1. muktokotha@gmail.com : Harunur Rashid : Harunur Rashid
  2. isaque@hotmail.co.uk : Harun :
  3. harunurrashid@hotmail.com : Muktokotha :
গেলো পক্ষে মৌলবীবাজার... - মুক্তকথা
বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৩:১৩ অপরাহ্ন

গেলো পক্ষে মৌলবীবাজার…

কাওছার ইকবাল।
  • প্রকাশকাল : বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬
  • ০ পড়া হয়েছে

প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে খরিদা জমি দখলের চেষ্টা ও সন্ত্রাসী
হামলার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতার কথা জানিয়ে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ
দাবি করেছেন শহরের হবিগঞ্জ রোড এলাকার বাসিন্দা মো. রুকুম উদ্দিন
ওরফে দুলন।

রোববার বিকেলে শহরের একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে
তিনি এ অভিযোগ করেন।

লিখিত বক্তব্যে রুকুম উদ্দিন জানান, তার পিতা মো. আলাউদ্দিন ২০০১
সালের ১২ জুলাই জাহেদা বেগমের কাছ থেকে ২৭৯৮/০১ নম্বর দলিলের
মাধ্যমে ১০ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। জমির এসএ খতিয়ান নং ১৫৯৪
এবং দাগ নং ৪২২২। জমি ক্রয়ের পর থেকে প্রায় ২৫ বছর ধরে তারা জমিটি
ভোগদখলে রেখে গাছপালা রোপণ ও কৃষিকাজ করে আসছেন এবং
নিয়মিত খাজনাও পরিশোধ করছেন।

তিনি অভিযোগ করেন, সম্প্রতি ফারুক আহমেদ ও জিল্লুর রহমান নামে
দুই ব্যক্তি ওই জমি নিজেদের দাবি করে দখলের চেষ্টা করছেন।
তাদের কাছে জমির কাগজপত্র দেখতে চাইলেও তারা কোনো বৈধ দলিল
দেখাতে পারেননি বলে দাবি করেন তিনি।

রুকুম উদ্দিনের দাবি, গত ১০ মার্চ সকালে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি
দল নিয়ে প্রতিপক্ষ তার বাবার খরিদা জমি দখলের চেষ্টা করে।

এ সময় তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিলে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
একই দিন সন্ধ্যায় আবারও জমি দখলের উদ্দেশ্যে হামলার চেষ্টা করা হয় বলেও
অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে কয়েক দফা সালিশ বৈঠক হলেও কোনো
সমাধান হয়নি। বরং প্রতিপক্ষ উল্টো তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা জমি দখলের অভিযোগ তুলে
সাংবাদিক সম্মেলন করেছে।

রুকুম উদ্দিন বলেন, আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে বিষয়টি শান্তিপূর্ণভাবে
সমাধানের চেষ্টা করেছি। কিন্তু সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা ও ভয়ভীতি দেখানোয় আমরা
এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের নিয়ে ব্যতিক্রমী উৎসবের আয়োজন করেছেন  মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী(হাজী মুজিব)। তার নিজ বাসভবনে দুই দিনব্যাপী মেহেদী উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে, যা ইতোমধ্যে এলাকায় প্রশংসিত হয়েছে।

শুক্রবার উৎসবের প্রথম দিনে শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ এলাকা থেকে প্রায় শতাধিক সুবিধাবঞ্চিত ও ছিন্নমূল শিশুদের কমলগঞ্জে এমপি’র বাড়ি কুশালপুরে নিয়ে আসা হয়। এ সময় তিনি নিজ হাতে শিশুদের নতুন পোশাকও পরিয়ে দেন।

পরে সংসদ সদস্যের সহধর্মিণী, পুত্রবধূ, কন্যা, মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের সহধর্মিণী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সহধর্মিণীসহ পরিবারের নারী সদস্যরা শিশুদের হাতে মেহেদী পরিয়ে দেন। আনন্দঘন পরিবেশে শিশুরা ঈদের আনন্দে মেতে ওঠে। এছাড়া শিশুদের নিয়ে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে ভ্রমণের আয়োজন করা হয়। তাদের প্রত্যেককে খাবারের প্যাকেটও বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামানসহ অন্যান্য অতিথিরা।

বক্তারা বলেন, সংসদ সদস্য হওয়ার আগ থেকেই মুজিবুর রহমান চৌধুরী মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়। পথশিশুদের নিয়ে এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন নিঃসন্দেহে সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘আমার এলাকায় ‘সুবিধাবঞ্চিত’ বা ‘পথশিশু’ শব্দগুলো মুছে দিতে চাই। তাদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে প্রত্যেক শিশুকে বিদ্যালয়মুখী করাই আমার লক্ষ্য’।

সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের নিয়ে এমপি হাজী মুজিবের ব্যতিক্রমী ঈদ আয়োজন

মৌলভীবাজারে আনন্দঘন পরিবেশে কারাবন্দীদের ঈদুল ফিতর উদযাপন 

ঈদের আনন্দ থেকে বাদ যাননি মৌলভীবাজারের কারাবন্দিরাও। মৌলভীবাজার কারাগারে ব্যতিক্রমী আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতর।

শনিবার (২১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টায় কারাগারে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
এতে কারাবন্দিদের পাশাপাশি কারাগারের অভ্যন্তরে দায়িত্বরত কারারক্ষীরাও অংশ নেন। নামাজ শেষে বন্দিদের মাঝে পরিবেশন করা হয় ঈদের বিশেষ খাবার। সকালের নাস্তা হিসেবে ছিল মুড়ি ও পায়েস।

মৌলভীবাজার কারাগারের জেল সুপার মো. তারিকুল ইসলাম জানান, বন্দিরা যাতে ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হন, সে জন্যই এই বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে।
তারা নামাজ আদায় করেছেন, একসঙ্গে খাবার গ্রহণ করেছেন। এদিন কারাগারে বন্দি ও তাদের সাথে সাক্ষাৎ করতে আসা আত্মীয় স্বজনদের খোঁজ খবর নিতে কারাগার পরিদর্শনে আসেন জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল।

ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে কারাগারে আসেন বন্দিদের স্বজনরাও। প্রায় শতাধিক স্বজনকে ফুল, চকলেট ও মিষ্টান্ন দিয়ে বরণ করে নেয় কারা কর্তৃপক্ষ।
দুপুরের খাবারে রাখা হয়েছে পোলাও, গরুর রেজালা, এ ছাড়া যারা গরুর
মাংস খান না এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য খাসির মাংস, মুরগির রোস্ট, মিষ্টি,
সালাদ ও পান-সুপারি। রাতের খাবারে পরিবেশন করা হবে সাদা ভাত, রুই মাছ
ভাজা ও আলুর দম।

এছাড়াও মৌলভীবাজার জেলা কারাগারের জেলার কাজী মাজহারুল ইসলাম জানান মাননীয় কারা মহাপরিদর্শক মহোদয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী কারাগারে
অবস্থানরত বন্দিদের জন্য ঈদের নামাজ আদায়, উন্নতমানের খাবার প্রদানসহ
প্রয়োজনীয় সকল মানবিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি দুস্থ ও অসহায় বন্দিদের মাঝে ঈদ উপহার হিসেবে ১০০ লুঙ্গি ও শাড়ী বিতরণ করা হয়েছে।

জেলার বলেন, আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, কারাগার শুধুমাত্র
শাস্তির স্থান নয়, এটি সংশোধন ও পুনর্বাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। বন্দিরা যেন নিজেদের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু 

করে সমাজে সৎ, সচেতন ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে ফিরে যেতে পারে, সে লক্ষ্যে আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি। বর্তমানে মৌলভীবাজার কারাগারে ৫৫৯ জন বন্দি রয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

অধ্যাপক সাইয়্যিদ মুজিবের সাথে
লেখক আহমেদ সিরাজ 

শ্রীমঙ্গলে দেশের সর্বজন শ্রদ্ধেয় শিক্ষাগুরু, ’৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধের
সংগঠক, একসময়ের তুখোড় রাজনীতিবিদ, সিলেটের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা
প্রতিষ্ঠান মুরারিচাঁদ কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক এবং বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র
প্রবাসী বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক সাইয়্যিদ মুজিবুর রহমান স্যারের সঙ্গে
একান্ত আলাপচারিতায় সময় কাটান জেলার বিশিষ্ট লেখক, রাজনৈতিক
বিশ্লেষক ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক আহমেদ সিরাজ।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ ২০২৬) বিকাল ৪টায় শ্রীমঙ্গল কলেজ রোডস্থ লেবু স্যার
একাডেমিতে অনুষ্ঠিত এ সৌজন্য সাক্ষাতে তারা দীর্ঘ সময় ধরে দেশের
রাজনীতি, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, শিক্ষা ব্যবস্থা, সাহিত্যচর্চা এবং ব্যক্তিগত
স্মৃতিচারণাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

এসময় গবেষক আহমেদ সিরাজ দেশের রাজনৈতিক ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা এবং
সাহিত্যচর্চা নিয়ে অধ্যাপক মুজিবুর রহমান স্যারের মতবিনিময করেন। দু’জনেই
অতীতের নানা স্মৃতি রোমন্থন করেন এবং দেশের শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা নিয়ে
নিজেদের ভাবনা তুলে ধরেন।

আলোচনার এক পর্যায়ে লেখক আহমেদ সিরাজ অধ্যাপক সাইয়্যিদ মুজিবুর রহমান
স্যারকে তাঁর দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবন, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি এবং
প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে একটি আত্মজীবনী লেখার অনুরোধ জানান।

তিনি বলেন, অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের জীবনের অভিজ্ঞতা ভবিষ্যৎ
প্রজন্মের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দলিল হয়ে থাকবে।

সাক্ষাতের শেষ পর্যায়ে বিদায়ের প্রাক্কালে আহমেদ সিরাজ তাঁর রচিত ‘সাহিত্যের অন্তর্লোক
যাত্রা’ বইটি অধ্যাপক সাইয়্যিদ মুজিবুর রহমান স্যারের হাতে তুলে দেন।
বইটি পেয়ে অধ্যাপক সাইয়্যিদ মুজিবুর রহমান স্যার লেখক আহমদ সিরাজকে
ধন্যবাদ জানান
এবং তাঁর সাহিত্যচর্চার ধারাবাহিক সাফল্য কামনা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় সংবাদ

তারকা বিনোদন ২ গীতাঞ্জলী মিশ্র

বাংলা দেশের পাখী

বাংগালী জীবন ও মূল ধারার সংস্কৃতি

আসছে কিছু দেখতে থাকুন

© All rights reserved © 2021 muktokotha
Customized BY KINE IT