1. muktokotha@gmail.com : Harunur Rashid : Harunur Rashid
  2. isaque@hotmail.co.uk : Harun :
  3. harunurrashid@hotmail.com : Muktokotha :
কমলগঞ্জের শত-কথা... - মুক্তকথা
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:০২ অপরাহ্ন

কমলগঞ্জের শত-কথা…

প্রনীত দেবনাথ
  • প্রকাশকাল : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২ পড়া হয়েছে

নিজ এলাকায় উন্নয়ন কর্মসূচীর উদ্ধোধন করলেন হাজী মুজিব এমপি


মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচীর শুভ উদ্বোধন করেন মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী (হাজী মুজিব)।

গেলো সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল ১০টায় উপজেলা কৃষি অফিস আয়োজিত আউশ ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ, সকাল ১১টায় আদমপুর ইউনিয়নের ছনগাঁও (হেরিং বোন বন্ড) রাস্তার ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন, দুপুর ১২টায় মুন্সীবাজার ইউনিয়নের রুপসপুর রাস্তার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, দুপুর ১টায় রামেশ্বরপুর রাস্তা উদ্ধোধন, বেলা ২টায় প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে পতনঊষার ইউনিয়নে বাগজুর খাল খনন কর্মসূচীর শুভ উদ্বোধন করেন।

বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী (হাজী মুজিব) বলেন, এলাকার সার্বিক উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। বিএনপি সরকার কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী।

এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আসাদুজ্জামান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক, মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য মো: দুরুদ আহমদ, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক অলি আহমদ খানসহ স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, সদস্য ও স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।


দুবৃর্ত্তের আগুনে পুড়ে ছাই কৃষকের স্বপ্ন
৫ লক্ষাধিক টাকার কৃষি উপকরণ নষ্ট


মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের পাত্রখোলা চা বাগানে এক পৈশাচিক নাশকতার ঘটনা ঘটেছে। বাগানের পরিত্যক্ত জমিতে হাড়ভাঙা খাটুনি দিয়ে গড়ে তোলা কৃষক সাদেক মিয়ার টমেটো ক্ষেতে গত মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সন্ধ্যার পরে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা। এতে ৫ লক্ষাধিক টাকার কৃষি উপকরণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

সরজমিনে খোঁজ নিয়ে ও স্থানীয়দের সাথে আলাপ করে জানা যায়, কৃষক সাদেক হোসেন, চেরাগ মিয়া ও কাজল মিয়া দীর্ঘ পরিশ্রম ও ধার-দেনা করে পাত্রখোলা চা বাগানের পরিত্যক্ত জমিতে টমেটোসহ বিভিন্ন মৌসুমী সবজির চাষ করে অর্থনৈতিক সাফল্যের স্বপ্ন দেখছিলেন। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূর্ণ হওয়ার আগেই রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা আগুন লাগিয়ে পুরো ক্ষেতটি জ্বালিয়ে দেয়। বুধবার সকালে নিজের সাজানো ক্ষেত পুড়তে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন নিঃস্ব হওয়া কৃষকরা। খবর পেয়ে কমলগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

কৃষক সাদেক জানান, টমেটো গাছ লাগানোর জন্য ৭০ হাজার বাঁশের খুঁটি, ২০টি কীটনাশক স্প্রে মেশিন, ৬০ বান্ডিল মালচিং পেপারসহ ৫ লক্ষাধিক টাকার কৃষি উপকরণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তারা এখন ঋণের বোঝা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় আছেন।
কৃষক আব্দুল মতিন, জুবেল মিয়া, জাহাঙ্গীর হোসেন, মিনার মিয়া, সবুজ মিয়া প্রমুখ জানান, তারা শতাধিক কৃষক কয়েক বছর ধরে পাত্রখোলা চা বাগানের পরিত্যক্ত জমিতে চাষাবাদ করে আসছেন। সম্প্রতি চা বাগান ম্যানেজার তাদেরকে এ জমিতে চাষাবাদ করতে বাধা প্রদান করেন। কৃষকরা কিছু সময় চেয়েছেন। কিন্তু এরমধ্যেই এরকম পৈশাচিক কর্মকান্ডে তারা হতবিহ্বল।

কৃষক সাদেক হোসেন, আব্দুল মতিনসহ নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন কৃষক অভিযোগ করেন, আগুন দিয়ে কৃষকদের সর্বস্বান্ত করার হীন প্রচেষ্টায় বাগান ম্যানেজার জড়িত। কেউ কেউ মনে করছেন ম্যানেজারের নির্দেশে গত মঙ্গলবার রাতের আধাঁরে এ ঘটনা ঘটে।
তবে পাত্রখোলা চা বাগান ম্যানেজার ইউসুফ আলী চা বাগানের বাইরের কৃষকদেরকে আর চাষাবাদ না করতে বলেছেন জানিয়ে কৃষি উপকরণ পোড়ানোর ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ অস্বীকার করেন।

এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জয়ন্ত রায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রণোদনাসহ সহায়তার আশ্বাস দেন। এলাকাবাসী এ জঘন্যতম ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তারা দ্রুত এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।


বিনামূল্যে চক্ষু শিবির


মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার পতনঊষার শহীদনগর বাজারে বিনামূল্যে চক্ষু শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১১ এপ্রিল (শনিবার) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত গ্রামবাংলা সমাজ কল্যাণ পরিষদের আয়োজনে ও মৌলভীবাজার বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের চিকিৎসা সেবায় ২৯তম বিনামূল্যে চক্ষু শিবির অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় পাঁচ  শতাধিক রোগীকে এ সেবা প্রদান করা হয়েছে। এ সময় ৮০ জন বাছাইকৃত ছানিপড়া রোগীকে বিনামূল্যে অপারেশনের জন্য মৌলভীবাজার বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালে পাঠানো হয়। এছাড়া প্রায় ১২০ জন রোগীকে চশমা বিতরণ করা হয়।

গ্রামবাংলা সমাজকল্যাণ পরিষদের সভাপতি ও কমলগঞ্জ উপজেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আব্দুল হান্নান চিনুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পতনউষার ইউপি চেয়ারম্যান অলি আহমদ খান। সাংবাদিক মাহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ডা: ইমরান আলম, ডা: মো. মোজাহের হুসেন, সমাজ সেবক হিফজুর রহমান বকস, সোলেমান আহমেদ, আনোয়ার খান, কামরান আহমেদ  জুয়েল বকস, জুনেদ আহমদ প্রমুখ।

এ বিষয়ে গ্রামবাংলা সমাজকল্যাণ পরিষদের সভাপতি আব্দুল হান্নান চিনু বলেন, আমরা দীর্ঘ ২৯ বছর ধরে মৌলভীবাজার বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের চিকিৎসা সেবায় বিনামূল্যে চক্ষু শিবির করে আসছি। এখানে প্রতি বছর ৬০ থেকে ১০০ জন ছানি পড়া রোগীকে বিনামূল্যে অপারেশন করা হয়। আমাদের এ কাজে দূরদূরান্ত থেকে অনেক রুগী আসেন।


দেওড়াছড়া চা বাগানে ৩ সপ্তাহ ধরে মজুরী বন্ধ;
শ্রমিকদের আন্দোলন; অফিসে তালা


মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের বাংলাদেশ টি বোর্ডের নিয়ন্ত্রাধীন দেওড়াছড়া চা বাগানে ৩ সপ্তাহ ধরে চা শ্রমিকদের তলব বা মজুরী প্রদান না করায় বাগানের শ্রমিকরা বিক্ষোভ ও আন্দোলন করেন। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা অফিসের মেইন গেইটে তালা ঝুলিয়ে দেন। বিকেলে পেমেন্ট পাওয়া শুরু হলে শ্রমিকরা আন্দোলন থেকে সরে আসে।

জানা যায়, মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের দেওড়াছড়া চা বাগানে গত ৩ সপ্তাহ ধরে শ্রমিকদের মজুরী প্রদান করতে পারছেননা। এতে করে বিপাকে পড়েছেন কয়েক শতাধিক চা শ্রমিক। চা শ্রমিকরা মজুরী প্রদানের দাবী জানালেও বাগান কৃতর্পক্ষ নিশ্চুপ রয়েছে। দেওড়াছড়া চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটির পক্ষ হতে গত ১২ এপ্রিল শ্রম অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বরাবর একটি লিখিত আবেদন জানিয়ে ছিল। কিন্তু ৪/৫ দিন অতিবাহিত হলেও কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় বৃহস্পতিবার সকালে চা বাগানের বিক্ষুদ্ধ শ্রমিকরা বাগানের অফিসের সামনে অবস্থান নেয়। এক পর্যায়ে অফিসের মূল ফটকে তালা লাগিয়ে দেয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত চা শ্রমিকরা অফিসের সামনে অবস্থান করছেন।

দেওড়াছড়া চা বাগান সূত্রে জানা যায়, এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহে বাগানের একজন অনিয়মিত নারী শ্রমিক চিকিৎসারত অবস্থায় মারা যান। বাগানের পক্ষ থেকে ঐ নারীকে প্রায় ১১ হাজার টাকা চিকিৎসা বাবত দেওয়া হয়। এঘটনার পর থেকে বিষয়টি নিয়ে কয়েকজন শ্রমিক আন্দোলন করে। ভারপ্রাপ্ত বাগান ব্যবস্থাপকের অপসারণ চান। এঘটনার পর নিরাপত্তা জনিত কারণে ভারপ্রাপ্ত বাগান ব্যবস্থাপক কোম্পানী বরাবরে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে চলে যান। যেহেতু বাগানে ব্যবস্থাপক নেই এজন্য শ্রমিকদের মজুরি আটকা পড়েছে।

দেওড়াছড়া চা বাগানের পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি সুবুধ কর্মী জানান, ৩ সপ্তাহ ধরে তলব বন্ধ। কয়েক শতাধিক চা শ্রমিক কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। আমরা লিখিত আবেদন করেছি মজুরী দিতে, তারপরও দেয়া হয়নি। তাই বাধ্য হয়েই চা শ্রমিকরা আন্দোলনে নেমেছেন। বর্তমানে চা বাগান কাজ বন্ধ রেখেছে চা শ্রমিকরা।

রহিমপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সিতাংশু কর্মকার দেওড়াছড়া চা বাগানের শ্রমিক আন্দোলনের কথা স্বীকার করে বলেন, মজুরীর দাবীতে অফিস তালা দিয়েছে বিক্ষুদ্ধ চা শ্রমিকরা। কিছু দিন পূর্বে এক চা শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনার জের ধরে বাগান ম্যানেজমেন্ট ৩ সপ্তাহ ধরে তলব বন্ধ রেখেছে। অবশেষে কোম্পানীর নির্দেশে বৃহস্পতিবার বিকেলে পেমেন্ট দিলে শ্রমিকরা আন্দোলন থেকে সরে যায়।

এ ব্যাপারে দেওড়াছড়া চা বাগানের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপক জহিরুল ইসলাম বলেন, নারী চা শ্রমিক মারা যাওয়ার পর কয়েকজন মিলে ঘটনার দায় আমার উপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে আমাকে শারিরীক লাঞ্ছিত করার চেষ্টা করছে। এ ঘটনার পর আমি নিরাপত্তাহীনতায় ছিলাম। এর পর ছুটি নিয়ে আমি চলে আসি। আগামী শনিবার পর্যন্ত আমার ছুটি আছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বাংলাদেশ টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. আশরাফুল ইসলাম সংবাদ মাধ্যমকে জানান, নিরাপত্তার কারণে দেওড়াছড়া চা বাগানের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপক কিছুদিন পূর্বে পদত্যাগ পত্র কোম্পানীর কাছে জমা দিয়েছে। নতুন ব্যবস্থাপক দ্রুত সময়ের মধ্যে নিয়োগ প্রদানের চেষ্টা চলছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে দেওড়াছড়া চা বাগানের শ্রমিকদের মজুরী প্রদান করা হয়।


স্থানীয় জনপ্রিয় বাঁশী বাদক মদিনার মৃত্যু,
এলাকায় শোকের ছায়া


মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার পরিচিত মুখ, জনপ্রিয় বংশি বাদক মদিনা(৭০) আর নেই। গত বুধবার (১৫ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটের সময় উপজেলার ভেড়াছড়া গ্রামের নিজ বাড়িতে স্ট্রোকজনিত (‘সন্ন্যাস রোগ’, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ) কারণে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর আগের দিন পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে উত্তর বালিগাঁওসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তিনি। নিজস্ব ঢঙে বাঁশি বাজিয়ে গান পরিবেশন করে দর্শকদের মুগ্ধ করতেন এবং শেষ সময় পর্যন্ত মানুষকে বিনোদন দিয়ে গেছেন।

বংশি বাদক মদিনা দীর্ঘদিন ধরে এলাকার সাংস্কৃতিক অঙ্গনের এক পরিচিত নাম ছিলেন। বাঁশি বাজিয়ে গান পরিবেশন, ছোটখাটো সার্কাস প্রদর্শন, মাইকিংসহ বিভিন্ন মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মাঝে আনন্দ ছড়িয়ে দিতেন তিনি। তার বিশেষ কৌশল ছিল একটি মুদ্রা দিয়ে একাধিক মুদ্রা তৈরি করার জাদু দেখানো, যা শিশু-কিশোরসহ সব বয়সী মানুষের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় ছিল।

জীবিকার তাগিদে তিনি কখনো আইসক্রিম, বাদাম, আচারসহ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী বিক্রি করতেন। লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবপুর লেক, বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমানের স্মৃতিসৌধ, হামহাম জলপ্রপাত ও ক্যামেলিয়া লেকসহ বিভিন্ন পর্যটন এলাকায় ঘুরে ঘুরে গান শোনানো ও ছোটখাটো পণ্য বিক্রির মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

এলাকার মানুষের কাছে তিনি ছিলেন অত্যন্ত হাসিখুশি, প্রাণবন্ত ও সাদা মনের মানুষ। তাকে দেখলেই মানুষ বলতো “মদিনা ভাই, বাঁশি বাজিয়ে গান শোনান” কিংবা “একটা সার্কাস দেখান।” তিনি কখনো কাউকে নিরাশ করতেন না; বরং হাসিমুখে সবার অনুরোধ রাখতেন।

বংশিবাদক মদিনার মৃত্যুতে কমলগঞ্জ উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা জানান, তিনি ছিলেন একজন নিরহংকার ও বিনোদনপ্রিয় মানুষ, যার উপস্থিতি সব সময় পরিবেশকে প্রাণবন্ত করে তুলত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় সংবাদ

তারকা বিনোদন ২ গীতাঞ্জলী মিশ্র

বাংলা দেশের পাখী

বাংগালী জীবন ও মূল ধারার সংস্কৃতি

আসছে কিছু দেখতে থাকুন

© All rights reserved © 2021 muktokotha
Customized BY KINE IT