1. muktokotha@gmail.com : Harunur Rashid : Harunur Rashid
  2. isaque@hotmail.co.uk : Harun :
  3. harunurrashid@hotmail.com : Muktokotha :
৫৩হাজার ৫৩০হেক্টর জমিতে এবার বোরো ফসল হয়েছে - মুক্তকথা
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের রাজনীতি ও অন্তর্বর্তীকালীন সংকটের রূপরেখা দুর্গোৎসব ছড়ালো ভালোবাসার আলো : উৎসবে বস্ত্র বিতরণ। পূজা মণ্ডপে মন্ত্রী আরিফুল, সড়কের ব্যাপক গাছ চুরি, বাগান শ্রমিকদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ; বিষ প্রয়োগে লক্ষ টাকার ক্ষতি। প্রখ্যাত ফুটবলখেলোড়ী , মাহি উদ্দিন সেলিমকে সংবর্ধনা শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী পালিত, শিশুর মৃত্যু, নদীতে বিষ দিয়ে মাছ নিধন, ‘হিউম্যান রাইজ-‘এর নিজস্ব অফিস নির্মাণ ও হৃদরোগে মৃত্যু। তড়িঘড়ি করে ১৩৪টি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিককে অনুমোদন। পালিত হলো বর্ণবাদ ও স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের ৯০ বছর। একটি নার্সারী পুঞ্জির ৮হাজার পানগাছ দুর্বৃত্তরা কেটে দিয়েছে। খেলাধুলা এখন পেশা, আদিবা ও অন্বেষা শ্রেষ্ট ২ ক্ষুদে গবেষক, বইপড়া উৎসব ও শ্রমিকনেতা মফিজআলী, পূঁজা উপলক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা সভা, গরুচুরি, অনিয়মের জন্য জরিমানা, জমিনিয়ে বিরোধের শেষে।

৫৩হাজার ৫৩০হেক্টর জমিতে এবার বোরো ফসল হয়েছে

সংবাদদাতা
  • প্রকাশকাল : মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২০
  • ২৬৬০ পড়া হয়েছে

মুক্তকথা প্রতিবেদন।। মৌলভীবাজারে ধান কাটছেন ২৬ হাজার শ্রমিক। একদিকে ‘করোনা ভাইরাস’এর কারণে শ্রমিক সংকট অন্যদিকে আগাম বন্যার ভয়। হাতে সময় নেই কৃষকের। ফসল কাটার মৌসুম পুরোপুরি এখনও শুরু হয়নি। কিন্তু মাঠের ফসল ঘরে তুলে নিতে হবে। যদিও ফসল এখনও পুরোপুরি পাকেনি। তবে বেশীরভাগ জমি থেকেই ধান কেটে ঘরে তোলা যাবে। তাই জেলার কৃষকগন সময়ক্ষেপন না করে ধান কাটতে শুরু করেছেন। বলতে গেলে আগাম ধান কাটার এ পরামর্শ ও সহায়তা করছেন স্থানীয় কৃষিবিভাগ। কারণ ওই দু’টি- ‘করোনা ভাইরাস’ আর আগাম বন্যা।
সংবাদ ও গণমাধ্যম থেকে উল্লেখযোগ্য যে বিষয়টি জানা গেছে তা’হলো এবার জেলার ধান কাটায় কৃষকদের সাথে যোগ দিয়েছেন স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ। একাজে স্থানীয় কৃষিবিভাগও সর্বাত্মক সাহায্য করে যাচ্ছেন।

 

মৌলভীবাজার জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কাজী লু্ৎফুল বারী সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, প্রায় ২৬হাজার ৪শত শ্রমিক মাঠে ধান কাটায় নেমেছেন। ব্যবহৃত হচ্ছে ৩৯টি হারভেস্টার ও ১২১ রিপার মেশিন। এ বছর জেলায় লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫৩ হাজার ৫০০ হেক্টর। কিন্তু অর্জিত হয়েছে ৫৩ হাজার ৫৩০ হেক্টর। আবহাওয়া ভাল থাকায় ৩০ হেক্টর বেশী ফলন হয়েছে। বড় ধরণের প্রাকৃতিক বিপর্যয় না আসায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ধান তোলা সম্ভব হচ্ছে।
তবে কিছুটা ভিন্ন কথাও আছে আর তা’হলো, করোনার কারণে সৃষ্ট শ্রমিক সংকটের ফলে মজুরিও বেড়ে গেছে। কৃষিশ্রমিকদের মজুরী এবার দিতে হচ্ছে ৫০০টাকা হারে।
অবশ্য আগাম বন্যার বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহি প্রকৌশলী রণেন্দ্র শংকর চক্রবর্তী গণমাধ্যমকে আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন যে, আবওয়া কিছুটা খারাপ থাকলেও মৌলভীবাজারের কৃষকদের সমস্যা হবেনা। তারা এর আগেই ধান তুলতে পারবেন। যেমনটা তারা ২০১৭ সালে তুলতে পেরেছিলেন। একই সাথে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কাজী লু্ৎফুল বারীও বলেছেন, সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। আশা করি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কৃষকরা ঘরে ধান তোলতে পারবে।

এ জাতীয় সংবাদ

তারকা বিনোদন ২ গীতাঞ্জলী মিশ্র

বাংলা দেশের পাখী

বাংগালী জীবন ও মূল ধারার সংস্কৃতি

আসছে কিছু দেখতে থাকুন

© All rights reserved © 2021 muktokotha
Customized BY KINE IT