1. muktokotha@gmail.com : Harunur Rashid : Harunur Rashid
  2. isaque@hotmail.co.uk : Harun :
  3. harunurrashid@hotmail.com : Muktokotha :
কমলগঞ্জের খবর... - মুক্তকথা
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন

কমলগঞ্জের খবর…

প্রনীত দেবনাথ।
  • প্রকাশকাল : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬
  • ০ পড়া হয়েছে

 

চা শ্রমিকদের মজুরি ৫০০ টাকা ও চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনের দাবিতে
বিক্ষোভ সমাবেশ।


সংসদে উত্থাপিত চা শ্রমিকদের দৈনিক ৫০০ টাকা মজুরি কার্যকর, কুরমা চা বাগানের বকেয়া মজুরিসহ শ্রমিকদের সকল পাওনা পরিশোধ এবং শ্রম অধিদপ্তরের অবৈধ হস্তক্ষেপ ছাড়া বাংলাদেশ  চা শ্রমিক ইউনিয়নের অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে চা শ্রমিকরা।
বুধবার সকালে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী ইসলামপুর ইউনিয়নের কুরমা চা বাগানে সাধারণ চা শ্রমিক ও ছাত্র যুবকবৃন্দের ব্যানারে এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, জাতীয় সংসদে চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ৫০০ টাকা করার প্রস্তাব উত্থাপিত হলেও তা পরবর্তীতে প্রত্যাহার করা হয়, যা চা শ্রমিকদের মধ্যে গভীর হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। তাই অবিলম্বে দৈনিক ৫০০ টাকা মজুরি কার্যকর করার দাবি জানান তারা।
বক্তারা আরও বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে বর্তমান মজুরিতে শ্রমিকদের পরিবার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সন্তানদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ করতে গিয়ে অনেক শ্রমিক ঋণগ্রস্ত হচ্ছেন। এর পাশাপাশি কুরমা চা বাগানের শ্রমিকদের টানা চার সপ্তাহের মজুরি বন্ধ থাকায় শত শত শ্রমিক পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে। তারা অবিলম্বে চার সপ্তাহের বকেয়া মজুরি ও শ্রমিকদের সকল আইনসিদ্ধ পাওনা পরিশোধের দাবি জানান।
সমাবেশ থেকে দাবি জানানো হয়, শ্রম অধিদপ্তরের কোনো ধরনের অবৈধ হস্তক্ষেপ ছাড়া বাংলাদেশ  চা শ্রমিক ইউনিয়নের অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করতে হবে, যাতে শ্রমিকরা স্বাধীনভাবে নিজেদের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারেন।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন চা শ্রমিক নারী নেত্রী গীতা রানী কানু, ইউপি সদস্য নরুল হক এবং শমশেরনগর চা বাগানের শ্রমিক নেত্রী লছমি রানী রাজভর,সুজিত পাশা প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, চা শিল্প দেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। অথচ এই শিল্পের মূল চালিকাশক্তি চা শ্রমিকরা এখনও ন্যায্য মজুরি ও মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। তারা অবিলম্বে সংসদে উত্থাপিত দৈনিক ৫০০ টাকা মজুরি কার্যকর, চার সপ্তাহের বকেয়া মজুরি ও সকল পাওনা পরিশোধ এবং শ্রমিকদের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।


মানা হচ্ছে না উচ্চ আদালতের রায়
পাহাড়ি ছড়া থেকে সিলিকাবালু লোপাটের হিড়িক!


মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলাসহ জেলার বিভিন্ন এলাকার প্রায় শতাধিক পাহাড়ি ছড়া থেকে বেপরোয়াভাবে সিলিকা বালু লোপাটের হিড়িক শুরু হয়েছে। মানা হচ্ছে না উচ্চ আদালতের রায়। অবৈধভাবে সিলিকা বালু উত্তোলনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ছড়ার বাঁধ, টিলা, রাস্তাঘাট ও কৃষিজমি। সরকার হারাচ্ছে বিপুল পরিমাণে রাজস্ব আর বিপন্ন হচ্ছে পরিবেশ, প্রতিবেশ।

জানা যায়, খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর অনুমোদিত মৌলভীবাজার জেলায় ৩৩টি সিলিকা বালু কোয়ারি রয়েছে। বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) ২০১৩ সনের ১৮ জুন প্রজ্ঞাপন দ্বারা মৌলভীবাজার জেলার অন্তর্গত ৫১টি পাহাড়ি ছড়া সিলিকাবালু সম্পৃক্ত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এরমধ্যে ১৯টি-কে অযান্ত্রিক পদ্ধতিতে বালু উত্তোলনের জন্য ইজারা প্রদান করা হয়। ইজারা গ্রহীতাদের অনিয়ন্ত্রিত ও বেআইনীভাবে বালু উত্তোলনের ফলে কমলগঞ্জসহ সংশ্লিষ্ট এলাকা সমূহের পরিবেশ ও প্রতিবেশ বিপর্যয় ঘটছে। এব্যাপারে ২০১৬ সনের ৮ মার্চ বেলা জনস্বার্থে রীট পিটিশন দায়ের করে। শুনানি শেষে ২১ মার্চ হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ১৯টি বালুমহালকে পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণ (ইআইএ) ও পরিবেশগত ছাড়পত্র (ইসিসি) ছাড়া পরবর্তী ইজারা প্রদানের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেন।

তবে উচ্চ আদালতের এই নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে কমলগঞ্জ উপজেলার পাহাড়ি দেওছড়া, সুনছড়া, জপলাছড়া, লাউয়াছড়াসহ বিভিন্ন ছড়া থেকে অবাধে সিলিকা বালু উত্তোলন চলছে। উত্তোলিত এসব বালু বাণিজ্যের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন স্থানীয় রাজনৈতিক একটি মহল। প্রশাসন এদের বিষয়ে কার্যত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারছে না। ফলে ছড়ার বাঁধ ও পার্শ্ববর্তী টিলাভূমি বিনষ্ট হচ্ছে। রাস্তাঘাট, কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সরকার হারাচ্ছে বিপুল পরিমাণের রাজস্ব।

স্থানীয়রা জানান, বালু উত্তোলনকারী চক্র খুবই বেপরোয়া। তারা শ্রমিক লাগিয়ে বালু উত্তোলনের পর ট্রাক, পিকআপ, ট্রলি ও ঠেলাগাড়ি যোগে পরিবহন ও বিক্রয় করছে। প্রশাসন আসার আগেই তারা টের পেয়ে যায়। তখন স্থান ত্যাগ করে। প্রশাসনের লোক চলে যাওয়ার পরই আবার উত্তোলন ও বিক্রয় অব্যাহত রাখে।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি বেলা’র সিলেট বিভাগীয় সমন্বয়ক এড. শাহ সাহেদা আক্তার বলেন, ইজারা না নিয়ে বালু উত্তোলন করা অবৈধ। এটি ঠেকানোর দায়িত্ব প্রশাসনের। যাঁরা অবৈধ কাজের সুযোগ করে দিচ্ছেন, তাঁরা উচ্চ আদালতের রায়কে অবমাননা করছেন।
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসকের কাছে একটি আবেদনের বিষয়ে সরেজমিনে দেওছড়া পরিদর্শন করেছি। তবে সিলিকা বালু উত্তোলনের সংবাদ পেয়ে বুধবার দুপুরে এসিল্যান্ডকে সরেজমিনে পাঠিয়েছি। সেখানে যাওয়ার পর কাউকে পাওয়া যায়নি। তিনি আরও বলেন, অন্যান্য ছড়া থেকেও বালু উত্তোলনের বিষয়ে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


১১ শত নারী চা শ্রমিককে রেইনকোট প্রদান
আলোচনায় এক চেয়ারম্যান প্রার্থী মুহিবুল আলম


মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় নারী চা শ্রমিকদেরকে রেইনকোট প্রদান করে আলোচনায় এসেছেন আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের অংশগ্রহণকারী চেয়ারম্যান প্রার্থী সমাজসেবক ও দানশীল ব্যক্তিত্ব শ্রীপুর গ্রামের কৃতি সন্তান মুহিবুল আলম। গত রোববার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যা ৬ টায় উপজেলার সীমান্তবর্তী ইসলামপুর ইউনিয়নের কুরমা চা বাগানের নাট ম-পে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মুহিবুল আলমের পক্ষ থেকে কুরমা, বাঘাছড়া ও চাম্পারায় এই তিনটি চা বাগানের ১১ শত নারী চা শ্রমিককে বৃষ্টি থেকে নিজেদেরকে সুরক্ষা দিতে রেইনকোট বিতরণের মাধ্যমে মানবিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

স্থানীয় বিএনপি নেতা সুন্দর আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য মো. দুরুদ আহমদ। স্থানীয় বিএনপি কর্মী বারাম আলীর সঞ্চালনায় গেষ্ট অফ অনার হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আসন্ন ইউপি নির্বাচনে ইসলামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও দানশীল ব্যক্তিত্ব মুহিবুল আলম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মো. আবুল হোসেন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সবুজ মিয়া, কুরমা চা বাগানের পঞ্চায়েত কমিটির সাবেক সভাপতি নারদ পাশি প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আমরা জানি বৃষ্টি বা রোদ কোনো কিছুই আমাদের চা শিল্পের চাকা থামিয়ে রাখতে পারে না। আর এই শিল্পকে সচল রাখার ক্ষেত্রে আমাদের নারী শ্রমিকদের অবদান অসামান্য। পরিবারের দায়িত্ব সামলে, ঝড়-বাদলের দিনেও তারা যেভাবে বাগানে কাজ করেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। আপনাদের এই কষ্ট কিছুটা লাঘব করতে এবং কর্মক্ষেত্রে সুরক্ষাকে নিশ্চিত করতে বিএনপি নেতা মুহিবুল আলমের এমন উদ্যোগ আসলেই প্রশংসনীয়। তার এই মহৎ উদ্যোগ রেইনকোট বিতরণের মাধ্যমে আপনাদের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব হবে। এই রেইনকোটগুলো আপনাদের বর্ষার দিনে বৃষ্টি ও ঠান্ডা থেকে সুরক্ষা দেবে এবং কাজে আরও স্বাচ্ছন্দ্য আনবে।

চেয়ারম্যান প্রার্থী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক শ্রীপুর গ্রামের কৃতি সন্তান মুহিবুল আলম বলেন, আমার পিতাও একসময় চা বাগানের শ্রমিক ছিলেন। আমি জানি চা শ্রমিকরা কিভাবে জীবন যাপন করেন। ঝড়-বাদলের দিনেও বৃষ্টিতে ভিজে চা পাতা চয়ন করে থাকেন, তাই তাদের কষ্টের কথা ভেবে আমার এই সামান্য উদ্যোগ। তার এমন মহৎ উদ্যোগের কারণে সকল চা শ্রমিকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে।


কমলা গাছ কাটার ঘটনায় উচ্চতর তদন্ত কমিটির
ঘটনাস্থল পরিদর্শন


মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে বন বিভাগের উচ্ছেদ অভিযানের নামে ফল ধরার আগমুহূর্তে ১২শ কমলা গাছ কেটে ফেলার ঘটনায় তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে গত ২২ জুলাই তাৎক্ষণিকভাবে সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে এ ঘটনায় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বে ৩ সদস্য বিশিষ্ট উচ্চতর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এদিকে তদন্ত কমিটি ঘটনের পরদিনই ২৩ জুলাই বৃহস্তপতিবার তদন্ত কমিটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো: আসাদুজ্জামান জানান, কমলগঞ্জ উপজেলার কমলা গাছ কাটার বিষয়ে এ ঘটনায় একটি উচ্চতর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আশরাফুর রহমান (যুগ্মসচিব) তদন্ত কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। গঠিত এই তদন্ত কমিটিতে আরও রয়েছেন সিলেট বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) আব্দুর রহমান এবং অতিরিক্ত জেলা রাজস্ব কর্মকর্তা (এডিসি রেভিনিউ)শাহিনা আক্তার। তদন্ত কমিটি সরেজমিন তদন্তপূর্বক প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করে পরবর্তী আইনগত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে জানানো হয়েছে।

এদিকে বৃহস্পতিবার তদন্ত কমিটি দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত সরেজমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শন কালে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আশরাফুর রহমান (যুগ্মসচিব) স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন,আমরা ঘটনাস্থলের তথ্য-উপাথ্য,প্রয়োজনীয় কাগজ-পত্র,ভোক্তভোগী ও বন বিভাগের বক্তব্য সহ তথ্য-উপাথ্য সংগ্রহ করেছি। এগুলো পর্যালোচনা ক্রমে কিছু দিনের মধ্যে সরকারের নিকট দাখিল করবো।
অপরদিকে সিলেট বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) আব্দুর রহমান বলেন, আমি তদন্ত কাজে সহযোগিতার জন্য এসেছি। তদন্তকাজ চলমান রয়েছে। এই মুহুর্তে এর চেয়ে বেশী কিছু বলা যাবেনা।


হামহামে আটকা পড়া ১০ পর্যটককে উদ্ধার


মৌলভীবাজার কমলগঞ্জ উপজেলার রাজকান্দি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ভেতরে অবস্থিত জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র হামহাম জলপ্রপাতে আটকে পড়া ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ১০ শিক্ষার্থীকে যৌথ অভিযানে নিরাপদে উদ্ধার করেছে পুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। উদ্ধার অভিযানে স্থানীয় বাসিন্দারাও সহযোগিতা করেন।
সোমবার (২০) সকালে ঢাকা থেকে ১০ সদস্যের একটি পর্যটক দল হামহাম জলপ্রপাত ভ্রমণে আসে। জলপ্রপাতের দুর্গম পাহাড়ি পথে যাওয়ার সময় দলের এক শিক্ষার্থী পিছলে পড়ে হাতে গুরুতর আঘাত পান। আহত সহযাত্রীকে নিয়ে দুর্গম পথ অতিক্রম করে ফিরে আসা সম্ভব না হওয়ায় তারা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে সহায়তা চান।
পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে বিকেল ৩টার দিকে বিষয়টি জানতে পারে কমলগঞ্জ থানা পুলিশ। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কমলগঞ্জ থানা পুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বয়ে দ্রুত উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রায় এক ঘণ্টা ৪৫ মিনিটের অভিযান শেষে বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে আটকে পড়া ১০ পর্যটককে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারের পর আহত শিক্ষার্থীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। উদ্ধার হওয়া অন্য নয়জন পর্যটক সুস্থ রয়েছেন।
স্থানীয় প্রশাসন জানায়, বর্ষা মৌসুমে হামহাম জলপ্রপাতের পথে পাথর ও পাহাড়ি ছড়া পিচ্ছিল হয়ে যায়। এ সময় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় পর্যটকদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ, দলবদ্ধভাবে চলাচল এবং জরুরি প্রয়োজনে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কমর উদ্দিন বলেন, ‘৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পাওয়ার পরপরই আমরা ট্যুরিস্ট পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের নিয়ে দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করি। দুর্গম পাহাড়ি পথ হওয়া সত্ত্বেও সমন্বিত প্রচেষ্টায় সবাইকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। আহত পর্যটককে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।’
শ্রীমঙ্গল ট্যুরিষ্ট পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো.কামরুল ইসলাম বলেন, ১০জন ট্যুরিষ্টকে আমরা যৌথ উদ্যোগে উদ্ধার করি। তারমধ্যে একজন আহত হয়েছেন। তাকে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক দেওয়া হয়,পরে সবকিছু শেষে তারা নিজ গন্তব্যে রওনা দেন।
কমলগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তা ফয়েজ আহমদ বলেন, ‘হামহাম জলপ্রপাতের পথ অত্যন্ত দুর্গম ও পিচ্ছিল। তাই পর্যটকদের অবশ্যই পর্যাপ্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে এবং প্রয়োজনে স্থানীয় গাইডের সহায়তা নিয়ে ভ্রমণ করা উচিত।’

 

 

 

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় সংবাদ

তারকা বিনোদন ২ গীতাঞ্জলী মিশ্র

বাংলা দেশের পাখী

বাংগালী জীবন ও মূল ধারার সংস্কৃতি

আসছে কিছু দেখতে থাকুন

© All rights reserved © 2021 muktokotha
Customized BY KINE IT