1. muktokotha@gmail.com : Harunur Rashid : Harunur Rashid
  2. isaque@hotmail.co.uk : Harun :
  3. harunurrashid@hotmail.com : Muktokotha :
মিথ্যা মামলা, জমি দখলের পাঁয়তারা, যুবদলের আহ্বায়ক বহিষ্কার, স্কুলছাত্রী অপহরণ ও উদ্ধার এবং অন্যায় স্থাপনা নির্মাণ - মুক্তকথা
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট সমাবেশ সফলের আহ্বানে পথসভা মিথ্যা মামলা, জমি দখলের পাঁয়তারা, যুবদলের আহ্বায়ক বহিষ্কার, স্কুলছাত্রী অপহরণ ও উদ্ধার এবং অন্যায় স্থাপনা নির্মাণ বেগম মনোয়ারা ইলিয়াস আর নেই! ৪ জনের মৃত্যুদন্ড মবতন্ত্র ও মৌলবাদের উত্থান: উত্তরণের পথ ও বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের রাজনীতি ও অন্তর্বর্তীকালীন সংকটের রূপরেখা দুর্গোৎসব ছড়ালো ভালোবাসার আলো : উৎসবে বস্ত্র বিতরণ। পূজা মণ্ডপে মন্ত্রী আরিফুল, সড়কের ব্যাপক গাছ চুরি, বাগান শ্রমিকদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ; বিষ প্রয়োগে লক্ষ টাকার ক্ষতি। প্রখ্যাত ফুটবলখেলোড়ী , মাহি উদ্দিন সেলিমকে সংবর্ধনা শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী পালিত, শিশুর মৃত্যু, নদীতে বিষ দিয়ে মাছ নিধন, ‘হিউম্যান রাইজ-‘এর নিজস্ব অফিস নির্মাণ ও হৃদরোগে মৃত্যু।

মিথ্যা মামলা, জমি দখলের পাঁয়তারা, যুবদলের আহ্বায়ক বহিষ্কার, স্কুলছাত্রী অপহরণ ও উদ্ধার এবং অন্যায় স্থাপনা নির্মাণ

কাওছার ইকবাল।
  • প্রকাশকাল : সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬
  • ৭ পড়া হয়েছে

‎আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ


‎শ্রীমঙ্গলে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে স্থাপনা নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে শেখ মো. আফজাল হোসেনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জমির উত্তরাধিকারীদের পক্ষে মো. জলিল মাহমুদ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

‎বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে স্থানীয় বাগানবাড়ি রেস্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জলিল মাহমুদ দাবি করেন, শ্রীমঙ্গল উপজেলার আলীশারকুল মৌজায় সাতগাঁও চৌমুহনা-সংলগ্ন প্রায় ৫৮ শতক জমি তাঁর নানা শ্বশুর সিরাজ উল্লাহর উত্তরাধিকারীদের সম্পত্তি। ১৯৮২ সালে জমিটি আজিজ মিয়া দলিলমূলে কিনেছেন বলে দাবি করা হলেও ওই দলিলের বৈধতা নিয়ে তাঁদের আপত্তি রয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, জমির মালিকানা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।

‎জলিল মাহমুদের ভাষ্য অনুযায়ী, পরবর্তী সময়ে জমিটি কয়েক হাত বদল হয়ে ব্যাংকের বন্ধক ও ঋণসংক্রান্ত মামলার বিষয়েও জড়িয়ে পড়ে। সিরাজ উল্লাহর উত্তরাধিকারীরা জমির মালিকানা দাবি করে আদালতের শরণাপন্ন হন। তাঁদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ আদালত ২০২৫ সালের ৬ আগস্ট ছয় মাসের জন্য এবং ২০২৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি আরও এক বছরের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করেন বলে তিনি দাবি করেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, নিষেধাজ্ঞাটি ২০২৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বহাল রয়েছে।

‎তিনি আরও অভিযোগ করেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকা অবস্থায় জায়গায় স্থাপিত পুরোনো পেট্রলপাম্পে নতুন যন্ত্রপাতি স্থাপন, আলোকসজ্জা ও সংস্কারকাজ চালানো হচ্ছে। এ বিষয়ে বাধা দিতে গেলে তাঁকে আদালত বা থানায় যাওয়ার কথা বলা হয় বলেও দাবি করেন তিনি।

‎জলিল মাহমুদ জানান, সিরাজ উল্লাহর দুই ছেলে আনসার মিয়া ও আনকার মিয়া মারা যাওয়ার পর তাঁদের উত্তরাধিকারীরা তাঁকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মাধ্যমে জমিসংক্রান্ত মামলা ও অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, জমির নামজারি নিয়েও বিরোধ রয়েছে এবং আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও অভিযুক্ত ব্যক্তির নামে নামজারি করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

‎জলিল মাহমুদ বলেন, তাঁরা কোনো অন্যায় সুবিধা চান না; জমির প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণ করে আইন অনুযায়ী ন্যায়বিচার চান। এ বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য, প্রশাসন, পুলিশ ও ভূমি বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

‎তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত শেখ মো. আফজাল হোসেন বলেন, এই জমি ব্যাংকে ঋণের বিপরীতে জামানত রাখা হয়েছিল। পরবর্তীতে ঋণ পরিশোধ জটিলতায় অর্থ ঋন আদালতে মামলা হয় এবং আমি আদালতের মাধ্যমে নিলামে ক্রয় করি। তিনি বলেন তাদের কোন আপত্তি থাকলে তা ব্যাংক বা আদালতে কাছে বোঝাপড়া করতে পারে।

‎আফজাল হোসেন বলেন, ব্যাংকের নিলামের জায়গা যা আদালতের আদেশে নিলামে বিক্রি হয়। নিষ্কন্টক জমি হিসেবে বিবেচিত হয় বিধায় আমি সর্বোচ্চ দর দিয়ে জমি ক্রয় করেছি।’ তিনি বলেন, বরুনা পীর পরিবার নিয়ে এমন মিথ্যাচারের প্রতিবাদে খুব শিঘ্রই পাল্টা সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে জবাব দেওয়া হবে।’

‎শ্রীমঙ্গল থানার ওসি (তদন্ত)  আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘এ বিষয়ে দায়েরকৃত অভিযোগ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।’

ধারাবাহিক অনিয়মের সংবাদ প্রকাশের কারণে
সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ

‎নিরপেক্ষ তদন্ত ও মামলা প্রত্যাহারের দাবি


মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাবেক টিএইচও ডা. সিনথিয়া তাসমিন ও সরকারি হাসপাতালের নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার চিত্র তুলে ধরে সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক খোলা কাগজের স্টাফ রিপোর্টার ও শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের যুগ্ম সদস্য সচিব মো. এহসানুল হকসহ (এহসান বিন মুজাহির) পাঁচজনের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগ উঠেছে।

‎গত ২৫ অক্টোবর সিলেট সাইবার সিকিউরিটি আদালতে মামলাটি দায়ের করেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে বদলি হয়ে মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত হওয়া সাবেক উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সিনথিয়া তাসমিন।

‎উক্ত মামলাটিকে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা আখ্যা দিয়ে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক এবং স্থানীয় বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন। তারা অবিলম্বে এই হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।

‎এদিকে আদালত ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, মানহানি ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগে দায়েরকৃত এ সাইবার মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে দৈনিক জনবাণীর মৌলভীবাজার প্রতিনিধি মঞ্জু বিজয় চৌধুরীকে। এছাড়া অন্যান্য আসামিরা হলে, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিস নেতা মোজাহিদুল ইসলাম, মো. এহসানুল হক, ‘জেন জেড শ্রীমঙ্গল’ এবং প্রবাসী আমির আলী। মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে বিভিন্ন বেনামি ও মিথ্যা আইডি ব্যবহার করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কুৎসা রটিয়েছেন এবং পোস্ট ডিলিট করার নামে অর্থ দাবি করেছেন। সাইবার সুরক্ষা আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলাটি দায়ের করে পুলিশ বা সিআইডিকে তদন্তের আবেদন জানানো হয়েছে। তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে অপরাপর আসামি মঞ্জু বিজয় চৌধুরী ও মোজাহিদুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালের নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সঠিক তদন্তের দাবি জানানো হয়েছিল।

‎অভিযোগের বিষয়ে ভুক্তভোগী সাংবাদিক মো. এহসানুল হক জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি সততা ও নিষ্ঠার সাথে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা করে আসছেন। হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবার অব্যবস্থাপনা নিয়ে তিনি একাধিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদনগুলো হলো—‘শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেয়াদহীন পাউরুটি ও নিম্নমানের কলা সরবরাহ’, ‘সরকারি হাসপাতালে রাতেও ওড়ে জাতীয় পতাকা’, ‘শ্রীমঙ্গল সরকারি হাসপাতালে নানা অব্যবস্থাপনার অভিযোগ, সচেতনমহলে ক্ষোভ’, ‘জেনারেটর-আইপিএস অচল, মোমবাতিই ভরসা শ্রীমঙ্গল সরকারি হাসপাতালে’, ‘তদন্ত দাবির মধ্যেই অভিযুক্ত ডা. সিনথিয়াকে বদলি’ এবং ‘শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এমএসআর সামগ্রী সরবরাহ নিয়ে বিতর্ক’।

‎তিনি আরও জানান, হাসপাতালের প্রশাসনিক ও আর্থিক স্বচ্ছতা যাচাইয়ের জন্য ‘তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯’-এর আওতায় টিএইচওর দায়িত্ব পালন সম্পর্কিত ১১টি বিষয়ে আনুষ্ঠানিক তথ্য চেয়ে আবেদন করেছিলেন। আবেদনকৃত তথ্যের মধ্যে ছিল—বহির্বিভাগ, অন্তর্বিভাগ, প্যাথলজি ও ভর্তি রোগীদের থেকে আদায়কৃত ফির সরকারি চালানের অনুলিপি, ২০২৪ থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় ও দরপত্র, জ্বালানি খরচ, সেবাগ্রহীতা রোগীর হিসাব, বাড়িভাড়া জমা, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তালিকা এবং অতীতে আইপিএস ও ব্যাটারি চুরির ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন।

‎তবে, মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে এই প্রতিবেদক মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও সাবেক টিএইচও ডা. সিনথিয়া তাসমিন ফোন ধরেননি।


‎আইনি প্রক্রিয়ায় নিলামে কেনা জমির দখলের পাঁয়তারা
এ অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন


‎মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে আদালতের নির্দেশে ব্যাংকের নিলামের মাধ্যমে কেনা সম্পত্তি দখলের পাঁয়তারা এবং অপপ্রচারের অভিযোগ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নিলামে ক্রেতা শেখ আহমদ আফজাল বর্ণভী।

‎শনিবার (৩১ অক্টোবর) স্থানীয় একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ তুলে ধরেন। লিখিত বক্তব্যে শেখ আহমদ আফজাল জানান, শ্রীমঙ্গল উপজেলার ‘মেসার্স সম্রাট ফিলিং স্টেশন’-এর কাছে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর বকেয়া পাওনা আদায়ের লক্ষ্যে মৌলভীবাজার অর্থঋণ আদালতে একটি মামলা (অর্থঋণ জারী মামলা নং-৩১/২০২১) দায়ের করা হয়েছিল।

‎আদালতের সম্পূর্ণ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ২০২৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি সম্পত্তিটির প্রকাশ্য নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত নিলামে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে শেখ আহমদ আফজাল জমি ও তৎসংলগ্ন সম্পত্তি বৈধভাবে ক্রয় করেন। এর ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালের ১৮ মে মৌলভীবাজারের বিজ্ঞ অর্থঋণ আদালত তার অনুকূলে ‘জমি নিলামে বিক্রয়ের সার্টিফিকেট’ প্রদান করেন এবং একই সঙ্গে আদালত কর্তৃক সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল নং-৩৩৬৯/২৩ নিবন্ধনের প্রয়োজনীয় আদেশ দেন।

‎নিলামে ক্রয়কৃত সম্পত্তিটির বিবরণ অনুযায়ী—আলিশারকুল মৌজার জেএল নং- ৩৪, আরএস খতিয়ান নং- ১৪১৪, দাগ নং- ১৭৮৬-এর ৫৮ শতক জমি এবং ‘মেসার্স সম্রাট ফিলিং স্টেশন’ এর অন্তর্ভুক্ত। নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে নিলামে ক্রয়ের পর সরকারি সব নিয়ম মেনে তিনি জমিটির নামজারি ও অন্যান্য দাপ্তরিক কার্যক্রমও সম্পন্ন করেছেন।

‎সংবাদ সম্মেলনে শেখ আহমদ আফজাল ক্ষোভ প্রকাশ করে স্পষ্ট ভাষায় বলেন, আদালতের নির্দেশে শতভাগ আইনি প্রক্রিয়ায় জমি ক্রয় ও সরকারি নিয়মে নামজারি সম্পন্ন করার পরও একটি কুচক্রী ও স্বার্থান্বেষী মহল আদালতের রায় ও প্রচলিত আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অবৈধভাবে সম্পত্তি দখলের পাঁয়তারা চালিয়ে যাচ্ছে এবং তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা অপপ্রচার ছড়াচ্ছে।

‎তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, আমি কোনো অবৈধ উপায়ে বা বলপ্রয়োগের মাধ্যমে নয়, দেশের প্রচলিত আইন ও আদালতের প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় এই সম্পত্তি কিনেছি।

এ সময় বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্যে কান না দিয়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের জন্য সংবাদকর্মীদের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি। পাশাপাশি, আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে নিজ সম্পত্তির শান্তিপূর্ণ ভোগদখল বজায় রাখতে প্রশাসনের এবং সর্বমহলের সহযোগিতা কামনা করেন।

‎উল্লেখ্য, এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে স্থানীয় বাগানবাড়ি রেস্টুরেন্টে জলিল মাহমুদ নামে এক ব্যক্তি সংবাদ সম্মেলন করে শেখ আহমদ আফজালের বিরুদ্ধে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে স্থাপনা নির্মাণ ও নামজারি নেওয়ার মিথ্যা অভিযোগ তোলেন।

‎পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে শেখ আহমদ আফজাল সেই ভিত্তিহীন অভিযোগ জোরালোভাবে অস্বীকার করে বলেন, একটি পক্ষ আদালতের রায় ও বৈধ কাগজপত্রকে আড়াল করতে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে।


দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে এক উপজেলা
যুবদলের আহ্বায়ক বহিষ্কার


‎
‎মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন ঝাড়ুকে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল।

‎বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে পাঠানো কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত) মিনহাজুল ইসলাম ভুঁইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
‎
‎বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে মহিউদ্দিন ঝাড়ুকে এর আগে সতর্ক করা হয়েছিল। তবে সতর্ক করার পরও তিনি পুনরায় দলীয় কর্মসূচিতে অনুপস্থিত থাকেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
‎
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন বহিষ্কারাদেশ কার্যকর করেন।
‎
‎বিজ্ঞপ্তির নির্দেশনায় বলা হয়, বহিষ্কৃত নেতার কোনো অপকর্মের দায় সংগঠন বহন করবে না। একই সঙ্গে যুবদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে তার সঙ্গে সব ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক ছিন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


স্কুলছাত্রী অপহরণ,
১২ ঘন্টার ব্যবধানে উদ্ধার,
মূল আসামি গ্রেপ্তার


‎মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে(১২) অপহরণের মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-৯)। একই অভিযানে অপহৃত ছাত্রীকে মৌলভীবাজার সদর এলাকা থেকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

‎গ্রেপ্তার আসামী মো. রনি মিয়া (২৫) শ্রীমঙ্গল উপজেলার হুগলিয়া গাজীপুর এলাকার আনোয়ার মিয়ার ছেলে।

‎শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে এসআরবি-৯ সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মিডিয়া কর্মকর্তা এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

‎এসআরবি-৯ এর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ সেপ্টেম্বর ওই স্কুলছাত্রী(১২) কোচিংয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তার সন্ধান না পেয়ে বাবা শ্রীমঙ্গল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে মেয়েকে অপহরণের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন তিনি।
‎
‎মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে অভিযান চালায় এসআরবি-৯-এর সিপিসি-২ (শ্রীমঙ্গল) এবং এসআরবি-১১-এর সিপিসিএস (নারায়ণগঞ্জ) যৌথ দল। নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার মদনপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারনামীয় প্রধান আসামি রনি মিয়াকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
‎
‎পরে গ্রেপ্তারকৃত আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে মৌলভীবাজার সদর থানার মোস্তফাপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপহৃত স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়।
‎
‎এসআরবি-৯ জানায়, উদ্ধার হওয়া ছাত্রী ও গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় সংবাদ

তারকা বিনোদন ২ গীতাঞ্জলী মিশ্র

বাংলা দেশের পাখী

বাংগালী জীবন ও মূল ধারার সংস্কৃতি

আসছে কিছু দেখতে থাকুন

© All rights reserved © 2021 muktokotha
Customized BY KINE IT