1. muktokotha@gmail.com : Harunur Rashid : Harunur Rashid
  2. isaque@hotmail.co.uk : Harun :
  3. harunurrashid@hotmail.com : Muktokotha :
একটি কই মাছের কাহিনী - মুক্তকথা
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মণিপুরি ভাষা দিবস, মরদেহ উদ্ধার, আটকে পড়া ট্রেন লাউয়াছড়ায়, পূঁজা নিয়ে এমপি’র সাথে বৈঠক, জলখাবার বাক্স ও বইথলি বিতরণ এবং বৃক্ষরূপন অবৈধ জাল আটক, বিএসসি নার্সিং-এ তাকিয়া, জলখাবার বাক্স ও বইথলি বিতরণ, বিজ্ঞান মেলা, এনসিপি’র পরিষদ ও গার্লস গাইডদের দীক্ষা মণিপুরি লিপি প্রশিক্ষণ, বিশ্ব পর্যটন দিবস, বাগান শ্রমিকদের বিক্ষোভ, সততা দোকানের উদ্বোধন ও এলাকাবাসীর প্রতিবাদ বিএসসি নার্সিংয়ের লাইসেন্সিং পরীক্ষায় উত্তীর্ণ তাকিয়া ও নতুন পূজা আহ্বায়ক সুজিত রায়। বিভাগের শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক লতিফা নিলুফার পাপড়ি। আগুনে ঘর পুড়ে ছাই, প্রবাসীর স্ত্রীর অভিযোগ, ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম, ভ্রাম্যমাণ আদালত ও আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা। কারণ দর্শানোর বিজ্ঞপ্তি! কঠোর হওয়ার সতর্কবার্তা। তরুণীর আত্মহত্যা, মা সম্মাননা, ব্যবসায়ী সমিতির শপথ গ্রহণ, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও সাপের বাচ্চা উদ্ধার। ট্রেনের ধাক্কায় এক বৃদ্ধা নিহত। ভ্রাম্যমাণ আদালতের ৯ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা। চার খুনসহ সকল হত্যা-ধর্ষনের বিচার ও গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে গণতান্ত্রিক যুক্ত ফ্রন্ট মৌলভীবাজার জেলার বিক্ষোভ

একটি কই মাছের কাহিনী

সংবাদদাতা
  • প্রকাশকাল : বৃহস্পতিবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৪৮৩৩ পড়া হয়েছে
বাংলাদেশী কই

মুক্তকথা প্রতিবেদন॥ কইমাছ ‘কার্প’ গোত্রেরই একটি মাছ। দুনিয়ার বিভিন্ন দেশে বর্ণালী কই পাওয়া যায়। দীর্ঘায়ূ মাছের মধ্যে কই একটি। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলীয় দেশ গুলোতে সাধারণতঃ কই মাছ ২৫ থেকে ৩০ বছর বাঁচে। তবে ২০০ শত বছর বেঁচেছিল এমন কই মাছের খবরও রয়েছে মানুষে সংগ্রহে।
জাপানীদের কাছে প্রসিদ্ধ একটি কই মাছের ছবি ও কাহিনী রয়েছে যা কি-না ২২৬ বছর বেঁচেছিল। “হানাকো নামের ওই কই মাছ বিগত ১৯৭৭সালে মারা গিয়েছিল। ‘হানাকো’ একটি জাপানী শব্দ। এর অর্থ বাংলায় দাড়ায় ‘ফুলবালিকা’।
জাপানের মাছ গবেষণাগারে সে কই মাছের জন্ম তারিখ লিখা রয়েছে ১৭৫১সাল। ওই কই মাছের ব্যাপক হিসেব রয়েছে জাপানী মাছগবেষণাগারে। হানাকো’র চামড়ার আংটির মত দাগ গুণে তার বয়স নির্ধারণ করা হয়েছে। মাছের বয়স এভাবেই নির্ণয় করা হয়ে থাকে।
শেষ জীবনে কই ‘হানাকো’ লালিত-পালিত হয়েছে জাপানের নাগোয়া মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের পশুবিজ্ঞান গবেষণাগারের অধ্যাপক মাসায়োশি হিরো ও ড. কোমেই কোশিহারা এ দু’জনের হাতে। স্বচ্চ পানির একটি পুকুরে আরো ৫টি কই মাছের সাথে ‘হানাকো’র রক্ষনাবেক্ষন করা হতো। হানাকো’র বয়স নির্ধারণের পর অপর ৫টি কই মাছেরও বয়স নিয়ে একবছর গবেষণা করে দেখা গিয়েছিল ওদের প্রত্যেকটি বয়সে শতবর্ষী।
কই মাছের এমন বয়সের বিষয়ে ড. কোমেই কোশিহারা ১৯৬৬সালের ২৫মে জাপানের ‘নিপ্পন হোসো কিওকাই’ রেডিও ষ্টেশনে বিশদ কাহিনী প্রকাশ করেছিলেন। এ সময় ‘হানাকো’র বয়স ছিল ২১৫ বছর এবং ওজন ছিল ৭.৫ কিলোগ্রাম, আরও মাছটি লম্বায় ছিল ৭০ সেন্টিমিটার। কোমেই কোশিহারা তখন রেডিও তে বলেছিলেন যে ‘হানাকো’কে তিনি পেয়েছিলেন তার মায়ের তরপের দাদীমা’র কাছ থেকে।
কই মাছে এমন দীর্ঘায়ূর বিষয়ে গবেষক কোমেই কোশিহারা বলেছিলেন সম্ভবতঃ পানির স্বচ্ছতা ও আদরের সাথে লালন-পালন হতে পারে তার দীর্ঘায়ূর মূল কারণ। সূত্র:  অন্তর্জাল থেকে সংগৃহীত

জাপানী কই ‘হানাকো’
এ জাতীয় সংবাদ

তারকা বিনোদন ২ গীতাঞ্জলী মিশ্র

বাংলা দেশের পাখী

বাংগালী জীবন ও মূল ধারার সংস্কৃতি

আসছে কিছু দেখতে থাকুন

© All rights reserved © 2021 muktokotha
Customized BY KINE IT