1. muktokotha@gmail.com : Harunur Rashid : Harunur Rashid
  2. isaque@hotmail.co.uk : Harun :
  3. harunurrashid@hotmail.com : Muktokotha :
একজন শাহাব উদ্দীন, ইউনিয়ন চেয়ারমেন থেকে মন্ত্রী - মুক্তকথা
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রখ্যাত ফুটবলখেলোড়ী , মাহি উদ্দিন সেলিমকে সংবর্ধনা শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী পালিত, শিশুর মৃত্যু, নদীতে বিষ দিয়ে মাছ নিধন, ‘হিউম্যান রাইজ-‘এর নিজস্ব অফিস নির্মাণ ও হৃদরোগে মৃত্যু। তড়িঘড়ি করে ১৩৪টি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিককে অনুমোদন। পালিত হলো বর্ণবাদ ও স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের ৯০ বছর। একটি নার্সারী পুঞ্জির ৮হাজার পানগাছ দুর্বৃত্তরা কেটে দিয়েছে। খেলাধুলা এখন পেশা, আদিবা ও অন্বেষা শ্রেষ্ট ২ ক্ষুদে গবেষক, বইপড়া উৎসব ও শ্রমিকনেতা মফিজআলী, পূঁজা উপলক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা সভা, গরুচুরি, অনিয়মের জন্য জরিমানা, জমিনিয়ে বিরোধের শেষে। শেখ হাসিনা- দেশে ফিরে আসার সম্ভাবনা ও আইনী সমস্যা(২)… মণিপুরি ভাষা দিবস, মরদেহ উদ্ধার, আটকে পড়া ট্রেন লাউয়াছড়ায়, পূঁজা নিয়ে এমপি’র সাথে বৈঠক, জলখাবার বাক্স ও বইথলি বিতরণ এবং বৃক্ষরূপন অবৈধ জাল আটক, বিএসসি নার্সিং-এ তাকিয়া, জলখাবার বাক্স ও বইথলি বিতরণ, বিজ্ঞান মেলা, এনসিপি’র পরিষদ ও গার্লস গাইডদের দীক্ষা

একজন শাহাব উদ্দীন, ইউনিয়ন চেয়ারমেন থেকে মন্ত্রী

সংবাদদাতা
  • প্রকাশকাল : রবিবার, ৬ জানুয়ারী, ২০১৯
  • ২৮৯০ পড়া হয়েছে

মুক্তকথা সংবাদকক্ষ।। বড়লেখা পৌর শহরের পাখিয়ালা এলাকায় তার বাড়ী। পর পর তিনবার বড়লেখা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারমেন ছিলেন। সেই যে রাজনীতি দিয়ে জীবন শুরু করেছিলেন আর তাকে খুব একটা পেছনে তাকাতে হয়নি।  ১৯৯৬ সালে নির্বাচিত হলেন প্রথম সাংসদ হিসেবে তার দল আওয়ামী লীগ থেকে।  তারপর ২০০১সালের নির্বাচনে হেরেগিয়েছিলেন। পরের দফায় আবার ফিরে আসেন মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলা) আসনে বিজয়ী হয়ে। বলছিলাম সাংসদ মো. শাহাব উদ্দিনের কথা। লণ্ডনে দেখা হয়েছিল। টুকটাক কিছু আলাপ হয়েছিল। তখনই বুঝতে পেরেছিলাম তার একটি লক্ষ্য আছে। বুঝতে পেরেছিলাম সেটি শুধু শুধুই লক্ষ্য নয়। তিনি এ লক্ষ্য হাসিলে নিবেদিত প্রান।
১৯৯৬সাল থেকে শুরু করে একাধারে ২০০৮ ও ২০১৪ সংসদ নির্বাচিত হন। মাঝে ২০০১সালে একদফা পরাজিত হয়েছিলেন। কিন্তু হাল ছাড়েননি। পরের দফায়ই সেটি কাটিয়ে উঠেন এবং সরাসরি হুইপের দায়ীত্ব পান। তিনি এখনও বড়লেখা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি।
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারমেন থেকে বিভিন্ন চড়াই-উৎরাই পাড় হয়ে খোদ মন্ত্রী হওয়া চারটেখানি কথা নয়। অনেক পক্ষকে সন্তুষ্ট রাখতে হয়। বহু পক্ষের তদন্ত প্রতিবেদনে ভাল মানুষ হতে হয়। দলের প্রতি নিখাদ আনুগত্যের পাশাপাশি আর্থিক সহায়তা এসব পূরণ করতে হয়। যেকোন সরকারের লক্ষ্য অনুধাবন করতে হয় এবং পূরণে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হয়;  আর সাধারণ মানুষের ভোটতো পেতেই হয়। তারপর না মন্ত্রী। বেশ লম্বা পথ পাড়ি দিতে হয়। শাহাবুদ্দীন সেপথ পাড়ি দিয়েছেন। এবারের নির্বাচনে ১ লাখ সাড়ে ৪৪ হাজার ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। ২০১৯সালে নতুন মন্ত্রী সভায় তিনি বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়ীত্ব পেয়েছেন। সাধারণ মানুষের অফুরান ভালবাসায় সিক্ত না হলে এমন অবস্থানে যাওয়া খুবই কঠিন।
মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেছেন, তার নির্বাচনী এলাকার মানুষের দাবি ছিল, একজন পূর্ণ মন্ত্রীর।  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সে ‌আকাঙ্ক্ষা পূরণ করেছেন। তাই তিনি নিবেদিতপ্রাণ হয়ে সে দায়িত্ব পালনে সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন।

এ জাতীয় সংবাদ

তারকা বিনোদন ২ গীতাঞ্জলী মিশ্র

বাংলা দেশের পাখী

বাংগালী জীবন ও মূল ধারার সংস্কৃতি

আসছে কিছু দেখতে থাকুন

© All rights reserved © 2021 muktokotha
Customized BY KINE IT