1. muktokotha@gmail.com : Harunur Rashid : Harunur Rashid
  2. isaque@hotmail.co.uk : Harun :
  3. harunurrashid@hotmail.com : Muktokotha :
পা দিয়ে লিখেই তাকে পরীক্ষা দিতে হয়! অসাধারণ নিষ্ঠা ও মেধার প্রকাশ ঘটিয়ে পাশও করেছে - মুক্তকথা
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ধরা পড়েছে ৩ ডাকাত, ২জনের কারাদণ্ড, ১৩লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ী জব্দ, বালু জব্দ আর এক মাদক ব্যবসায়ী আটক চেয়ারম্যান বরাবর চা শ্রমিক ফেডারেশনের স্মারকলিপি, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান থেকে গাছচুরি, সভাপতি আনিস সম্পাদক সালেহ, রেবের এয়ারগান উদ্ধার ও শমসেরনগরে হামলায় আহত ১ ফুটবল ঐতিহ্যের পূর্ব-লণ্ডন ও বক্সি ইকবালকে নিয়ে প্রীতিসভা। সাইফুর রহমানের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী ও বাংলাদেশ চা শ্রমিক ফেডারেশনের দাবী। জেনেভায় জাতীয় শোকদিবস ফুটবল, সাংবাদিক পুত্রের সংবর্ধনা ও শঙ্খিনী সাপ উদ্ধার সীমান্তে বাংলাদেশী আটক, রাতে বাগান শ্রমিকদের উপর হামলা ও অন্যান্য ধর্ষণের জন্য ২জন আটক ও হত্যা মামলায় বাবার ফাঁসী আলাউর রহমান আর নেই। শ্রীমঙ্গলের কৃতিসন্তান মুহিত

পা দিয়ে লিখেই তাকে পরীক্ষা দিতে হয়! অসাধারণ নিষ্ঠা ও মেধার প্রকাশ ঘটিয়ে পাশও করেছে

সংবাদদাতা
  • প্রকাশকাল : শনিবার, ৬ জানুয়ারী, ২০১৮
  • ১৩৮৬ পড়া হয়েছে

খবরটি রংপুরের নিজপাড়া গ্রামের এক কঠোর পরিশ্রমী কিশোরীর। প্রতিবন্ধী স্কুল ছাত্রী পলী রাণীর ছোট্ট কাহিনী। জন্ম প্রতিবন্ধী পলী রাণীর দুই হাত ও পা অচল। হাত চলে না একেবারেই। মায়ের সহায়তায় অসীম সাহস আর মনোবল নিয়ে শুরু করেন পা দিয়ে লেখা। নিষ্ঠার অনুশীলন একসময় সফলতা নিয়ে আসে। পলী বুঝতে পারে সে পা দিয়ে লিখতে পারছে এবং এভাবে সে পড়া-লেখা করতে পারবে। একদিন মা-বাবাকে বলে স্কুলে যাওয়ার কথা। এর পর বাবা তাকে স্কুলে ভর্তি করে দেয়। পা দিয়ে লিখে সে প্রথম শ্রেণি থেকে ৪র্থ শ্রেণি পর্যন্ত সফলভাবে পাশ করে।
দরীদ্র শারীরিক প্রতিবন্ধী পলী রানী একমাত্র মায়ের সহায়তা ও  নিজের নিষ্ঠায় পা-দিয়ে লিখে এবছর পিইসিই পরীক্ষায় সাফল্য অর্জন করেছে। সে শারীরিক অক্ষমতাকে হার মানিয়ে রংপুরের গদাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পিইসিই পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ-৪.৫৮ পেয়েছে।
প্রথম প্রথম অনেকে পলীর লেখাপড়া অসম্ভব বলেছিল। পলি সেই অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছে। তার বাড়ি নিজপাড়া গ্রামে। ২০১৪ সালে তার বাবা মনোরঞ্জন চন্দ্র সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। তার বাবা মনোরঞ্জন চন্দ্র ক্ষুদে কাপড় ব্যবসায়ী ছিলেন ও মা রুপালী রানী গৃহিণী। তাদের ৬ ভাই-বোনের মধ্যে সে সবার ছোট। জানাযায়, স্কুলের শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীরা সবাই পলির সাথে ভাল আচরণ করতো।
পিতৃহীন পলীদের সংসারে শুধু শুধু অভাব নয় কঠোর দারীদ্র তাদের নিত্যসঙ্গী। পলির বড় ৩ ভাই লেখা-পড়া করে। তাদের খরচ মায়ের পক্ষে এখন চালানোই কষ্ট হয়ে দাঁড়িয়েছে। কঠিন কঠোর দারীদ্রের রূপ তাদের সংসারে এমনই যে মা না খাইয়ে দিলে তাকে না খেয়েই থাকতে হয়।
পলীর ইচ্ছা, পরিবার ও সমাজের বোঝা না হয়ে সে প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে সমাজে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চায়। মাঝে মাঝে নিজের শারীরিক অক্ষমতায় তার মনে কষ্ট লাগে, কিন্তু স্কুলে গেলে সব ভুলে যেত। পলির মনের গভীরের কথা, সে পড়াশুনা করে দেশের জন্য কিছু করতে ও বাবার ইচ্ছা ও মায়ের মুখে হাসি ফুটাতে চায়।
ইচ্ছা থাকলে অনেক অসম্ভবকে সম্ভব করা যায়। অসাধারণ নিষ্ঠা ও মেধার প্রকাশ ঘটিয়ে পিইসিই পরীক্ষায় ভাল ফলাফল করে পলী রানী শুধুই যে তা প্রমাণ করেছে তা নয়, জাতীয়ভাবে সন্মানিত হবার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তার স্বপ্ন পূরণে বাঁধা এখন দারীদ্রতা। একমাত্র সরকার এবং সমাজের বিত্তবানরাই পারে তার সে স্বপ্ন পূরণে সহায়তা করতে। সূত্র: ইত্তেফাক

এ জাতীয় সংবাদ

তারকা বিনোদন ২ গীতাঞ্জলী মিশ্র

বাংলা দেশের পাখী

বাংগালী জীবন ও মূল ধারার সংস্কৃতি

আসছে কিছু দেখতে থাকুন

© All rights reserved © 2021 muktokotha
Customized BY KINE IT