1. muktokotha@gmail.com : Harunur Rashid : Harunur Rashid
  2. isaque@hotmail.co.uk : Harun :
  3. harunurrashid@hotmail.com : Muktokotha :
চেয়ারম্যান বরাবর চা শ্রমিক ফেডারেশনের স্মারকলিপি, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান থেকে গাছচুরি, সভাপতি আনিস সম্পাদক সালেহ, রেবের এয়ারগান উদ্ধার ও শমসেরনগরে হামলায় আহত ১ - মুক্তকথা
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চেয়ারম্যান বরাবর চা শ্রমিক ফেডারেশনের স্মারকলিপি, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান থেকে গাছচুরি, সভাপতি আনিস সম্পাদক সালেহ, রেবের এয়ারগান উদ্ধার ও শমসেরনগরে হামলায় আহত ১ ফুটবল ঐতিহ্যের পূর্ব-লণ্ডন ও বক্সি ইকবালকে নিয়ে প্রীতিসভা। সাইফুর রহমানের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী ও বাংলাদেশ চা শ্রমিক ফেডারেশনের দাবী। জেনেভায় জাতীয় শোকদিবস ফুটবল, সাংবাদিক পুত্রের সংবর্ধনা ও শঙ্খিনী সাপ উদ্ধার সীমান্তে বাংলাদেশী আটক, রাতে বাগান শ্রমিকদের উপর হামলা ও অন্যান্য ধর্ষণের জন্য ২জন আটক ও হত্যা মামলায় বাবার ফাঁসী আলাউর রহমান আর নেই। শ্রীমঙ্গলের কৃতিসন্তান মুহিত মেধাবী সুমাইয়া কি তার লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবে(?), শিক্ষার্থী সংবর্ধনা, গুড নেইবার্স- বাংলাদেশ

চেয়ারম্যান বরাবর চা শ্রমিক ফেডারেশনের স্মারকলিপি, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান থেকে গাছচুরি, সভাপতি আনিস সম্পাদক সালেহ, রেবের এয়ারগান উদ্ধার ও শমসেরনগরে হামলায় আহত ১

প্রনীত রঞ্জন দেবনাথ।
  • প্রকাশকাল : শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩ পড়া হয়েছে

 

নিম্নতম মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর
বাংলাদেশ চা শ্রমিক ফেডারেশনের স্মারকলিপি


ট্রেড ইউনিয়নের অধিকার হরণকারী মেয়াদোত্তীর্ণ ২০২৩ সালে ঘোষিত চা শ্রমিকদের মজুরি গেজেট বাতিল এবং অবিলম্বে চা শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করে দৈনিক নগদ মজুরি ৫০০ টাকা নির্ধারণের দাবিতে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ফেডারেশন কেন্দ্রীয় কমিটি নিম্নতম মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর স্মারকলিপি পেশ করেছে। ১৬ই আগস্ট’২৬, রবিবার সকাল সাড়ে ন’টায় ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবে স্মারকলিপি পেশ পূর্ববর্তী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ চা শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি বিপ্লব মাদ্রাজি পাশী এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক দীপংকর ঘোষ। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন চা শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা আবু জাফর, সহসভাপতি কাজল রায়, অর্থ সম্পাদক প্রেমকুমার পাল, করিমপুর চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি গণেশ বড়কুর্মী প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। সমাবেশ শেষে মিছিল সহকারে নিম্নতম মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে গিয়ে নেতৃবৃন্দরা স্মারকলিপি প্রদান করেন।

 

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়,গত ০৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে সংশোধিত শ্রম আইনের ধারা ১৩৯ (৬) অনুসারে প্রতি তিন বছর পরপর মজুরি পুণঃনির্ধারণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। চা শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণের জন্য গঠিত বোর্ড ২০২১ সালের জুনে খসড়া সুপারিশ প্রকাশ করলেও তা ১০ আগষ্ট ২০২৩ সালে চুড়ান্ত গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়। সেক্ষেত্রে গত ৯ আগষ্ট ২০২৬ তারিখে ঘোষিত মজুরির মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে এবং ছয় মাস পূর্বেই নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের যৌক্তিক সময় অতিক্রান্ত হয়েছে। ২০২৩ সালে ঘোষিত মজুরির মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার বিষয়টিকে আড়াল করতে চা বাগান মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশীয় চা সংসদ ১০ আগষ্ট ২০২৬ তারিখে ৫% বাৎসরিক ইনক্রিমেন্ট যুক্ত করে নতুন মজুরির নোটিস জারি করেছে। চা বাগান মালিকদের এই ঘোষণা চা শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি করেছে, বিভিন্ন মাত্রায় মিছিল-সমাবেশের মাধ্যমে শ্রমিকরা তাদের ক্ষোভের প্রকাশ করেছে।

আরও উল্লেখ করা হয়, মজুরির নিম্নসীমা নির্ধারণ করা মজুরি বোর্ডের কাজের আওতা হলেও ২০২৩ সালের তৎকালিন মজুরি বোর্ড যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধির স্বাধীন ভাবে দরকষাকষির চর্চার সুযোগ কে বাধাগ্রস্থ করার মতো কিছু সিদ্ধান্ত মজুরি গেজেটে অন্তর্ভুক্ত করেছিল যা নিন্দনীয়। বাৎসরিক মজুরি বৃদ্ধিসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি বিষয়ে যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধির স্বাধীন অধিকার চর্চার বিষয়ে সকল ধরণের বাধা দুর করা, মুনাফায় শ্রমিকের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বাধা দূর করা আহবান জানায়। শ্রমিকের মজুরি নির্ধারণের ক্ষেত্রে চায়ের সিন্ডিকেটেড নিলাম মূল্যের পরিবর্তে চায়ের বাজার মূল্য বিবেচনার পাশাপাশি ২০২৫ সালের ২২ মে বাংলাদেশের দৈনিক মজুরিভিত্তিক শ্রমিকদের মজুরী ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ৮০০ টাকা, বিভাগীয় শহরে ৭৫০ টাকা, জেলা উপজেলায় ৭০০ টাকা নির্ধারণ করার বাস্তবতায় মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় নিয়ে চা শ্রমিকদের দৈনিক নগদ মজুরী কমপক্ষে ৫০০ টাকা নির্ধারণ করার বিকল্প নেই।

এমতাবস্থায়, দ্রুততম সময়ে চা শ্রমিকদের মজুরি পূণঃনির্ধারণে মজুরি বোর্ড গঠন এবং দৈনিক নগদ মজুরি ৫০০ টাকা নির্ধারণে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানায়।


 

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান থেকে সেগুন গাছ পাচার,
বন বিভাগের উদাসীনতা নাকি সমঝোতা?


মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে অবস্থিত পরিবেশগতভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল ও সমৃদ্ধ বনাঞ্চল ‘লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান’ থেকে রাতের আঁধারে সাবাড় হচ্ছে বহু বর্ষীয়ান ও বিশালাকৃতির সেগুন গাছ। দেশের অন্যতম প্রধান এই জীববৈচিত্র্য রক্ষাগার থেকে একের পর এক মূল্যবান গাছ উধাও হয়ে যাওয়ায় উদ্যানের সামগ্রিক পরিবেশ ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সম্প্রতি উদ্যানের গভীর অরণ্য ও পরিধি এলাকা থেকে বিশালাকৃতির বেশ কয়েকটি  সেগুন গাছ কেটে সাবাড় করছে সঙ্ঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র। সোমবার (০৭ সেপ্টেম্বর) ভোরে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের জানকিছড়া এলাকায় শ্রীমঙ্গল – কমলগঞ্জ সড়কের পাশ থেকে বিশালাকৃতির একটি সেগুন গাছ কেটে পাচার করে নিয়ে যায় পাচারকারী চক্র। স্থানীয়দের অভিযোগ বন বিভাগের নজরদারি ও টহল জোরদার থাকা সত্ত্বেও কীভাবে ধারাবাহিকভাবে এসব মূল্যবান গাছ পাচার হচ্ছে, তা নিয়ে জনমনে তীব্র প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

পরিবেশকর্মী ও স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এটি নিছক বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ‘উদাসীনতা’ কিংবা দায়িত্বে অবহেলা নয়; বরং চোরাকারবারীদের সাথে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা ও বিট অফিসারদের এক ধরণের অসৎ বোঝাপড়া বা ‘ম্যানেজ’ প্রক্রিয়ারই ফসল। নিয়মিত টহল থাকা সত্ত্বেও দিনের পর দিন এমন কাণ্ড ঘটে যাওয়া কেবল উদাসীনতা দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না।

স্থানীয় বন্যপ্রাণী রক্ষায় নিয়োজিত কর্মীদের একাংশের ভাষ্য, লাউয়াছড়া শুধু একটি বন নয়, এটি বিলুপ্তপ্রায় উল্লুক সহ বহু দুর্লভ প্রজাতির শেষ আশ্রয়স্থল। যেভাবে প্রকাশ্যে সেগুন ও অন্যান্য দেশীয় বৃক্ষ সাবাড় হচ্ছে, তাতে বন বিভাগকে অবশ্যই সরাসরি জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। প্রশাসনিক গাফিলতি ও গোপন সমঝোতার কারণে বছরের পর বছর ধরে লাউয়াছড়ার জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।

 

গাছ পাচারের অভিযোগ বিষয়ে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা কাজী নাজমুল হকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা ‘ম্যানেজ’ বা যোগসাজশের বিষয়টি অস্বীকার করেন। তার দাবি, পর্যাপ্ত জনবলের অভাব এবং উদ্যানের বিশাল আয়তনের কারণে মাঝে মাঝে দুষ্কৃতকারীরা রাতের আঁধারে গাছ কাটার অপচেষ্টা চালায়। বন বিভাগ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে এবং কাটার আলামত পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণসহ মামলা দায়ের করা হচ্ছে।

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ মামলার এজাহারে প্রায় সময়ই  ‘অজ্ঞাতনামা’ আসামিদের অভিযুক্ত করায় মূল চোরাকারবারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো.আবুল কালাম বলেন,গাছ পাচারে কারা জড়িত, আমরা গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করবো, তদন্তে বন বিভাগের কেউ জড়িত থাকলেও তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


হয়ে গেলো কমলগঞ্জের আদমপুর বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নির্বাচন

সভাপতি আনিছ ও সম্পাদক সালেহ


মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতি নির্বাচন সুস্থ, সুন্দর ও উৎসবমুখর পরিবেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে বিকাল তিন টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ শেষে সন্ধ্যা ছয় টায় প্রাপ্ত ভোট ও ফলাফল বিবরণী আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়।

নির্বাচনে ছাতা প্রতীক নিয়ে ৩০৩ ভোট পেয়ে সভাপতি পদে বিজয়ী হয়েছেন আনিছুর রহমান তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর মুন্না রানা দেয়াল ঘড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ১৮৫ ভোট।

অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে টেলিভিশন প্রতীক নিয়ে ২০১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মো. সালেহ আহমদ তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. আলাল ইসলাম আনারস প্রতীকে ১২৮ ভোট এবং সৈয়দ মো. শাহ আমীর চাকা প্রতীকে ১২৫ ভোট পেয়েছেন।

নির্বাচনের অন্যান্য পদে যারা বিজয়ী হয়েছেন, মই প্রতীকে ২৭১ ভোট পেয়ে সহ-সভাপতি পদে বিজয়ী হয়েছেন মো. আব্দুল হক তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. আনোয়ার হোসেন মোবাইল প্রতীকে পেয়েছেন ১৭৭ ভোট।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে ফুটবল প্রতীকে ৩০৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন অমিত হাসান তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. জসিম উদ্দিন ডাব প্রতীকে পেয়েছেন ১৫৪ ভোট।

অর্থ সম্পাদক পদে তালগাছ প্রতীকে ২৪৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন মো. শামীম আহমেদ তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. আমির হোসেন হেলিকপ্টার প্রতীকে পেয়েছেন ১৯৫ ভোট।

এছাড়াও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় যারা নির্বাচিত হয়েছেন:
সাংগঠনিক সম্পাদক পদে শেখ মো. সিদ্দিকুর রহমান ও যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ মস্তান সহ দপ্তর সম্পাদক মো. নাহিদ আলী, প্রচার সম্পাদক মো. রকিব আলী, কার্যকরী সদস্য পদে মো. ইদ্রিস আলী, মো. সাফি মাহমুদ, সুমন মিয়া,মো. সোহান উদ্দিন চৌধুরী, মো. জসিম উদ্িিদন এবং মুহিতুর রহমান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পক্ষে ফলাফল বিবরণীতে স্বাক্ষর করেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ও উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা সাইদুর নাজমুল হাসান, সদস্য ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ইউসুফ মিয়া এবং সদস্য ও উপসহকারী প্রকৌশলী (জনস্বাস্থ্য) সুজন আহমেদ।


রেব-৯ এর অভিযানে কমলগঞ্জ থেকে
২টি এয়ারগান উদ্ধার


রেব-৯, সিপিসি-২, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজারের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ভানুগাছ-পাত্রখোলা রাস্তার পেচারপুল ব্রীজের পাশে ব্যাপক তল্লাশি করে ঝোপের ভেতর থেকে একটি প্লাস্টিকের বস্তা দ্বারা মোড়ানো পরিত্যক্ত অবস্থায় ২টি এয়ারগান উদ্ধার করেছে।

গত বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ অভিযান পরিচালিত হয়। পেচারপুল ব্রীজের দক্ষিণ দিকে রাস্তার পূর্ব পাশে থাকা তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধারকৃত আলামতের সাথে সংশ্লিষ্ট কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি, এ ব্যাপারে রেব-৯ এর তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে উদ্ধারকৃত আলামত জিডি মূলে কমলগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ছাড়াও দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রেব-৯ এর চলমান গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে রেব-৯ এর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।


 

শমশেরনগরে অটোরিক্সা থেকে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে হামলা;

আহত-১, থানায় অভিযোগ


 

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগরে ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা থেকে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে রাসেল মিয়া নামে একজন আহতের ঘটনা ঘটেছে। গত ৪ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় শমশেরনগর রেলস্টেশন প্লাটফর্মে হামলার ঘটনায় কমলগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগকারী রাসেল মিয়া, শমশেরনগর বাজার অটোচালক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বাছিত আলী, সাহাবউদ্দীন, হাছান আলী বলেন, শমশেরনগর অটোরিক্সা চালক সমিতির সভাপতি শফিক মিয়া ও তার সহযোগী জাকির মিয়া, সামাদ মিয়া, নাজিম উদ্দীন দীর্ঘদিন ধরে দুই শতাধিক অটোরিক্সা থেকে অবৈধভাবে দুই হাজার, তিন হাজার টাকা ও মাসিক একশ’ টাকা হারে আদায় করেন। তাদেরকে এই হারে টাকা না দিলে তারা অটোরিক্সা চালাতে দেন না। আদায়কৃত চাঁদার টাকা তারা নিজেরা ভাগ বাটোয়ারা করে নেয়। তাদেরকে এধরনের চাঁদা আদায়ের প্রতিবাদ করায় ৪ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় লাটিসোটা দিয়ে হামলা চালিয়ে রাসেল মিয়াকে আহত করে এবং প্রাণে মারার হুমকি দেয়। এঘটনায় রাসেল মিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা গ্রহন করে। চিকিৎসা শেষে রাসেল মিয়া বাদী হয়ে শফিক মিয়াসহ ৪ জনকে আসামী করে কমলগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়।

তবে অভিযুক্ত ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা চালক সমিতির সভাপতি শফিক মিয়া বলেন, এখন চাঁদা তোলা সম্পূর্ণ নিষেধ। আগে সাধারণ সম্পাদক রাসেল মিয়া চাঁদা আদায় করতো, সে বিষয় নিয়ে গত ৪ সেপ্টেম্বর মারামারি ঘটনা ঘটে। আমরা টাকা তোলা বন্ধ করেছি। রাসেলের বিরুদ্ধে চাঁদা আদায়ের অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। সে নানাভাবে আমাকে হুমকি ধামকি দিচ্ছে।

এদিকে স্থানীয় অটোচালকরা জানান, শমশেরনগর বাজারে অটো চালাতে গেলে ভর্তি ফি হিসেবে দেড় থেকে দুই হাজার টাকা এবং মাসিক ভিত্তিতে একশ’ টাকা হারে প্রদান করতে হয়। এই টাকা থেকে পুলিশকেও একটি অংশ দিতে হয়, অন্যতায় গাড়ি চালানো সম্ভব নয় বলে অটো চালক সমিতির নেতারা আমাদেরকে জিম্মি করে টাকা নিয়ে যান।

এব্যাপারে কমলগঞ্জ থানার ওসি কমর উদ্দিন বলেন, অভিযোগ পেয়ে শমশেরনগর ফাঁড়িতে তদন্তের জন্য দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্তক্রমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় সংবাদ

তারকা বিনোদন ২ গীতাঞ্জলী মিশ্র

বাংলা দেশের পাখী

বাংগালী জীবন ও মূল ধারার সংস্কৃতি

আসছে কিছু দেখতে থাকুন

© All rights reserved © 2021 muktokotha
Customized BY KINE IT