ভাষা সংগ্রামী, প্রয়াত শ্রমিক নেতা
কমরেড মফিজ আলীর ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী
আজ ১০ অক্টোবর ২০২৬ ভাষা সংগ্রামী, প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ, চা শ্রমিক নেতা, শিক্ষাবিদ, লেখক কমরেড মফিজ আলীর ১৮ তম মৃত্যু বার্ষিকী। তিনি ইত্তেফাক প্রতিনিধি সাংবাদিক নূরুল মোহাইমীন মিল্টন এর পিতা। তাঁর মৃত্যু বার্ষিকী পালন উপলক্ষে বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ মৌলভীবাজার জেলা কমিটি প্রতি বছরের ন্যায় ১০ অক্টোবর শনিবার সকাল ৯টায় ধূপাটিলাস্থ প্রয়াতের সমাধিস্থলে বিভিন্ন সংগঠনের পুষ্পস্তবক অর্পন শেষে মফিজ আলীর রাজনৈতিক জীবনের উপর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
ছবিতে সামনে প্রয়াত চা-শ্রমিকনেতা মফিজ আলী এবং পাশে উপবিস্ট মফিজ আলী মহোদয়ের ঘনিষ্ট রাজনৈতিক বন্ধু বিশিষ্ট বাম রাজনীতিক প্রয়াত কয়ছর খান। ছবি-মুক্তকথা |
মফিজ আলী বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি, মৌলভীবাজার জেলা কমিটির সভাপতি, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ) এর কেন্দ্রীয় সদস্য ছিলেন। তিনি ৫২’র ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ৬৯-এর গণআন্দোলন, শ্রীমঙ্গলের বালিশিরাসহ কৃষক আন্দোলন, চা শ্রমিক আন্দোলনসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। ইত্তেফাক, সংবাদ, সাপ্তাহিক জনতা, লাল বার্তা ও ইংরেজী ডন পত্রিকায় একাধারে লেখক-সাংবাদিক হিসাবে লেখালেখি করতেন। শিক্ষকতা পেশায়ও নিয়োজিত ছিলেন। তাঁর জীবনের পুরোটা সময় নিজের পরিবার-পরিজন ও আত্মপ্রতিষ্ঠার চিন্তা না করে সাধারণ মানুষের মুক্তির লক্ষ্যে আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন। ১৯৫৪, ১৯৬০, ১৯৬৪, ১৯৬৫, ১৯৬৭, ১৯৬৯ ও ১৯৭২ সালে রাজনৈতিক কারণে বিভিন্ন মামলায় তিনি দীর্ঘ ৬ বছর কারাবরন করেন।
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ থানার ধূপাটিলা গ্রামের একটি স¤্রান্ত পরিবারে ১৯২৭ সালের ১০ ডিসেম্বর মফিজ আলীর জন্ম। ২০০৮ সনের ৩০শে আগষ্ট কুলাউড়ার একটি কৃষক সভা থেকে ফেরার পথে নিজ বাড়ির সম্মুখে দুর্ঘটনা কবলিত হন। সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসারত ২০০৮ সনের ১০ অক্টোবর ভোর রাতে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কমলগঞ্জে
আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৬ সুষ্ঠু, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ সভার আয়োজন করা হয়। কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সন্দ্বীপ তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য (২৩৮, মৌলভীবাজার-০৪) মোঃ মুজিবুর রহমান চৌধুরী।
![]() |
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মোঃ মুজিবুর রহমান চৌধুরী বলেন, “শারদীয় দুর্গাপূজা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত আমাদের এই কমলগঞ্জ। যেকোনো মূল্যে এই সম্প্রীতি বজায় রেখে অসাম্প্রদায়িক ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পূজা উদযাপন নিশ্চিত করা হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পাশাপাশি সাধারণ জনগণকেও সতর্ক ও সহযোগিতাপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।”
সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সন্দ্বীপ তালুকদার জানান, উপজেলার সকল পূজা মণ্ডপে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশের পাশাপাশি আনসার বাহিনী ও প্রতিটি মণ্ডপের নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক দল কাজ করবে। ঝুঁকিপূর্ণ বা গুরুত্বপূর্ণ মণ্ডপগুলোতে বাড়তি নজরদারির পাশাপাশি সিসি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সভায় পূজা চলাকালীন যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং জরুরি সহায়তার জন্য একটি বিশেষ মনিটরিং ও কন্ট্রোল রুম চালু রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে কমলগঞ্জ উপজেলার সার্বজনীন ১৪৯ টি সার্বজনীন পূজামণ্ডপ এর অনুকূলে ৬০০ কেজি জিআর চালের ডিও বিতরণ করা হয়।
ইউপি সদস্যের সংবাদ সম্মেলন
গরু চুরি নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ
চোরাই গরু উদ্ধার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ১০ নম্বর হাজীপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের সদস্য মো. গুলজার আহমদ। সম্প্রতি কমলগঞ্জে গরু চুরি ও গরু চুর আটকের ঘটনা নিয়ে একটি কুচক্রী মহল তার বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মানহানিকর অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। রোববার বিকাল সাড়ে ৪টায় বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি কমলগঞ্জ ইউনিট কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এই প্রতিবাদ জানান।
![]() |
লিখিত বক্তব্যে গুলজার আহমদ বলেন, সম্প্রতি কমলগঞ্জ উপজেলার সুনছড়া থেকে পুলিশ যোগীবিল এলাকার গরুচুর আটক করে। এই গরু চোরকে আটকের পর পুলিশ আদালতে প্রেরন করে। এই চুরের কাছ থেকে বাস্তবে কমলগঞ্জ থানা পুলিশ কোন বক্তব্য ও তথ্য প্রমাণ প্রকাশ করেনি। অথচ এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের একটি কুচক্রী মহল আমার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা অপপ্রচার শুরু করেছে। সমাজে আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করতে পারিবারিক শত্রুতার জেরে এই কুচক্রি মহল বিভিন্ন সময়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। কিছু কিছু আইডি ও কিছু ফেক আইডি এসব বিষয়ের প্রকৃত সত্যতা নিশ্চিত না হয়ে ‘আমার বাড়ি থেকে চোরাই গরু উদ্ধার হয়েছে’ এমন শিরোনামে অপপ্রচার শুরু করছে। এতে সমাজে আমার সম্মান ও মানহানি করা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে কমলগঞ্জ থানার ওসি কমর উদ্দীন বলেন, একজন গরু চুরকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে এবং তার রিমান্ডও প্রার্থনা করা হয়েছে। তবে কুলাউড়ার হাজীপুরের ইউপি সদস্যের বাড়ি থেকে গরু উদ্ধার বা এ সংক্রান্ত কোন তথ্য নেই।
এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির অনিয়ম
২০ হাজার টাকা জরিমানা
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের দৃশ্যমান স্থানে মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা, পাকা ক্রয় ও বিক্রয় ভাউচার সংরক্ষণ না করা ও অতিরিক্ত দামে সিলিন্ডার বিক্রয় করাসহ বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে তিন প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। রোববার (০৪ অক্টোবর) উপজেলার শমশেরনগর বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মৌলভীবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো: আল-আমিন।
![]() |
জানা যায়, কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর লামাবাজার, স্টেশন রোড ও বাজারের বিভিন্ন জায়গায় পাইকারি ও খুচরা এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানে অভিযান ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। তদারকি অভিযানে দৃশ্যমান স্থানে মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা, পাকা ক্রয় ও বিক্রয় ভাউচার সংরক্ষণ না করা ও অতিরিক্ত দামে সিলিন্ডার বিক্রয় করাসহ বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে লামবাজারে অবস্থিত ওম ট্রেডার্সকে ৩ হাজার টাকা, স্টেশন রোডে অবস্থিত চৌধুরী ট্রেডার্সকে ২ হাজার টাকা ও সায়েম হার্ডওয়্যারকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করে তা আদায় করা হয়।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মৌলভীবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো: আল-আমিন অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, জনসচেতনতায় এরকম অভিযান অব্যাহত থাকবে। এছাড়াও অতিরিক্ত দামে সিলিন্ডার বিক্রি না করা, অবৈধ মজুদ করে কৃত্রিম সংকট তৈরি না করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
কমলগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের শেষে
পুকুরে বিষ প্রয়োগে মাছ নিধন(!)
বসতঘরে সংস্কার কাজে বাঁধায় দুভোর্গে পরিবার
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার পতনঊষার ইউনিয়নের মিনারাই গ্রামে জমি নিয়ে পূর্ব বিরোধের জেরে পুকুরে বিষ প্রয়োগে মাছ নিধন এবং বসত ঘরে সংস্কার কাজে প্রতিপক্ষের বাঁধা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে ঝুঁকিপূর্ণ ঘরে বসবাসরত রুপজান বেগমের পরিবার সদস্যরা চরম দুর্ভোগে দিন কাটছেন। পুকুরে মাছ নিধনের বিষয়ে ভূক্তভোগী পরিবার কমলগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
সরেজমিনে জানা যায়, মিনারাই গ্রামের আব্দুল গণির স্ত্রী রুপজান বেগমের কাগজাদি ও ভোগদখল বৈধ থাকার পর ও পার্শ্ববর্তী ঘরের প্রতিপক্ষ আব্দুল মন্নাফ, আব্দুল বারী, আবরুজ মিয়া, আলআমীন ওই অংশে শরীকানদের ভূমি দাবি করে আসছেন। সামাজিকভাবে কয়েক দফা সালিশ বৈঠকেও এর কোন সুরাহা হয়নি। ফলে রুপজান বেগমের বসবাসরত টিনসেড ঘরটি চরম জরাজীর্ণ ও বসবাস অনুপযোগী হয়ে পড়লেও আব্দুল মন্নাফ ও আব্দুল বারী বসতঘরে সংস্কার কাজে বাঁধা দিচ্ছেন। সকল প্রস্তুতি থাকার পরও প্রতিপক্ষের বাঁধায় রুপজান বেগম ঘরে সংস্কার কাজ করাতে না পারায় ঘরটি জীর্ণশীর্র্ণ হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
![]() |
রুপজান বেগম বলেন, বাড়িতে আমি প্রকৃত অংশীদারের কাছ থেকে চব্বিশ শতক ষাট শতাংশ ভূমি কিনে নামজারি, খারিজ করে সম্পূর্ণ বৈধভাবে বসবাস করছি। এখানে আর কারো অংশ নেই। এই ভূমির উপর নির্মিত পুরনো টিনসেডের ঘরটি বর্তমানে জীর্ণশীর্ন হয়ে পড়েছে। বৃষ্টি হলেই ঘরের ভেতরে পানি ঝরতে থাকে। ঘরটি সংস্কার কাজের উদ্যোগ নিলে প্রতিপক্ষ বারবার বাঁধা দেয়ায় কাজ করাতে পারছি না। ফলে ঘরে শিশুসহ ৯ সদস্যের বসবাস রীতিমতো কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ছে এবং চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। রুপজান বেগম ও তার ছেলে আব্দুল নসাদ বলেন, জমির বিরোধ নিয়ে আব্দুল মন্নাফ, আব্দুল বারীরা গত ১৭ সেপ্টেম্বর আমাদের বসতবাড়ি সংলগ্ন পুকুরে বিষ ঢেলে চাষকৃত লক্ষাধিক টাকার বিভিন্ন প্রজাতির মাছ নিধন করেছে। এঘটনায় চারজনকে আসামী করে গত ২২ সেপ্টেম্বর কমলগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করি। তারা একদিকে ঘরের সংস্কার কাজে বাঁধা দিচ্ছে, অন্যদিকে পুকুরে বিষ ঢেলে মাছ নিধনের মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে তুলছে।
অভিযোগ বিষয়ে আব্দুল মন্নাফ ও আব্দুল বারী বলেন, কে বা কারা বিষ ঢেলে মাছ নিধন করেছে তা জানা নেই। বাড়িতে শরীকানরা জমির মালিক রয়েছে। শরীকানদের জমি বের করে দিতে বলার কারনে পুকুরে বিষ ঢেলে মাছ নিধনের মামলায় অন্যায়ভাবে আমাদের আসামী করা হয়েছে।
পতনঊষার ইউপি চেয়ারম্যান অলি আহমদ খান বলেন, জমি নিয়ে তাদের পারিবারিক জটিলতা চলছে। কয়েক দফা সালিশ বৈঠক হলেও উভয়পক্ষের অসহযোগিতার কারনে সমস্যার সমাধা হচ্ছে না। তবে বসতঘরের সংস্কার কাজ করতে না দেওয়া মানবাধিকার লঙ্ঘন।
এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কমলগঞ্জ থানার এসআই রনি তালুকদার বলেন, পুকুরে বিষ ঢেলে মাছ নিধনের মামলায় আসামী জেলহাজত থেকে জামিনে রয়েছে। মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। তবে রুপজান বেগমের বসতঘরে সংস্কার কাজে বাঁধা দেয়ার বিষয়টি তারা মৌখিকভাবে বলেছে। এবিষয়ে তাদের আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।