক্ষ থেকে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো যে দুনিয়ার করপোরেট সংবাদ মাধ্যমগুলোকে দাসানুদাস করে রাখে এর ভেতরের সত্য তুলে ধরতে তাকে সাহসী করে তুলেছিল। 
তিনি লিখেছেন, “আমি প্রায় ২৫ বছর ধরে সাংবাদিকতা করেছি। আমাকে মিথ্যা বলা শিখিয়ে দেয়া হয়েছে, বেইমানী করতে শিক্ষা দেয়া হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের কাছে আসল সত্য না বলতেও শিক্ষা দেয়া হয়েছে। আমাকে সিআইএ সহযোগীতা করিয়া আসিয়াছে। কিন্তু কেনো? কারণ আমি একজন আমেরিক পন্থি সাংবাদিক।”[“I’ve been a journalist for about 25 years, and I’ve been educated to lie, to betray, and not to tell the truth to the public,” Ulfkotte told Russia Today. “I was supported by the Central Intelligence Agency, the CIA. Why? Because I am pro-American.” Ulfkotte said most corporate media journalists in the United States and Europe are “so-called non-official cover,” meaning that they work for an intelligence agency. “I think it is especially the case with British journalists, because they have a much closer relationship. It is especially the case with Israeli journalists. Of course with French journalists. … It is the case for Australians, [with] journalists from New Zealand, from Taiwan, well, there is many countries,” he said.] সূত্র: ইন্টারন্যাশনেল ফেডারেশন অব জার্নালিস্ট ও নিউজ পাঞ্চ থেকে অনুবাদ।

এ জাতীয় সংবাদ

তারকা বিনোদন ২ গীতাঞ্জলী মিশ্র

বাংলা দেশের পাখী

বাংগালী জীবন ও মূল ধারার সংস্কৃতি

আসছে কিছু দেখতে থাকুন

© All rights reserved © 2021 muktokotha
Customized BY KINE IT