1. muktokotha@gmail.com : Harunur Rashid : Harunur Rashid
  2. isaque@hotmail.co.uk : Harun :
  3. harunurrashid@hotmail.com : Muktokotha :
মানচিত্র বদলানোর আগে মানুষের মন বদলানো হয়। - মুক্তকথা
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন, যুবক নিহত, মণিপুরি সম্মেলন, সিজন-৩ ম্যারাথন ও মতবিনিময় সভা। শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ও তাঁর লালসালু সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট সমাবেশ সফলের আহ্বানে পথসভা মিথ্যা মামলা, জমি দখলের পাঁয়তারা, যুবদলের আহ্বায়ক বহিষ্কার, স্কুলছাত্রী অপহরণ ও উদ্ধার এবং অন্যায় স্থাপনা নির্মাণ বেগম মনোয়ারা ইলিয়াস আর নেই! ৪ জনের মৃত্যুদন্ড মবতন্ত্র ও মৌলবাদের উত্থান: উত্তরণের পথ ও বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের রাজনীতি ও অন্তর্বর্তীকালীন সংকটের রূপরেখা দুর্গোৎসব ছড়ালো ভালোবাসার আলো : উৎসবে বস্ত্র বিতরণ।

মানচিত্র বদলানোর আগে মানুষের মন বদলানো হয়।

সাংবাদিক, গবেষক, লেখক হারুনূর রশীদ
  • প্রকাশকাল : বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬
  • ৫৮৩ পড়া হয়েছে

“নীরব মানচিত্রের খেলা :

দক্ষিণ এশিয়ায় অদৃশ্য পরিকল্পনার ছায়া—
-বাস্তব, নাকি তৈরীকরা ভয়?”

দক্ষিণ এশিয়ার মানচিত্র আপাতদৃষ্টিতে স্থির—কিন্তু ইতিহাস বলে, এই স্থিরতা অনেক সময়ই ভঙ্গুর। নতুন করে একটি প্রশ্ন উঠছে: কোনো বৈশ্বিক শক্তি কি নিঃশব্দে এই অঞ্চলের ভূগোল ও রাজনীতিকে পুনর্গঠনের পরিকল্পনা করছে?

সরকারি নথি বা প্রকাশ্য ঘোষণায় এমন কোনো পরিকল্পনার অস্তিত্ব নেই—এটি সত্য। কিন্তু ভূরাজনীতির ইতিহাস আমাদের আরেকটি সত্যও বলে দেয়: বড় সিদ্ধান্তগুলো সবসময় প্রকাশ্যে শুরু হয় না।

বিশ্ব রাজনীতির শক্তিধর রাষ্ট্র—বিশেষত যুক্তরাষ্ট্র—গত শতাব্দীতে বিভিন্ন অঞ্চলে কৌশলগত স্বার্থে হস্তক্ষেপ করেছে—এটিও অস্বীকার করার উপায় নেই। কখনো সরাসরি, কখনো পরোক্ষভাবে। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই প্রশ্ন জাগে: দক্ষিণ এশিয়া কি সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম?

আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র ইদানিংকালের কিছু মন্তব্য, যেখানে একটি সম্ভাব্য “বিদেশি পরিকল্পনা” নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছিল। সমালোচকেরা এটিকে রাজনৈতিক বক্তব্য বলে উড়িয়ে দেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো—এমন একটি বক্তব্য কি একেবারেই ভিত্তিহীন, নাকি কোনো গভীর আশঙ্কার প্রতিফলন?

মূল সংকটতো এখানেই।

দক্ষিণ এশিয়া—বিশেষ করে বাংলাদেশ, ভারত এবং মায়ানমার—একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ভূরাজনৈতিক বলয়ে অবস্থান করছে।
• বঙ্গোপসাগরের কৌশলগত গুরুত্ব
• সীমান্তবর্তী জাতিগত সংঘাত
• বৈশ্বিক শক্তির প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতা

এই তিনটি উপাদান মিলেই এমন এক বাস্তবতা তৈরি করে, যেখানে অবিশ্বাস খুব সহজে জন্ম নেয় এবং গুজব খুব দ্রুত শক্তি পায়।

কিন্তু এখানেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি করতে হবে:

👉 “প্রমাণ কোথায়?”

যদি কোনো “নতুন রাষ্ট্র” গঠনের মতো বড় পরিকল্পনা থাকতো, তাহলে তার কিছু ইঙ্গিত—কূটনৈতিক নথি, সামরিক প্রস্তুতি, আন্তর্জাতিক আলোচনার ছাপ—কোথাও না কোথাও দৃশ্যমান হওয়ার কথা। এখন পর্যন্ত এমন কোনো শক্ত প্রমাণ সামনে আসেনি।

তাহলে কি পুরো বিষয়টি গুজব?

হয়তো।
আবার এটাও হতে পারে—এটি একটি মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ (perception game), যেখানে ভয়ই প্রধান অস্ত্র।

কারণ, ভয় সৃষ্টি করতে পারলে:
• জনগণ বিভক্ত হয়
• রাষ্ট্রগুলো একে অপরকে সন্দেহ করতে শুরু করে
• অভ্যন্তরীণ সমস্যা আড়ালে চলে যায়

অর্থাৎ, বাস্তব পরিকল্পনা থাকুক বা না থাকুক—এই ধারণার বিস্তার নিজেই একটি কৌশলগত ঘটনা।

⸻

তাহলে করণীয় কী?

প্রথমত, আবেগ নয়—তথ্যকে প্রাধান্য দিতে হবে।
দ্বিতীয়ত, আঞ্চলিক ঐক্যকে দুর্বল করে এমন কোনো গুজবকে সতর্কতার সাথে যাচাই করতে হবে।
তৃতীয়ত, আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর প্রতি স্বচ্ছতার দাবি জোরদার করতে হবে—কারণ অস্পষ্টতা সবসময় সন্দেহের জন্ম দেয়।

⸻

শেষ হিসেবে কিছু বলতে গেলে বলতেই হয় যে, দক্ষিণ এশিয়ার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হয়তো কোনো অদৃশ্য “নতুন রাষ্ট্র” নয়—
বরং অবিশ্বাসের বিস্তার।

কারণ, ইতিহাস প্রমাণ করে—
মানচিত্র বদলানোর আগে মানুষের মন বদলানো হয়।

 

 

এ জাতীয় সংবাদ

তারকা বিনোদন ২ গীতাঞ্জলী মিশ্র

বাংলা দেশের পাখী

বাংগালী জীবন ও মূল ধারার সংস্কৃতি

আসছে কিছু দেখতে থাকুন

© All rights reserved © 2021 muktokotha
Customized BY KINE IT