1. muktokotha@gmail.com : Harunur Rashid : Harunur Rashid
  2. isaque@hotmail.co.uk : Harun :
  3. harunurrashid@hotmail.com : Muktokotha :
৯০ বছর বয়সে সাইকেল চালিয়ে স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছেন জহিরন বেওয়া - মুক্তকথা
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিভাগের শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক লতিফা নিলুফার পাপড়ি। আগুনে ঘর পুড়ে ছাই, প্রবাসীর স্ত্রীর অভিযোগ, ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম, ভ্রাম্যমাণ আদালত ও আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা। কারণ দর্শানোর বিজ্ঞপ্তি! কঠোর হওয়ার সতর্কবার্তা। তরুণীর আত্মহত্যা, মা সম্মাননা, ব্যবসায়ী সমিতির শপথ গ্রহণ, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও সাপের বাচ্চা উদ্ধার। ট্রেনের ধাক্কায় এক বৃদ্ধা নিহত। ভ্রাম্যমাণ আদালতের ৯ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা। চার খুনসহ সকল হত্যা-ধর্ষনের বিচার ও গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে গণতান্ত্রিক যুক্ত ফ্রন্ট মৌলভীবাজার জেলার বিক্ষোভ গুণীজন সংবর্ধনা, যুবকের আত্মহত্যা, টমটম চালকের মরদেহ উদ্ধার, মামলা আপোষের জন্য হুমকি-ধামকি ও আজীবনদাতার একাডেমি দেখা। সাংবাদিক হত্যার চেষ্টা, বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও দুর্ধর্ষ চুরি। জেলা চা-শ্রমিক ফেডারেশনের বিক্ষোভ সমাবেশ ধরা পড়েছে ৩ ডাকাত, ২জনের কারাদণ্ড, ১৩লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ী জব্দ, বালু জব্দ আর এক মাদক ব্যবসায়ী আটক

৯০ বছর বয়সে সাইকেল চালিয়ে স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছেন জহিরন বেওয়া

সংবাদদাতা
  • প্রকাশকাল : বুধবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১৭
  • ৫৯২ পড়া হয়েছে

লন্ডন: ৪৪ বছর যাবৎ বাইসাইকেল চালিয়ে গ্রামবাসীকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসছেন জহিরন বেওয়া (৯০)। প্রতিদিন গ্রামে গ্রামে ঘুরে অসুস্থ দরিদ্র মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেয়ায় তার মূল কাজ। জহিরন বেওয়া উপজেলার ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের তালুক দুলালী গ্রামের মৃত সায়েদ আলীর স্ত্রী। উপজেলায় সবাই তাকে নানী বললেই চিনেন।
জানা গেছে, মহান মুক্তিযুদ্ধের চার বছর আগে স্বামীর মৃত্যুর পর তিন ছেলে আর দুই মেয়েকে নিয়ে সংসার সংগ্রামে নেমে পড়েন জহিরন। আট বছর আগে বড় ছেলে দানেশ আলীর (৬৮) মৃত্যুর পর ছোট ছেলে তোরাব আলীকে (৫৯) নিয়ে বেঁচে আছেন। ১৯৭৩ সালে জহিরন পরিবার ও পরিকল্পনা বিষয়ে ছয় মাসের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। এরপর চুক্তিভিত্তিক মাসিক মজুরিতে কাজে যোগ দেন। নিজ গ্রামসহ আশপাশের গ্রামগুলোতে বাইসাইকেল চালিয়ে গ্রামবাসীদের স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসছেন জহিরন। সবশেষে পাঁচশ টাকা মাসিক মজুরি পেয়ে ১০ বছর চাকরি করে অবসরে যান। আর অর্জিত অভিজ্ঞতা দিয়ে বাড়িতে বসে না থেকে আবারো গ্রামবাসীর স্বাস্থ্যসেবায় নেমে পড়েন জহিরন বেওয়া।
তিনি জানান, জ্বর, মাথা ব্যথা, বমি ও শারীরিক দুর্বলতাসহ অন্যান্য রোগের চিকিত্সাসেবা দিয়ে থাকেন। চিকিত্সার জন্য তাকে কোনো অর্থ দিতে হয় না। শুধু ওষুধের জন্য টাকা দিতে হয়। এখান থেকে প্রতিদিন গড়ে একশ পঞ্চাশ টাকা আয় হয় তার। তা দিয়েই কোনো রকম চলছে তার সংসার। উপজেলার ৩০টি গ্রামে প্রায় দুই হাজারের বেশি পরিবারের সঙ্গে রয়েছে যোগাযোগ। প্রতিদিন বাইসাইকেল চালিয়ে কমপক্ষে সাতটি গ্রামের ৭০টি বাড়িতে রোগীর খোঁজখবর নেন তিনি। গত ৫০ বছরে কোন রোগে আক্রান্ত হননি তিনি এমনটাই দাবি তার।
ভেলাবাড়ী রহমত আলী, চন্দনপাট গ্রামের জিলহাজ আলী জানান, ৪৪ বছর ধরে জহিরন বেওয়া বাইসাইকেল চালিয়ে গ্রামবাসীদের স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছেন। জহিরন বেওয়া গ্রামের গরিব মানুষের ডাক্তার। অনেক গরিব মানুষ তার কাছে বিনামূল্যে ওষুধ নিয়ে থাকেন। আর বড় ধরনের অসুখ বিসুখ হলে তিনি হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেন বলে জানান তারা।
জহিরন বেওয়ার ছোট ছেলে তোরাব আলী (৫৯) জানান, বার বার চেষ্টা করে যাচ্ছেন মাকে বাইসাইকেল চালিয়ে বাইরে না যেতে। কিন্তু কোনো বাধাই মানছেন না তার মা। -ইত্তেফাক

এ জাতীয় সংবাদ

তারকা বিনোদন ২ গীতাঞ্জলী মিশ্র

বাংলা দেশের পাখী

বাংগালী জীবন ও মূল ধারার সংস্কৃতি

আসছে কিছু দেখতে থাকুন

© All rights reserved © 2021 muktokotha
Customized BY KINE IT