1. muktokotha@gmail.com : Harunur Rashid : Harunur Rashid
  2. isaque@hotmail.co.uk : Harun :
  3. harunurrashid@hotmail.com : Muktokotha :
আবারও শিশুধর্ষণের অভিযোগ এদিকে চলছে রাজকান্দি রেঞ্জের বনভূমির লিজ বাণিজ্য - মুক্তকথা
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১০:১২ অপরাহ্ন

আবারও শিশুধর্ষণের অভিযোগ এদিকে চলছে রাজকান্দি রেঞ্জের বনভূমির লিজ বাণিজ্য

প্রনীত দেবনাথ।
  • প্রকাশকাল : শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬
  • ০ পড়া হয়েছে

চলছে রাজকান্দি রেঞ্জে বনভূমির লিজ বাণিজ্য সাথে পান চাষের অভিযোগ।
উজাড় হচ্ছে হাজার একর বন


মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার রাজকান্দি বন রেঞ্জের অধীন আদমপুর, কামারছড়া ও কুরমা বন বিটের প্রায় ৬ হাজার একর বনভূমি টাকার বিনিময়ে পান চাষের জন্য লিজ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট বন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, বনায়নের নামে বনভূমি পরিষ্কার করে পান জুম চাষের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে বনাঞ্চল ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজকান্দি বন রেঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বনভিলেজার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি বাইরের লোকজনও পান চাষ করছেন। এ জন্য বনভূমির বাঁশ ঝাড় ও ঝোঁপঝাড় কেটে জমি পরিষ্কার করা হচ্ছে। অতীতে এসব এলাকার বাঁশ সরকার নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করে রাজস্ব আদায় করলেও কয়েক বছর ধরে নিলাম বন্ধ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এই সুযোগে গোপনে বাঁশ কেটে বিক্রি করা হচ্ছে এবং পরবর্তীতে সেই জমি নতুন বনায়নের নামে পান চাষিদের কাছে লিজ দেওয়া হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, আদমপুর বন বিটের বড়জুড়ি, পেকির মাথা, জগাই মাথা,জগাই, ডাইনর গাং, লালছড়ি বাঘাছড়া, ডালুয়াছড়া, রানি, আলামবাড়ি, লাউয়াছড়া ও ডাইনের সম্পদ এলাকায় প্রায় ৪ হাজার একর বনভূমিতে পান চাষ হচ্ছে। কামারছড়া বন বিটের রাঙ্গিছড়া, দিনাতের বাড়ি, ছাগলডেমা, এরাব টিলা ও জ্বালানি টিলা এলাকায় ১ হাজার একরেরও বেশি বনভূমি পান চাষের আওতায় এসেছে। এছাড়া কুরমা বন বিটের কেতলাং, পেকি-১, পেকি-২, প্রকাশ ও ফিকল এলাকায় প্রায় ১ হাজার একর বনভূমিতে পান জুম গড়ে তোলা হয়েছে বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন।

অভিযোগ রয়েছে, বনভিলেজার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে বনায়নের নামে পান চাষের জন্য প্রতিজনের কাছ থেকে নাম প্রতি ৪০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে, কেউ কেউ দুই, থেকে তিন নাম নিয়েছেন তবে যাদের টাকা বেশি তারা ৫ থেকে ১০ নাম পর্যন্ত নিয়েছেন। স্থানীয়দের মতে, সবচেয়ে বেশি বনভূমি লিজ দেওয়া হয়েছে আদমপুর বন বিট এলাকায়।

আদমপুর বন বিট কর্মকর্তা অর্জুন কান্তি দস্তিদারের বিরুদ্ধে বনভিলেজার ও খাসিয়া আদিবাসীদের কাছ থেকে বিভিন্ন অজুহাতে অর্থ আদায়ের অভিযোগও উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, নতুন ঘর নির্মাণ করতে গেলেই টাকা দিতে হয়। ইটের পাকা ঘরের জন্য ৫০ হাজার টাকা, মাটির ঘরের জন্য ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা এবং বাঁশ-বেতের ঘরের জন্য ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

পরিবেশকর্মীদের মতে, বনভূমিতে অনিয়ন্ত্রিত পান চাষের কারণে প্রাকৃতিক বন ধ্বংস হচ্ছে, কমছে জীববৈচিত্র্য এবং সংকুচিত হচ্ছে বন্যপপ্রণীর আবাসস্থল। একই সঙ্গে বন উজাড়ের ফলে পরিবেশগত ভারসাম্যও হুমকির মুখে পড়ছে।

অভিযোগ বিষয়ে আদমপুর বন বিট কর্মকর্তা অর্জুন কান্তি দস্তিদার সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি নাম্বার বন্ধ করে দেন।
তবে রাজকান্দি বন রেঞ্জের ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা ও সহকারী বন সংরক্ষক প্রীতম বড়ুয়া বলেন,এসব বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। এ বিষয়ে তদন্ত করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


প্রথম শ্রেণীতে পড়ুয়া শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ;
অভিযুক্ত গ্রেপ্তার


মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার প্রথম শ্রেণীতে পড়ুয়া সাত বছর বয়সী এক শিশুকে দোকান ঘরের ভেতর ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত অভিযুক্ত চান মিয়া(৬৫) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বর্তমানে নির্যাতিত শিশুটি সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই)গভীর রাতে শিশুর বাবা বাদী হয়ে কমলগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের মইদাইল গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। শিশুটি উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের মানিক মিয়ার মেয়ে।

অভিযোগকারী পরিবার ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, বাবার জন্য সিগারেট আনতে গেলে একই গ্রামের রশিদ মিয়ার দোকানের কর্মচারী চান মিয়া দোকানের ভেতরে ডেকে নিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। ঘটনার পর পরই এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয় এবং অভিযুক্ত চান মিয়া কৌশলে এলাকা থেকে পালিয়ে যান। ঘটনাটি সাথে সাথে পুলিশকে জানালে কমলগঞ্জ থানার এসআই মোহাম্মদ আমির উদ্দিন, এস আই মিঠু রায় ও এএসআই হামিদুর রহমানের তাৎক্ষণিক তৎপরতা ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় চান মিয়াকে উপজেলার মুন্সিবাজার থেকে আটক করা হয়।
এদিকে, ঘটনার পর শিশুটিকে উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

শিশুর বাবা মানিক মিয়া জানান, আমার মেয়েরটা প্রথম শ্রেণীতে পড়ে। মেয়েটার সাথে যা হয়েছে আমি তার বিচার চাই। এমন বিচার চাই, যাতে এটা দেখে কেউ আর এমন ঘটনা ঘটানো সাহস পায়না।

কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কমর উদ্দিন জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। ঘটনার পরপরই আমাদের টিম অভিযানে নামে এবং রাত ১০টায় অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। এই বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুর চিকিৎসার খোঁজখবর রাখা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় সংবাদ

তারকা বিনোদন ২ গীতাঞ্জলী মিশ্র

বাংলা দেশের পাখী

বাংগালী জীবন ও মূল ধারার সংস্কৃতি

আসছে কিছু দেখতে থাকুন

© All rights reserved © 2021 muktokotha
Customized BY KINE IT