1. muktokotha@gmail.com : Harunur Rashid : Harunur Rashid
  2. isaque@hotmail.co.uk : Harun :
  3. harunurrashid@hotmail.com : Muktokotha :
সিলেটের কন্যা দাবারু একজন রাণী হামিদ - মুক্তকথা
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পূজা মণ্ডপে মন্ত্রী আরিফুল, সড়কের ব্যাপক গাছ চুরি, বাগান শ্রমিকদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ; বিষ প্রয়োগে লক্ষ টাকার ক্ষতি। প্রখ্যাত ফুটবলখেলোড়ী , মাহি উদ্দিন সেলিমকে সংবর্ধনা শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী পালিত, শিশুর মৃত্যু, নদীতে বিষ দিয়ে মাছ নিধন, ‘হিউম্যান রাইজ-‘এর নিজস্ব অফিস নির্মাণ ও হৃদরোগে মৃত্যু। তড়িঘড়ি করে ১৩৪টি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিককে অনুমোদন। পালিত হলো বর্ণবাদ ও স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের ৯০ বছর। একটি নার্সারী পুঞ্জির ৮হাজার পানগাছ দুর্বৃত্তরা কেটে দিয়েছে। খেলাধুলা এখন পেশা, আদিবা ও অন্বেষা শ্রেষ্ট ২ ক্ষুদে গবেষক, বইপড়া উৎসব ও শ্রমিকনেতা মফিজআলী, পূঁজা উপলক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা সভা, গরুচুরি, অনিয়মের জন্য জরিমানা, জমিনিয়ে বিরোধের শেষে। শেখ হাসিনা- দেশে ফিরে আসার সম্ভাবনা ও আইনী সমস্যা(২)… মণিপুরি ভাষা দিবস, মরদেহ উদ্ধার, আটকে পড়া ট্রেন লাউয়াছড়ায়, পূঁজা নিয়ে এমপি’র সাথে বৈঠক, জলখাবার বাক্স ও বইথলি বিতরণ এবং বৃক্ষরূপন

সিলেটের কন্যা দাবারু একজন রাণী হামিদ

মুক্তকথা প্রতিবেদন॥
  • প্রকাশকাল : শনিবার, ৬ মার্চ, ২০২১
  • ২৪৮১ পড়া হয়েছে

সৈয়দা জসিমুন্নেসা খাতুনের নাম বললে কেউ চিনবে বলে মনে হয় না। ‘রাণী হামিদ’ বললে বহুলোকই চিনতে পারবে। ব্রিটিশ মহিলা দাবা প্রতিযোগিতায় তিনি চ্যাম্পিয়ন হন তিন তিনবার! দাবায় আন্তর্জাতিক খ্যাতির অধিকারী এই নারী বৃহত্তর সিলেটের কন্যা। রাণী হামিদের ছেলে কায়সার হামিদ ছিলেন ১৯৮০এর দশকে বাংলাদেশের কীর্তিমান ফুটবল খেলোয়াড়।
বাংলাদেশে দাবার ইতিহাসে পথিকৃৎ হিসেবে যিনি অবিস্মরণীয় হয়ে আছেন তিনি জ্ঞানতাপস ড. কাজী মোতাহার হোসেন। জাতীয় অধ্যাপক কাজী মোতাহার হোসেনের জ্ঞানচর্চার বাইরেও বাংলাদেশ জুড়ে খেলুড়ে হিসেবে খ্যাতি ছিল। দি স্টেটসম্যান পত্রিকার আয়োজনে ১৯২৫ সালের “অল ইণ্ডিয়া দাবা মেধাবী দীপ্তিমান প্রতিযোগিতা”(All India Chess Brilliancy Competition)-এ তিনি মোট ১০৩ পয়েন্টের মধ্যে ১০১ পয়েন্ট পেয়ে প্রথম স্থান অধিকার করেন। তিনি ১৯২৯ থেকে ১৯৬৯ পর্যন্ত দাবার জগতে একাধিপতি ছিলেন।
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ দাবা সংঘ যা পরবর্তী সময়ে(১৯৭৪ সালে) বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশন রূপে পরিচিত হয় তারও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন তিনি। তাঁর স্মৃতির স্মরণে ১৯৮৫ সাল থেকে বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশন ‘ড. কাজী মোতাহার হোসেন আন্তর্জাতিক মাস্টার্স চেস টুর্নামেন্ট’ আয়োজন করে আসছে।
বৃটিশ মহিলা দাবা বাদেও সৈয়দা রাণী হামিদ ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশীপের মালিকানা দখল করে রেখেছিলেন সুদীর্ঘকাল। ২০১৯ সাল পর্যন্ত পুরো ২১ বার হয়েছেন জাতীয় মহিলা দাবা চ্যাম্পিয়ন। কমনওয়েলথ দাবা চ্যাম্পিয়নশীপ ২০১৫-তে বাংলাদেশের হয়ে অর্জন করেন স্বর্ণপদক। ১৯৭৯ সাল থেকে আয়োজিত জাতীয় মহিলা দাবা প্রতিযোগিতায় ১২ বার চ্যাম্পিয়ন হন বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক মহিলা মাস্টার রানী হামিদ।
দাবার জগতে খ্যাতীমান এই নারী,  রাণী হামিদের জন্ম সিলেটে। বাবা সৈয়দ মমতাজ আলী পেশায় ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা। মা মোসাম্মাৎ কামরুন্নেসা খাতুন ছিলেন গৃহিণী। চার ভাই ও চার বোনের মধ্যে রাণী হামিদ তৃতীয়। দাবা জগতের রানী, রাণী হামিদ নামে পরিচিত হলেও তার আসল নাম সৈয়দা জসিমুন্নেসা খাতুন। নামটি এখন শুধু কাগজে-কলমেই আছে। রাণী হামিদ নামটি তার বাবার দেওয়া নাম। তার বাবা মহারানী ভিক্টোরিয়ার খুব ভক্ত ছিলেন। সেই কারণ থেকে ছোটবেলা থেকেই তা’কে রাণী বলে ডাকতেন। আর সৈয়দা জসিমুন্নেসা খাতুন নামটি তার দাদির রাখা নাম। তিনি চার সন্তানের জননী। এসকল তথ্য তার মুখ থেকেই জানা।

এ জাতীয় সংবাদ

তারকা বিনোদন ২ গীতাঞ্জলী মিশ্র

বাংলা দেশের পাখী

বাংগালী জীবন ও মূল ধারার সংস্কৃতি

আসছে কিছু দেখতে থাকুন

© All rights reserved © 2021 muktokotha
Customized BY KINE IT