1. muktokotha@gmail.com : Harunur Rashid : Harunur Rashid
  2. isaque@hotmail.co.uk : Harun :
  3. harunurrashid@hotmail.com : Muktokotha :
আগুনে ঘর পুড়ে ছাই, প্রবাসীর স্ত্রীর অভিযোগ, ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম, ভ্রাম্যমাণ আদালত ও আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা। - মুক্তকথা
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আগুনে ঘর পুড়ে ছাই, প্রবাসীর স্ত্রীর অভিযোগ, ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম, ভ্রাম্যমাণ আদালত ও আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা। কারণ দর্শানোর বিজ্ঞপ্তি! কঠোর হওয়ার সতর্কবার্তা। তরুণীর আত্মহত্যা, মা সম্মাননা, ব্যবসায়ী সমিতির শপথ গ্রহণ, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও সাপের বাচ্চা উদ্ধার। ট্রেনের ধাক্কায় এক বৃদ্ধা নিহত। ভ্রাম্যমাণ আদালতের ৯ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা। চার খুনসহ সকল হত্যা-ধর্ষনের বিচার ও গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে গণতান্ত্রিক যুক্ত ফ্রন্ট মৌলভীবাজার জেলার বিক্ষোভ গুণীজন সংবর্ধনা, যুবকের আত্মহত্যা, টমটম চালকের মরদেহ উদ্ধার, মামলা আপোষের জন্য হুমকি-ধামকি ও আজীবনদাতার একাডেমি দেখা। সাংবাদিক হত্যার চেষ্টা, বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও দুর্ধর্ষ চুরি। জেলা চা-শ্রমিক ফেডারেশনের বিক্ষোভ সমাবেশ ধরা পড়েছে ৩ ডাকাত, ২জনের কারাদণ্ড, ১৩লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ী জব্দ, বালু জব্দ আর এক মাদক ব্যবসায়ী আটক চেয়ারম্যান বরাবর চা শ্রমিক ফেডারেশনের স্মারকলিপি, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান থেকে গাছচুরি, সভাপতি আনিস সম্পাদক সালেহ, রেবের এয়ারগান উদ্ধার ও শমসেরনগরে হামলায় আহত ১

আগুনে ঘর পুড়ে ছাই, প্রবাসীর স্ত্রীর অভিযোগ, ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম, ভ্রাম্যমাণ আদালত ও আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা।

প্রনীত রঞ্জন দেবনাথ।
  • প্রকাশকাল : শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ০ পড়া হয়েছে

আগুনে বসতঘর পুড়ে ছাই, ক্ষতিগ্রস্ত ৩টি ঘর


মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ৩নং মুন্সিবাজার ইউনিয়নের হরিশ্বরণ গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে বাসন্তী শব্দকরের একটি ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে হরিশ্বরণ গ্রামে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়লে বাসন্তী শব্দকর, শেফালী শব্দকর ও দিলীপ শব্দকরের তিনটি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এসময় বাসন্তী শব্দকরের পুরো ঘরটি আগুনে পুড়ে যায়।
তবে কী কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বর্তমানে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। তারা উপজেলা প্রশাসনের কাছে সরকারি সহযোগিতার দাবি জানিয়েছেন।

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সন্দ্বীপ তালুকদার জানান, ঘটনাটি জানার পর স্থানীয় চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে খোঁজখবর নিতে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো সরকারি সহযোগিতা পাবেন বলেও জানান তিনি।


সংবাদ সম্মেলনে প্রবাসীর স্ত্রী’র অভিযোগ;
সীমানা দেয়াল নির্মাণ না করায় হামলা, লুটপাট;
মামলা প্রত্যাহারে প্রতিপক্ষের হুমকির দাবি

বাড়ির বাউন্ডারী দেয়াল না করায় হামলা, মারধোর ও লুটপাটের মামলা প্রত্যাহারে প্রতিপক্ষ হুমকি প্রদান করছে বলে অভিযোগ করেছের প্রবাসীর স্ত্রী মুন্নি আক্তার। কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর ইউনিয়নের বাদে সোনাপুর গ্রামে গত ২৪ আগষ্ট রাত ৯ঘটিকায় পার্শ্ববর্তী বাড়ির সাকিল মিয়াসহ অন্যান্যরা হামলা ও লুটপাটের অভিযোগে মৌলভীবাজার আদালতে মামলা দায়ের করেন প্রবাসীর স্ত্রী। গতকাল বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সাংবাদিক সমিতির কমলগঞ্জ ইউনিট কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রতিপক্ষের হুমকির অভিযোগ করেন তিনি।

লিখিত বক্তব্যে মুন্নি আকার বলেন, আমি একজন নিরীহ মহিলা। আমার স্বামী প্রবাসে থাকায় আমার তিন সন্তান নিয়ে বাড়ির দেখভাল সবকিছুর দায়দায়িত্ব একা পালন করছি। আমার প্রতিপক্ষ পার্শ্ববর্তী বাড়ির রফি মিয়ার ছেলে সাকিল মিয়া (২৩), রফি মিয়া (৪৮), শুকুর মিয়া (২৫) ও রফি মিয়ার স্ত্রী হেনা বেগম (৪৩) বাড়ির সীমানা ও বাউন্ডারী দেয়াল নির্মাণ করার চাপ প্রয়োগ করছেন। বাউন্ডারী দেয়াল নির্মান না করায় তারা নানা সময়ে আমাকে গালিগালাজ ও হুমকি ধামকি প্রদান করছে। রাতে ঘরে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে ভয়ভীতি সৃষ্টি করে। এই বিরোধকে কেন্দ্র করে গত ২৪ আগষ্ট সোমবার রাত ৯ঘটিকায় সাকিল মিয়া আমাকে ডেকে ঘর থেকে বের করে। এরপর সে আমাকে বাউন্ডারী ওয়াল নির্মাণের চাপ প্রয়োগ করে। আমার স্বামী বিদেশ থেকে আসার পর বাউন্ডারী ওয়াল নির্মাণ করবো বললে সাকিল মিয়া, রফি মিয়া, শুকুর মিয়া ও হেনা বেগম উত্তেজিত হয়ে অশালিনভাষায় গালিগালাজ করে। এর প্রতিবাদ জানালে তারা সকলে মিলে লোহার রড ও বাঁশের লাটি দিয়ে আমাকে মারধোর ও কিল ঘুষি মারে এবং টানা হেচড়া করে। তাদের আঘাতে আমার বাম হাতে রক্তাক্ত জখম হয়। পরবর্তীতে সাকিল মিয়াসহ সকলে মিলে আমার ঘরে প্রবেশ করে স্টিলের আলমিরা ভেঙ্গে এক ভরি স্বর্নের চেইন ও নগদ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, প্রতিপক্ষের হামলায় আমি গুরুতর আহত হলে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা শেষে পরদিন ২৫ আগষ্ট মৌলভীবাজার আদালতে ওই চার জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করি। মামলা দায়ের করার পর মামলা তুলে নিতে তারা আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি প্রদান করছে। তাদের হুমকি ধামকির কারনে বাধ্য হয়ে সাত ধারা মামলা দায়ের করি। এরপরও প্রতিপক্ষ তাদের আত্মীয় স্বজন নিয়ে আমার বিরুদ্ধে মানববন্ধনসহ বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি সৃষ্টি করে মামলা উত্তোলনে পরোক্ষভাবে চাপ সৃষ্টি করছে। গ্রামের আবু তাহের ও বক্কর মিয়াসহ অন্যান্যরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও আমার বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে পোস্ট দিয়ে দুর্নাম ছড়াচ্ছে। প্রতিপক্ষের এহেন কার্যক্রমে আমার মামলার তদন্তে ও মামলা পরিচালনা এবং ন্যায়বিচার বিঘেœর আশঙ্কা হচ্ছে। ন্যায় বিচারের স্বার্থে তদন্ত পূর্বক প্রশাসনের ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানান তিনি।
তবে অভিযোগ বিষয়ে সাকিল মিয়াসহ অন্যান্যরা বলেন, মহিলার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত। মূলত বাঁশ কাটা নিয়ে ঝগড়া হলেও কোন ধরনের মারামারি ও হামলা, মামলার কোন ঘটনা ঘটেনি। এরপর একটি ঘটনা সাজিয়ে মহিলা উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। মহিলার অভিযোগকৃত সাজানো ঘটনা এলাকার কেউই জানেন না। মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদেরকে হয়রানি ও আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত করানোর অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।


 

ফ্যামিলি কার্ড শুমারির ফলাফল প্রকাশ ঘিরে বিতর্ক;
অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ



মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ‘ফ্যামিলি কার্ড শুমারি-২০২৬’-এর সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারী পদে নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ ঘিরে ব্যাপক অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও যোগ্যদের বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘ সময় ঝুলে থাকার পর গত ৭ সেপ্টেম্বর ফলাফল প্রকাশ করা হলে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষের জন্ম দিয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড শুমারি পরীক্ষার ফলাফলে অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছেন স্থানীয় সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
জানা গেছে, চলতি বছরের গত ২৯ জুলাই প্রার্থীদের মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল। তবে দীর্ঘ দেড় মাস পর গত ৭ সেপ্টেম্বর উপজেলা নির্বাচন কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সন্দীপ তালুকদার, সদস্য-সচিব ও উপজেলা সমাজসেবা অফিসার ইউসুফ মিয়া, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সামছুন নাহার পারভীন এবং উপজেলা আইসিটি অফিসার মোঃ রকিবুল হকের যৌথ স্বাক্ষরে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়।
ফলাফল প্রকাশের পরপরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন বঞ্চিত প্রার্থী ও স্থানীয় সচেতন মহল। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের প্রভাব ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার স্বজনপ্রীতির মাধ্যমেই পছন্দের ব্যক্তিদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এমনকি পরীক্ষায় অংশ না নেওয়া ব্যক্তিকেও সুপারভাইজার হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে বলে ফেসবুকে প্রকাশ্য অভিযোগ উঠেছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শরীফ মোয়াজ নামে এক ব্যক্তি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সন্দীপ তালুকদারকে উদ্দেশ্য করে লেখেন, “আপনি কীভাবে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ছাড়া ফ্যামিলি কার্ড শুমারির সুপারভাইজার সিলেক্ট করলেন? কাদের নির্দেশে আপনি এটা করার সাহস পেলেন, তার চেহারা কমলগঞ্জের সাধারণ জনগণ সবাই চেনে।”

তথ্য সংগ্রহকারী পদে অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকা শমসেরনগর ইউনিয়নের দেওছড়া চা বাগানের বাসিন্দা অমৃত রবিদাস, ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এটা স্পষ্টত মেধাবী পরীক্ষার্থীর সঙ্গে তামাশা। জনশুমারি, গৃহগণনা ও অর্থনৈতিক শুমারিতে কাজ করার অভিজ্ঞতাও আমার রয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড শুমারি-2026’-এর তথ্য সংগ্রহকারী পদে সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি। আমাকে আশ্বাসও দিয়েছিল ভাইভা বোর্ড। কিন্তু ফলাফল শিটে আমাকে কেন অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছে? আমরা রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ প্রক্রিয়ার এই অনিয়মের প্রতিবাদ জানাই। অনতিবিলম্বে ফলাফল পুনর্বিবেচনা চাই।’

পূর্বে বিভিন্ন জাতীয় জরিপে কাজের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন প্রার্থীরাও এই ফলাফলে চরম হতাশা প্রকাশ করেছেন। এম এ জুলফিকার আলী নামে এক প্রার্থী ফেসবুক পোস্টের কমেন্টে লেখেন, ৩-৪টি অভিজ্ঞতা সনদ থাকা সত্ত্বেও বাদ পড়ার তালিকায় পড়লাম। আদমশুমারি, খানাশুমারি, জনশুমারি ও অর্থনৈতিক শুমারিতে গণনাকারী ও সুপারভাইজার হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতা এবং সনদ থাকা সত্ত্বেও আমাকে মূল তালিকায় রাখা হয়নি, রাখা হয়েছে অপেক্ষমাণ তালিকায়।

অন্যান্য ক্ষুব্ধ প্রার্থীরা বলেন, মেধা ও দক্ষতার তোয়াক্কা না করে অদক্ষ এবং পূর্বে কোনো জরিপের অভিজ্ঞতা না থাকা ব্যক্তিদের চূড়ান্ত তালিকায় স্থান দেওয়া হয়েছে। ফুলবাড়ি চা বাগানসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকেও একই ধরনের বৈষম্য ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সন্দীপ তালুকদার বলেন, আমাদের যেভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, সেভাবেই পুরো শুমারির জন্য স্বেচ্ছাসেবক তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার তালিকা প্রস্তুতের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এখানে ব্যক্তিকেন্দ্রীক কোনো স্বজনপ্রীতি বা অনিয়মের সুযোগ ছিল না।

দুই খাদ্য প্রতিষ্ঠানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান,
দেড় লাখ টাকা জরিমানা



মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শমসেরনগর বাজারে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করে দুটি খাদ্য প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শমসেরনগর বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করেন মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মোক্ষছেদ উল্লাহ।

অভিযানে শমসেরনগর বাজারে আলীबाबा রেস্টুরেন্টে প্রয়োজনীয় রেস্তোরাঁ লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা পরিচালনা, বিএসটিআই লাইসেন্স ব্যতীত দইসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য উৎপাদন, খাদ্যে বিভিন্ন রঙ ব্যবহার, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখসহ প্রয়োজনীয় লেবেল না থাকা এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য সংরক্ষণ ও পরিবেশনের গুরুতর অনিয়মসহ বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে প্রতিষ্ঠানটিকে নিরাপদ খাদ্য আইনে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।

অপরদিকে, একই অভিযানে সীমা আইসক্রিম ফ্যাক্টরিতে বিএসটিআই লাইসেন্স ছাড়া আইসক্রিম উৎপাদন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন, উৎপাদনস্থলে টয়লেটে ব্যবহৃত বদনা পাওয়াসহ বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয় এবং জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়। এ নিয়ে পৃথক ২টি মামলায় সর্বমোট ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মোক্ষছেদ উল্লাহ জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ এবং ভোক্তাদের অধিকার সংরক্ষণে আইন লঙ্ঘনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত



“মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কমলগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর উদ্যোগে দিবসটি পালিত হয়। মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সন্দীপ তালুকদারের সভাপতিত্বে ও সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মীর আব্দুল্লাহ আল মামুনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এনামুর রহিম বাবর, সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সোমা ভট্টাচার্য, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ আবুল হোসেন, কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আহমেদউজ্জামান আলম, প্রধান শিক্ষক ছন্দা বেগম, অসমঞ্জু প্রসাদ রায় চৌধুরী, সহকারী শিক্ষক নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত সমাজ গঠনে নিরক্ষরতা দূরীকরণের বিকল্প নেই। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এবং দেশের প্রতিটি নাগরিককে মানবসম্পদে রূপান্তরিত করতে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেবল অক্ষরজ্ঞানই নয়, বরং জীবনমুখী ও কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে মানুষকে স্বনির্ভর করে তোলাই বর্তমান সময়ের বড় চ্যালেঞ্জ। সভায় বক্তারা কমলগঞ্জ উপজেলার শতভাগ মানুষকে সাক্ষরতার আওতায় আনার জন্য সরকারি প্রচেষ্টার পাশাপাশি স্থানীয় সামাজিক সংগঠন ও শিক্ষকদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় সংবাদ

তারকা বিনোদন ২ গীতাঞ্জলী মিশ্র

বাংলা দেশের পাখী

বাংগালী জীবন ও মূল ধারার সংস্কৃতি

আসছে কিছু দেখতে থাকুন

© All rights reserved © 2021 muktokotha
Customized BY KINE IT