“পুরো রাজনৈতিক জীবনের সমাপ্তি হল
ব্যর্থতার মধ্য দিয়ে।”" />
  1. muktokotha@gmail.com : Harunur Rashid : Harunur Rashid
  2. isaque@hotmail.co.uk : Harun :
  3. harunurrashid@hotmail.com : Muktokotha :
“পুরো রাজনৈতিক জীবনের সমাপ্তি হল ব্যর্থতার মধ্য দিয়ে।” - মুক্তকথা
সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন, যুবক নিহত, মণিপুরি সম্মেলন, সিজন-৩ ম্যারাথন ও মতবিনিময় সভা। শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ও তাঁর লালসালু সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট সমাবেশ সফলের আহ্বানে পথসভা মিথ্যা মামলা, জমি দখলের পাঁয়তারা, যুবদলের আহ্বায়ক বহিষ্কার, স্কুলছাত্রী অপহরণ ও উদ্ধার এবং অন্যায় স্থাপনা নির্মাণ বেগম মনোয়ারা ইলিয়াস আর নেই! ৪ জনের মৃত্যুদন্ড মবতন্ত্র ও মৌলবাদের উত্থান: উত্তরণের পথ ও বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের রাজনীতি ও অন্তর্বর্তীকালীন সংকটের রূপরেখা দুর্গোৎসব ছড়ালো ভালোবাসার আলো : উৎসবে বস্ত্র বিতরণ।

“পুরো রাজনৈতিক জীবনের সমাপ্তি হল
ব্যর্থতার মধ্য দিয়ে।”

সংবাদদাতা
  • প্রকাশকাল : রবিবার, ৩ জুলাই, ২০১৬
  • ১০৭২ পড়া হয়েছে

cameron

হারুনূর রশীদ: ৪.৪০: শনিবার ৩রা জুলাই ২০১৬::
২৪ জুনের ভোর। ভোট শেষ হয়ে গেছে। ভোটে ব্রেক্সিটরা বিজয়ী আর ইউনিয়নে থাকার পক্ষের কপালে পরাজিতের তকমা লেপ্টে গেছে।
পরাজয়ের গ্লানি থেকেই নিজের অজান্তেই বেরিয়ে আসে দীর্ঘশ্বাস হয়ে শেষ কথাটি। “পুরো রাজনৈতিক জীবনের সমাপ্তি হল ব্যর্থতার মধ্য দিয়ে।” কথাটি প্রধানমন্ত্রী কেমেরুনের।
কেমেরুনের বিদায় ভাষণের আগের রাত। ভোটে “লিভ” পন্থিরাই বিজয়ী হয়েছে এমন খবর যখন পৌঁছে আনন্দে উল্লসিত মেজাজ বদলে গিয়ে বিষন্নতায় ভরে উঠে।
হেরে গেলে থাকবেন না, এমন সিদ্ধান্ত অবশ্য তিনি আগে থেকেই নিয়ে রেখেছিলেন যদিও জর্জ ওসবর্ণসহ তার অতি ঘনিষ্টজন থেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে থেকে যাবার অনুরোধ আসছিল।
সময় তখন সকাল সাড়ে তিন টা। পরাজয় যখন একেবারেই কাছাকাছি, কেমেরুন তার কেবিনেট অফিস মিনিষ্টার মেথিউ হেনকক’কে বললেন-“এটি ভাল নয়, তাই নয় কি? আমাকে চলে যেতেই হবে। আমি এমন সরকারের নেতৃত্ব দিতে চাই না যাদের পরিকল্পনা আর কৌশলের সাথে আমি একমত নই।”
এরও আগে ওই সন্ধ্যায় কেমেরুনের এক উপদেষ্টা অলিভার লেটউইন না-কি খুবই অনুরোধ করেছিলেন, অন্তত দেশের স্থিতিশীলতার জন্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে থেকে যেতে। যোগাযোগ পরিচালক ক্রেইগ অলিভার তো বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়ীত্ব চালিয়ে তো পারেনই। এমনভাবে কাজ চালিয়ে গেলেইতো হয় যেনো বুঝা যায় যে তিনি নিজে থেকে জোড় করে থাকেননি। কিন্তু কারো কোন পরামর্শই কাজে লাগেনি। এই হলো বৃটিশ গণতন্ত্রের সৌন্দর্য্য।
লিখেছেন তার জীবণিকার এন্থনি সেলডন।প্রকাশ করেছে টাইমস। আর এ কথাটিকে নিয়ে ‌সাংবাদিক কেটি ফরস্টার লিখেছেন তার ইন্ডিপেন্ডেন্ট কাগজে এখন থেকে নয় ঘন্টা আগে।(ওই লিখার অবলম্বনে। সব শেষ মন্তব্যটি আমার নিজের।)

এ জাতীয় সংবাদ

তারকা বিনোদন ২ গীতাঞ্জলী মিশ্র

বাংলা দেশের পাখী

বাংগালী জীবন ও মূল ধারার সংস্কৃতি

আসছে কিছু দেখতে থাকুন

© All rights reserved © 2021 muktokotha
Customized BY KINE IT