1. muktokotha@gmail.com : Harunur Rashid : Harunur Rashid
  2. isaque@hotmail.co.uk : Harun :
  3. harunurrashid@hotmail.com : Muktokotha :
জেলার অবহেলিত কমিউনিটি ক্লিনিক, সেবা পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার! - মুক্তকথা
রবিবার, ২১ জুলাই ২০২৪, ১১:০৩ পূর্বাহ্ন

জেলার অবহেলিত কমিউনিটি ক্লিনিক, সেবা পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার!

হোসাইন আহমদ, মৌলভীবাজার॥
  • প্রকাশকাল : বুধবার, ২৩ জুন, ২০২১
  • ১৩৪৫ পড়া হয়েছে

দেশের প্রান্তিক জনগোষ্টির প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার একমাত্র ভরসার জায়গা কমিউনিটি ক্লিনিক। কোভিড-১৯ এ ওই সব ক্লিনিকের গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়। ক্লিনিকে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সেবা, প্রজনন স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা সেবা, টিকাদান কর্মসূচি, পুষ্টি, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরামর্শসহ প্রাথমিক সেবা দেয়ার নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে মৌলভীবাজারের কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মীদের অবহেলায় পুরো জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের স্বাস্থ্য সেবা ভেঁঙ্গে পড়েছে। ফলে নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। অভিযোগ আছে সিএইচসিপি কর্মীরা সপ্তাহে ১ দিন কিংবা ২ দিন কমিউনিটি ক্লিনিকে আসেন। আবার কোনো কোনো ক্লিনিক মাসে ৮/১০ দিন খোলা হয়। স্বাস্থ্য সহকারী ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মীরা কেউ কেউ মাসেও একদিন ক্লিনিকে আসেন না। সূত্র বলছে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের উদাসিনতা ও দায়িত্বহীনতায় এমনটি হচ্ছে। জেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ কেউই সঠিকভাবে তদারকি করছেন না।

এদিকে কোনো উপায় না পেয়ে জেলার সাধারণ মানুষ প্রাইভেট হাসপাতাল ও চেম্বারে ডাক্তারের স্মরণাপন্ন হচ্ছেন। এতে খরচ হয় দিগুণ থেকে তিন গুণ টাকা। সময় মতো চিকিৎসা না পেয়ে জটিল রোগেও আক্রান্ত হচ্ছে অনেকে।

জেলা সিভিল সার্জন সূত্রে জানা যায়, মৌলভীবাজারে ১৭৯টি কমিউনিটি ক্লিনিক চালু রয়েছে। প্রস্তাবিত আছে আরও ২৫টি। প্রতিটি ক্লিনিকে ১জন সিএইচসিপি, ১ জন পরিবার পরিকল্পনা কর্মী ও ১জন স্বাস্থ্য সহকারী রয়েছেন। নিয়ম অনুযায়ী সিএইচসিপি কর্মীরা সরকারি বন্ধের দিন পরে বাকী দিনে দায়িত্ব পালন করার কথা। পরিবার পরিকল্পনা কর্মী ও স্বাস্থ্য সহকারীরা সপ্তাহে দুই দিন কমিউনিটি ক্লিনিকে এবং অবশিষ্ট দিনে মাঠে কাজ করার নির্দেশনা রয়েছে। অথচ স্বাস্থ্য সহকারী ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মীরা মাসের প্রথম অথবা শেষে একদিন কমিউনিটি ক্লিনিকে গিয়ে হাজিরা খাতায় পুরো মাসের স্বাক্ষর দিয়ে আসেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, আ লিক সড়ক, উপজেলা সদরের পার্শ্ববর্তী ও বাজারের পাশে অবস্থিত ক্লিনিকগুলোতে কিছুটা সরকারি নিয়মনীতি মেনে সেবা কার্যক্রম চললেও প্রত্যন্ত অ লের ক্লিনিক সপ্তাহে ১/২ দিন খোলা হয়। মাঝে মধ্যে ক্লিনিকে কর্মরত সিএইচসিপি কর্মীরা যান এবং স্বাস্থ্য সহকারী ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মীরা টানা কয়েক দিন অনুপস্থিত থাকেন। সকালে অফিস খোলার জন্য কম টাকা বেতনে গ্রামের একটি মেয়ে রাখেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। ওই মেয়ে সকাল ১০টায় এসে ক্লিনিক খোলে বসে।

সরেজমিন রাজনগর উপজেলার পাঁচগাঁও ইউনিয়নের হাজিগঞ্জ বাজার কমিউনিটি ক্লিনিকে বুধবার(১৬ জুন) সকাল ১১.২০ মিনিটে গিয়ে বন্ধ পাওয়া যায়। এ সময় আশপাশের লোকদের সাথে কথা হলে তারা জানান ক্লিনিকে সেবা পাওয়া আমাদের এলাকাবাসীর ভাগ্যের ব্যাপার। দিনের পর দিন ক্লিনিক বন্ধ থাকে। খোঁজ নিয়ে আরো জানা যায় এমন চিত্র শুধু হাজিগঞ্জ ক্লিনিকে নয় জেলার সিংহভাগ ক্লিনিকের একই চিত্র।
হাজিগঞ্জ বাজারের পার্শ্ববর্তী পশ্চিমভাগ গ্রামের লিটন মিয়া, পিপলু আহমদ, এনামুল, আকলিচ সহ একাধিকজন বলেন, ১ জন এসে মাসে ১/২ দিন খোলেন। আর কোনো কর্মীকে কখনও দেখিনি। কমলগঞ্জ উপজেলার খামদপুর, রানী বাজার, বনগাঁও, পাত্রখলা, ছয়কুট ও চৈত্রঘাট কমিউনিটি ক্লিনিকে একই অবস্থা।

মৌলভীবাজার পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, অনেক সময় প্রোগ্রাম ও ট্রেনিং থাকায় আমার কর্মীরা উপস্থিত হতে পারে না। তবে কোনো ভাবে দায়িত্ব এড়ানোর সুযোগ নেই। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কমিউনিটি ক্লিনিকে মূল দায়িত্ব পালন করার কথা সিএইচসিপি কর্মীদের।

এবিষয়ে সিভিল সার্জন ডাঃ চৌধুরী জালাল উদ্দিন মুর্শেদ বলেন, করোনা থাকায় প্রত্যন্ত অঞ্চলে ভিজিট করতে পারছি না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ভিজিট করে দোষিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ জাতীয় সংবাদ

তারকা বিনোদন ২ গীতাঞ্জলী মিশ্র

বাংলা দেশের পাখী

বাংগালী জীবন ও মূল ধারার সংস্কৃতি

আসছে কিছু দেখতে থাকুন

© All rights reserved © 2021 muktokotha
Customized BY KINE IT