1. muktokotha@gmail.com : Harunur Rashid : Harunur Rashid
  2. isaque@hotmail.co.uk : Harun :
  3. harunurrashid@hotmail.com : Muktokotha :
'ফিৎরা' আরবী শব্দ, বাংলায় এর অর্থ ভঞ্জন বা ভাঙ্গা - মুক্তকথা
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রখ্যাত ফুটবলখেলোড়ী , মাহি উদ্দিন সেলিমকে সংবর্ধনা শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী পালিত, শিশুর মৃত্যু, নদীতে বিষ দিয়ে মাছ নিধন, ‘হিউম্যান রাইজ-‘এর নিজস্ব অফিস নির্মাণ ও হৃদরোগে মৃত্যু। তড়িঘড়ি করে ১৩৪টি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিককে অনুমোদন। পালিত হলো বর্ণবাদ ও স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের ৯০ বছর। একটি নার্সারী পুঞ্জির ৮হাজার পানগাছ দুর্বৃত্তরা কেটে দিয়েছে। খেলাধুলা এখন পেশা, আদিবা ও অন্বেষা শ্রেষ্ট ২ ক্ষুদে গবেষক, বইপড়া উৎসব ও শ্রমিকনেতা মফিজআলী, পূঁজা উপলক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা সভা, গরুচুরি, অনিয়মের জন্য জরিমানা, জমিনিয়ে বিরোধের শেষে। শেখ হাসিনা- দেশে ফিরে আসার সম্ভাবনা ও আইনী সমস্যা(২)… মণিপুরি ভাষা দিবস, মরদেহ উদ্ধার, আটকে পড়া ট্রেন লাউয়াছড়ায়, পূঁজা নিয়ে এমপি’র সাথে বৈঠক, জলখাবার বাক্স ও বইথলি বিতরণ এবং বৃক্ষরূপন অবৈধ জাল আটক, বিএসসি নার্সিং-এ তাকিয়া, জলখাবার বাক্স ও বইথলি বিতরণ, বিজ্ঞান মেলা, এনসিপি’র পরিষদ ও গার্লস গাইডদের দীক্ষা

‘ফিৎরা’ আরবী শব্দ, বাংলায় এর অর্থ ভঞ্জন বা ভাঙ্গা

হারুনূর রশীদ॥
  • প্রকাশকাল : বুধবার, ২১ এপ্রিল, ২০২১
  • ১৮৪১ পড়া হয়েছে


’ফিতরা’ আরবী শব্দ। এর অর্থ হলো ভাঙ্গা, ভঙ্গকরা বা আরো সুন্দর শব্দ দিয়ে বললে বলা যায় ভঞ্জন। যা আরবীতে বলা হয় ‘সদকাতুল ফিতর’ বা ‘যাকাতুল ফিতর’ তাকেই বাংলায় বলা হয় ফিতরা। ফার্সি, উর্দু ও হিন্দিতেও ওই একই ফিতরা শব্দ দিয়ে বুঝানো হয়ে থাকে। উপবাস বা শেষ রোজার দিন বা রোজা সমাপনের দিন আরো মধুর করে বললে উপবাস ভঞ্জন দিবসে স্রষ্টার নামে গরীব-দুঃখীকে এ সহায়তা দেয়া হয় বলে একে ডাকা হয় ‘ফিতরা’ শব্দ দিয়ে।

মানুষের দৈনন্দিন জীবনে যে সমস্ত বিপদ আসন্ন-এর থেকে বাঁচার মনোবাসনায় গরীব মানুষকে স্রষ্টার নামে সাহায্য করার প্রকাশ এই ‘সদকা’ শব্দ দিয়ে হয়ে থাকে। এর গুরুত্ব ও তাত্‍পর্য ব্যাপক। এটি ধর্ম ইসলামের একটি সার্বজনীন নীতি ও শিক্ষা। দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় হল বর্তমানের অত্যাধুনিক এই সময়ে বিশ্ব মানব সমাজ এমন এক অবস্থায় দাঁড়িয়ে যে এই ‘সদকা’-‘ফিৎরা’ নামের গরীব দুঃখী মানুষের সহায়তা অর্থ স্কুল, মাদ্রাসা, মক্তব আর মসজিদের নামে নিয়ে নেয়া হচ্ছে নিঃসংকোচে। আর চলমান এই ডিজিটাল যুগে সেবা সংস্থার ছড়াছড়ি এতোই সম্প্রসারিত হয়েছে যে কোন একজন গরীব মানুষকে সরাসরি দাতার কাছ থেকে তার প্রাপ্য সাহায্য বা সহায়তার অর্থটুকু পাওয়া খুবই দুষ্কর! বাধ্য হয়ে এসকল মানুষকে কোন না কোন সেবা সংস্থার দ্বারস্ত হতে হয়।

‘ফিতরা’ নামক এই সহায়তার টাকায় গরীব মানুষজন পবিত্র ঈদের খুশীতে অংশ নিতে পারবে, পেট ভরে দুমুটো খেতে পারবে এমন মহতি লক্ষ্যেই এর প্রচলন হয়েছিল কিন্তু এখন এই ফিৎরা আর সরাসরি দেয়া হয় খুবই কম। এখন ফিৎরা আদায় করা হয় মাইক বাজিয়ে বিভিন্ন নামে। অবস্থা এমনই হয়েছে যে ফিৎরা আদায় কিছু মানুষের পেশায় পরিণত হয়েছে। ফলে আসল পাওয়ার মানুষের হাতে পৌঁছার আগে ফিৎরার টাকায় ভাগ বসে অন্যদের। খাঁটী ধর্মের চিন্তা থেকে এরকমটি খুবই লজ্জ্বাজনক বলেই মনে করি।

কোন কোন ধর্মীয় গবেষক ‘ফিৎর’ শব্দের অর্থ বলেন ‘সৃষ্টি’ বা ‘ব্যক্তিসত্তা’। যেহেতু সকল মানুষকেই উপবাস ভঞ্জনের এই সহায়তায় অংশ নিতে হয় তাই একে ‘সদকাতুল ফিতর’ বলে আরবীতে। বাংলায় গরীব-দুঃখীকে উপবাস ভঙ্গের সাহায্য বা সহায়তা। এই দান বা সহায়তাকে বহু ধর্মীয় গবেষক ঈদের আনন্দকে সার্বজনীন করার উপায় বলেই মনে করেন। ধনী-গরীব সকলেই যাতে ঈদের আনন্দে অংশ নিতে পারে তার জন্যেই এই ব্যবস্থা।
উপবাস ভাঙ্গার পর আনন্দ প্রার্থনার(ঈদের নামাজ) আগেই সকালে সহায়তার এ মহতি কাজ শেষ করতে হয়। অনেকেই মনে করেন এই সহায়তা উপবাসের কোন অপূর্ণতাকে পূর্ণতা দেয়।

বিঃদ্রঃ ১৪২৮ বাংলা, এবারের ফিৎরা(গরীব-দুঃখীদের সাহায্য) কমপক্ষে ৭০টাকা আর সর্বোচ্চ ২৩১০টাকা।

এ জাতীয় সংবাদ

তারকা বিনোদন ২ গীতাঞ্জলী মিশ্র

বাংলা দেশের পাখী

বাংগালী জীবন ও মূল ধারার সংস্কৃতি

আসছে কিছু দেখতে থাকুন

© All rights reserved © 2021 muktokotha
Customized BY KINE IT